রোকন উদ্দীন, ঢাকা

ঢাকার বাজারে এবার স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক আগেই তরমুজের সরবরাহ বেড়েছে, যা সাধারণত মার্চের মাঝামাঝিতে আসে। দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকেরা আগাম চাষের মাধ্যমে রোজার বাজার ধরার চেষ্টা করছেন, ফলে তরমুজ বাজারে দ্রুত আসতে শুরু করেছে। এই আগাম সরবরাহ ক্রেতাদের আগ্রহও বাড়িয়েছে, যদিও দাম তুলনামূলক বেশি। তবু দেশীয় ফলের প্রতি চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে বিদেশি ফলের দাম ও শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ক্রেতারা এখন স্থানীয় ফলের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। এই সময়ে তরমুজ শুধু মৌসুমি ফল হিসেবে নয়, বরং বাজারের চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হয়ে উঠছে, যা কৃষি ও বাণিজ্যে নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাজারে আগাম তরমুজ
তরমুজের প্রধান উৎপাদন অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে পটুয়াখালী, যেখানে দেশের মোট তরমুজ উৎপাদনের প্রায় ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ আসে। পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা ও ভোলা জেলার উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস তরমুজ চাষের উপযুক্ত সময়, তবে অনেক কৃষক জানুয়ারিতেও চাষ শুরু করেন। এ বছর কৃষকেরা রোজার আগেই তরমুজ বিক্রি করতে চাইছেন, ফলে সরবরাহ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাজারে আগাম তরমুজের উপস্থিতি বেড়েছে। কিছু বিক্রেতা অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন, যাতে সরবরাহ বাড়ানো যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) ওবাইদুর রহমান মণ্ডল বলেন, এখন সারা বছরই দেশে তরমুজ উৎপাদিত হয়। তবে এখন যেটা পাওয়া যাচ্ছে, সেটা দক্ষিণাঞ্চলের আগাম তরমুজ। এ ক্ষেত্রে অনেকে হয়তো বাড়তি দামের জন্য অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন। তাই সরবরাহ খুব দ্রুত বাড়ছে।
দাম ও বাজার পরিস্থিতি
তরমুজের বাজারে এবার দাম কিছুটা বেশি হলেও চাহিদা কমেনি। ঢাকার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় তরমুজের দাম কিছুটা বাড়লেও বিদেশি ফলের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা তুলনামূলক সস্তা তরমুজ কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তরমুজ কেজি ও পিস উভয়ভাবে বিক্রি হচ্ছে, যা ক্রেতাদের জন্য সুবিধাজনক। যদিও কিছু ক্রেতা দাম নিয়ে সতর্ক, তবুও আগাম মৌসুমের তরমুজের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) ওবাইদুর রহমান মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে জানান, বর্তমানে সারা বছরই দেশে তরমুজ উৎপাদিত হয়। তবে এখন যে তরমুজ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, তা মূলত দক্ষিণাঞ্চলের আগাম তরমুজ। কিছু বিক্রেতা বাড়তি দামের জন্য অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন, ফলে সরবরাহ দ্রুত বাড়ছে।
বিদেশি ফলের চাহিদা কমছে
আগাম তরমুজের সরবরাহ বিদেশি ফলের বাজারে প্রভাব ফেলছে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বিদেশি ফলের দাম বেড়েছে, যার ফলে চাহিদা কমে গেছে। এখন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা বিদেশি ফল কিনতে পারছেন না, আর মধ্যবিত্ত ও কিছু উচ্চবিত্ত ক্রেতাও কম দামে দেশীয় ফল, বিশেষ করে তরমুজ ও বাঙ্গি কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিদেশি ফলের দাম বাড়ানোর ফলে তরমুজের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এবং ক্রেতারা দেশীয় ফলের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
বিক্রেতাদের অভিজ্ঞতা
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা সাধারণত মৌসুমি ফলই বিক্রি করেন। তাই এখন তরমুজের মৌসুম শুরু হওয়ায় তাঁরা তরমুজই বিক্রি করছেন। রামপুরা বাজারের এক বিক্রেতা মো. রোবেল জানান, বিদেশি ফলের দাম নতুনভাবে না বাড়লেও এখনো সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যের বাইরে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আপেল, আঙুর, মাল্টা ও কমলার মতো আমদানি করা ফলের চাহিদা কমেছিল এবং তরমুজের সরবরাহ বাড়ার ফলে এসব ফলের চাহিদা আরও কমেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ তরমুজের ওজন ৪-৬ কেজি, যার দাম ২৫০-৫৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে আমদানি করা এক কেজি কমলার দাম দিয়ে একটি ছোট আকারের তরমুজ কেনা সম্ভব।
মতিঝিলের মৌসুমি তরমুজ বিক্রেতা আদিল হোসেন বলেন, ‘আমরা যখন যে ফলের মৌসুম পাই, তা বিক্রি করি। তবে তরমুজের মূল মৌসুম শুরু হবে আরও পরে, মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে।’ অন্য বছরগুলোর তুলনায় এবার তরমুজের সরবরাহ দ্রুত বেড়েছে; কারণ, কৃষকেরা রোজার আগেই বিক্রি শেষ করতে চান।
তরমুজের বাজার: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
