রোকন উদ্দীন, ঢাকা

গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ প্রায় সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর। বিশেষ করে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে গেছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের আওতাধীন সংস্থা অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাণিজ্য বিশ্লেষক ও রপ্তানিকারকদের মতে, এই প্রবণতা মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্কজনিত চাপেরই বাস্তব প্রতিফলন।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, একই সময়ে মার্কিন বাজারে পোশাক সরবরাহের শীর্ষ উৎস ভিয়েতনাম থেকে আমদানি কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন থেকে আমদানি কমেছে ৫৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ ছাড়া ভারত থেকে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া থেকে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ, মেক্সিকো থেকে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং পাকিস্তান থেকে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ কম আমদানি হয়েছে।
উচ্চ শুল্কের প্রভাবে মার্কিন ব্র্যান্ড ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদের সতর্ক ক্রয়নীতি এবং রপ্তানিকারক দেশগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার বিরূপ প্রতিফলন পড়েছে পোশাকের দামের ওপরও। এই সময়ে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের ইউনিটপ্রতি দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ। ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং চীনের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। পাশাপাশি কম্বোডিয়ার ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়ার ২ দশমিক ৭২ শতাংশ দাম কমেছে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা গেছে; দেশটির পোশাকের ইউনিট দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের চূড়ান্ত শুল্ক কার্যকর হওয়ার প্রভাবে শুধু অক্টোবর মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ক্রেতারা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৬৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশের বেশি কম। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানি কমেছে ১০ শতাংশের বেশি।
তবে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। জানুয়ারি-অক্টোবর ২০২৫ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি আগের বছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬৬ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও বাংলাদেশ থেকে আমদানি বেড়ে ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছর ছিল ৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশের বেশি।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, এই প্রবৃদ্ধি সারা বছরের প্রকৃত প্রবণতা তুলে ধরে না। তাঁর মতে, ট্রাম্প শুল্ক কার্যকরের আগে বড় লটে আমদানি হওয়ায় জানুয়ারি-অক্টোবরের হিসাবে প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আগস্টের পর থেকে রপ্তানির গতি স্পষ্টভাবেই কমছে এবং প্রতি মাসে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ প্রায় সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর। বিশেষ করে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে গেছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের আওতাধীন সংস্থা অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাণিজ্য বিশ্লেষক ও রপ্তানিকারকদের মতে, এই প্রবণতা মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্কজনিত চাপেরই বাস্তব প্রতিফলন।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, একই সময়ে মার্কিন বাজারে পোশাক সরবরাহের শীর্ষ উৎস ভিয়েতনাম থেকে আমদানি কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন থেকে আমদানি কমেছে ৫৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ ছাড়া ভারত থেকে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া থেকে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ, মেক্সিকো থেকে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং পাকিস্তান থেকে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ কম আমদানি হয়েছে।
উচ্চ শুল্কের প্রভাবে মার্কিন ব্র্যান্ড ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদের সতর্ক ক্রয়নীতি এবং রপ্তানিকারক দেশগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার বিরূপ প্রতিফলন পড়েছে পোশাকের দামের ওপরও। এই সময়ে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের ইউনিটপ্রতি দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ। ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং চীনের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। পাশাপাশি কম্বোডিয়ার ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়ার ২ দশমিক ৭২ শতাংশ দাম কমেছে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা গেছে; দেশটির পোশাকের ইউনিট দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
ওটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের চূড়ান্ত শুল্ক কার্যকর হওয়ার প্রভাবে শুধু অক্টোবর মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ক্রেতারা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৬৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশের বেশি কম। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানি কমেছে ১০ শতাংশের বেশি।
তবে সামগ্রিক চিত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। জানুয়ারি-অক্টোবর ২০২৫ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি আগের বছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬৬ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও বাংলাদেশ থেকে আমদানি বেড়ে ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছর ছিল ৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশের বেশি।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, এই প্রবৃদ্ধি সারা বছরের প্রকৃত প্রবণতা তুলে ধরে না। তাঁর মতে, ট্রাম্প শুল্ক কার্যকরের আগে বড় লটে আমদানি হওয়ায় জানুয়ারি-অক্টোবরের হিসাবে প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু আগস্টের পর থেকে রপ্তানির গতি স্পষ্টভাবেই কমছে এবং প্রতি মাসে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় উঠেছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার...
৭ ঘণ্টা আগে
সংকট কাটিয়ে উঠতে বাকিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির সুযোগ দিল সরকার। এজন্য দেশি ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে আমদানি করা যাবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার দিয়ে বলেছে, ‘ক্রেডিটে আমদানির করা...
৭ ঘণ্টা আগে
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জাতীয় নেতারা এবং জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক কর্মকর্তাদের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বকালে ২০০২ সালে স্থাপিত জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর পুনঃস্থাপন
৮ ঘণ্টা আগে