নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাড়তি প্রণোদনায় ডলারের দাম বেশি পাওয়ায় বৈধ পথে বেড়েছে রেমিট্যান্স। সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠিয়েছেন ১৯৭ কোটি ডলার। এই অঙ্ক গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, যা দেশীয় টাকায় প্রতি ডলার ১১০ টাকা ৫০ পয়সা ধরে প্রায় ২১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার বেশি। আর প্রতিদিন এসেছে গড়ে প্রায় ৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলার বা ৭০৫ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ডলার-সংকট কাটাতে লোকসান দিয়ে বেশি দামে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। প্রবাসী আয়ে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে ব্যাংকগুলো বাড়তি আড়াই শতাংশ বেশি দামে ডলার কিনছে। এতে মোট গ্রাহকেরা ৫ শতাংশ প্রণোদনা পাচ্ছেন। ফলে বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স আসছে। যার কারণে রেমিট্যান্স-প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে চলতি মাস থেকে রেমিট্যান্স কেনার শর্ত তুলে দিয়েছে বাফেদা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬০ লাখ ডলার। এদিকে চলতি বছরের জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসেছে ১৩৪ কোটি ডলার।

বাড়তি প্রণোদনায় ডলারের দাম বেশি পাওয়ায় বৈধ পথে বেড়েছে রেমিট্যান্স। সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠিয়েছেন ১৯৭ কোটি ডলার। এই অঙ্ক গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, যা দেশীয় টাকায় প্রতি ডলার ১১০ টাকা ৫০ পয়সা ধরে প্রায় ২১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার বেশি। আর প্রতিদিন এসেছে গড়ে প্রায় ৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলার বা ৭০৫ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ডলার-সংকট কাটাতে লোকসান দিয়ে বেশি দামে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। প্রবাসী আয়ে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে ব্যাংকগুলো বাড়তি আড়াই শতাংশ বেশি দামে ডলার কিনছে। এতে মোট গ্রাহকেরা ৫ শতাংশ প্রণোদনা পাচ্ছেন। ফলে বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স আসছে। যার কারণে রেমিট্যান্স-প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে চলতি মাস থেকে রেমিট্যান্স কেনার শর্ত তুলে দিয়েছে বাফেদা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬০ লাখ ডলার। এদিকে চলতি বছরের জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসেছে ১৩৪ কোটি ডলার।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৯ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১০ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৪ ঘণ্টা আগে