তরমুজের সরবরাহ দ্রুত বাড়লেও দাম কিছুটা বেশি, যা একদিকে কৃষকদের জন্য লাভজনক হতে পারে, অন্যদিকে ক্রেতাদের জন্য চিন্তার বিষয়। বিদেশি ফলের দাম বাড়ায় তরমুজের চাহিদা আরও বেড়েছে, তবে অপরিপক্ব ফল বাজারে আসায় মান ঠিক রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঢাকার বাজারে এবার স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক আগেই তরমুজের সরবরাহ বেড়েছে, যা সাধারণত মার্চের মাঝামাঝিতে আসে। দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকেরা আগাম চাষের মাধ্যমে রোজার বাজার ধরার চেষ্টা করছেন, ফলে তরমুজ বাজারে দ্রুত আসতে শুরু করেছে। এই আগাম সরবরাহ ক্রেতাদের আগ্রহও বাড়িয়েছে, যদিও দাম তুলনামূলক বেশি। তবু দেশীয় ফলের প্রতি চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে বিদেশি ফলের দাম ও শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ক্রেতারা এখন স্থানীয় ফলের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। এই সময়ে তরমুজ শুধু মৌসুমি ফল হিসেবে নয়, বরং বাজারের চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হয়ে উঠছে, যা কৃষি ও বাণিজ্যে নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাজারে আগাম তরমুজ
তরমুজের প্রধান উৎপাদন অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে পটুয়াখালী, যেখানে দেশের মোট তরমুজ উৎপাদনের প্রায় ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ আসে। পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা ও ভোলা জেলার উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস তরমুজ চাষের উপযুক্ত সময়, তবে অনেক কৃষক জানুয়ারিতেও চাষ শুরু করেন। এ বছর কৃষকেরা রোজার আগেই তরমুজ বিক্রি করতে চাইছেন, ফলে সরবরাহ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাজারে আগাম তরমুজের উপস্থিতি বেড়েছে। কিছু বিক্রেতা অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন, যাতে সরবরাহ বাড়ানো যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) ওবাইদুর রহমান মণ্ডল বলেন, এখন সারা বছরই দেশে তরমুজ উৎপাদিত হয়। তবে এখন যেটা পাওয়া যাচ্ছে, সেটা দক্ষিণাঞ্চলের আগাম তরমুজ। এ ক্ষেত্রে অনেকে হয়তো বাড়তি দামের জন্য অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন। তাই সরবরাহ খুব দ্রুত বাড়ছে।
দাম ও বাজার পরিস্থিতি
তরমুজের বাজারে এবার দাম কিছুটা বেশি হলেও চাহিদা কমেনি। ঢাকার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় তরমুজের দাম কিছুটা বাড়লেও বিদেশি ফলের উচ্চ মূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা তুলনামূলক সস্তা তরমুজ কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তরমুজ কেজি ও পিস উভয়ভাবে বিক্রি হচ্ছে, যা ক্রেতাদের জন্য সুবিধাজনক। যদিও কিছু ক্রেতা দাম নিয়ে সতর্ক, তবুও আগাম মৌসুমের তরমুজের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) ওবাইদুর রহমান মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে জানান, বর্তমানে সারা বছরই দেশে তরমুজ উৎপাদিত হয়। তবে এখন যে তরমুজ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, তা মূলত দক্ষিণাঞ্চলের আগাম তরমুজ। কিছু বিক্রেতা বাড়তি দামের জন্য অপরিপক্ব তরমুজও বাজারে নিয়ে আসছেন, ফলে সরবরাহ দ্রুত বাড়ছে।
বিদেশি ফলের চাহিদা কমছে
আগাম তরমুজের সরবরাহ বিদেশি ফলের বাজারে প্রভাব ফেলছে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বিদেশি ফলের দাম বেড়েছে, যার ফলে চাহিদা কমে গেছে। এখন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা বিদেশি ফল কিনতে পারছেন না, আর মধ্যবিত্ত ও কিছু উচ্চবিত্ত ক্রেতাও কম দামে দেশীয় ফল, বিশেষ করে তরমুজ ও বাঙ্গি কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিদেশি ফলের দাম বাড়ানোর ফলে তরমুজের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এবং ক্রেতারা দেশীয় ফলের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
বিক্রেতাদের অভিজ্ঞতা
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা সাধারণত মৌসুমি ফলই বিক্রি করেন। তাই এখন তরমুজের মৌসুম শুরু হওয়ায় তাঁরা তরমুজই বিক্রি করছেন। রামপুরা বাজারের এক বিক্রেতা মো. রোবেল জানান, বিদেশি ফলের দাম নতুনভাবে না বাড়লেও এখনো সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যের বাইরে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আপেল, আঙুর, মাল্টা ও কমলার মতো আমদানি করা ফলের চাহিদা কমেছিল এবং তরমুজের সরবরাহ বাড়ার ফলে এসব ফলের চাহিদা আরও কমেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ তরমুজের ওজন ৪-৬ কেজি, যার দাম ২৫০-৫৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে আমদানি করা এক কেজি কমলার দাম দিয়ে একটি ছোট আকারের তরমুজ কেনা সম্ভব।
মতিঝিলের মৌসুমি তরমুজ বিক্রেতা আদিল হোসেন বলেন, ‘আমরা যখন যে ফলের মৌসুম পাই, তা বিক্রি করি। তবে তরমুজের মূল মৌসুম শুরু হবে আরও পরে, মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে।’ অন্য বছরগুলোর তুলনায় এবার তরমুজের সরবরাহ দ্রুত বেড়েছে; কারণ, কৃষকেরা রোজার আগেই বিক্রি শেষ করতে চান।
তরমুজের বাজার: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
তরমুজের সরবরাহ দ্রুত বাড়লেও দাম কিছুটা বেশি, যা একদিকে কৃষকদের জন্য লাভজনক হতে পারে, অন্যদিকে ক্রেতাদের জন্য চিন্তার বিষয়। বিদেশি ফলের দাম বাড়ায় তরমুজের চাহিদা আরও বেড়েছে, তবে অপরিপক্ব ফল বাজারে আসায় মান ঠিক রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৯ ঘণ্টা আগে