
দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পল্লি অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে গতকাল (১৬ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি সই হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ঋণ বিভাগ-২ এর পরিচালক এ. কে. এম সাইদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত পরিচালক রাফিয়া সুলতানা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রতিনিধিত্ব করেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও ড. মো. জাহিদ হোসেন এবং কৃষি ঋণ বিভাগের প্রধান ও এফএভিপি মো. সাজ্জাদুর রহমান। এ ছাড়া চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাত শক্তিশালী হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি উপকৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রান্তিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। নতুন এই চুক্তি ব্যাংকটির দীর্ঘমেয়াদি সেই প্রয়াসেরই অংশ। এই ধারা অব্যাহত রাখতে এবং পল্লি অঞ্চলে অর্থনীতি শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল উদ্যোগে একাত্ম হয়ে কাজ করবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য সহজ করা, ভিসা ব্যবস্থা শিথিল করা এবং অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
৩৪ মিনিট আগে
নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখার লক্ষ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’-এর কাছ থেকে দুটি কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বারবার করের বোঝা না বাড়িয়ে কর প্রদানে সক্ষম নতুন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে করের আওতায় আনা জরুরি।
২ ঘণ্টা আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য খালাসের জটিলতা নিরসনে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অস্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য সাতটি এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওষুধসহ তাপমাত্রা সংবেদনশীল পণ্য দ্রুত আমদানি-রপ্তানির জন্য
১৩ ঘণ্টা আগে