
যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করবে, তাদের কর ছাড় দেবে সৌদি আরব। গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের সরকার এ ঘোষণা দেয়। মূলত দেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি তেল খাতের প্রাধান্য কমিয়ে অন্যান্য শিল্প উদ্যোগকে এগিয়ে নিতেই সৌদি আরবের এই উদ্যোগ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদি আরব সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে সৌদি আরবে ব্যবসারত যেসব বিদেশি কোম্পানি তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় রিয়াদে সরিয়ে না আনবে, তাদের ওপর থেকে কর ছাড়সহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কাজের চুক্তি দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম এসপিএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ঘোষণা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের কর ছাড়সহ যেসব প্রতিষ্ঠান রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করবে, তাদের পরবর্তী ৩০ বছরের জন্য আয়করে ছাড় দেওয়া হবে। মূলত ক্রমেই বিশ্ববাণিজ্যের আঞ্চলিক কেন্দ্র হয়ে ওঠা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে যেতে, সৌদি আরবের নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমন নতুন শিল্প তৈরি করতে এবং দেশের অর্থনীতি থেকে তেলের প্রাধান্য কমাতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রচেষ্টার অংশ এটি।
এসপিএর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি কোম্পানিগুলো রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের পর ব্যবসায়ের লাইসেন্স পাওয়ার পরদিন থেকেই এই কর ছাড় বা রেয়াত কার্যকর হবে। সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রী খালেদ আল-ফালিহ বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি এই উদ্যোগ অন্তত ২০০ বিদেশি কোম্পানিকে আকৃষ্ট করবে।’
সৌদি আরবের এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে দেশটির অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছেন, ‘আঞ্চলিক সদর দপ্তরের কার্যক্রমে প্রদত্ত নতুন কর ছাড় রাজ্যের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেবে, আরও স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ দেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টসহ সব খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আরও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে স্বাগত জানাতে চাই।’
এ সময় খালিদ আল-জাদান জানান, সৌদি আরব ২০২৯ সালে শীতকালীন এশিয়ান গেমস ও ২০৩০-এক্সপোর মতো বড় ইভেন্টগুলো আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েছে এবং এসব ইভেন্ট আয়োজনে সৌদি আরব উন্মুখ হয়ে রয়েছে।
তবে বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের আঞ্চলিক সদর দপ্তর স্থানান্তর করার জন্য সৌদি আরবের বেঁধে দেওয়া শর্তকে বড় ঝাঁকুনি হিসেবেই দেখছে। কারণ, দেশটি এসব কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য তারা মাত্র ১০ মাস সময় বেঁধে দিয়েছে, যা আগামী বছরের অক্টোবরে শেষ হবে। পাশাপাশি কিছু কোম্পানি করসহ সৌদি আরবের ব্যবসায় নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করবে, তাদের কর ছাড় দেবে সৌদি আরব। গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরবের সরকার এ ঘোষণা দেয়। মূলত দেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি তেল খাতের প্রাধান্য কমিয়ে অন্যান্য শিল্প উদ্যোগকে এগিয়ে নিতেই সৌদি আরবের এই উদ্যোগ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদি আরব সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে সৌদি আরবে ব্যবসারত যেসব বিদেশি কোম্পানি তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় রিয়াদে সরিয়ে না আনবে, তাদের ওপর থেকে কর ছাড়সহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কাজের চুক্তি দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম এসপিএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ঘোষণা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের কর ছাড়সহ যেসব প্রতিষ্ঠান রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করবে, তাদের পরবর্তী ৩০ বছরের জন্য আয়করে ছাড় দেওয়া হবে। মূলত ক্রমেই বিশ্ববাণিজ্যের আঞ্চলিক কেন্দ্র হয়ে ওঠা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে যেতে, সৌদি আরবের নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমন নতুন শিল্প তৈরি করতে এবং দেশের অর্থনীতি থেকে তেলের প্রাধান্য কমাতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রচেষ্টার অংশ এটি।
এসপিএর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি কোম্পানিগুলো রিয়াদে তাদের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের পর ব্যবসায়ের লাইসেন্স পাওয়ার পরদিন থেকেই এই কর ছাড় বা রেয়াত কার্যকর হবে। সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রী খালেদ আল-ফালিহ বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি এই উদ্যোগ অন্তত ২০০ বিদেশি কোম্পানিকে আকৃষ্ট করবে।’
সৌদি আরবের এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে দেশটির অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছেন, ‘আঞ্চলিক সদর দপ্তরের কার্যক্রমে প্রদত্ত নতুন কর ছাড় রাজ্যের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেবে, আরও স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ দেবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টসহ সব খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আরও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে স্বাগত জানাতে চাই।’
এ সময় খালিদ আল-জাদান জানান, সৌদি আরব ২০২৯ সালে শীতকালীন এশিয়ান গেমস ও ২০৩০-এক্সপোর মতো বড় ইভেন্টগুলো আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েছে এবং এসব ইভেন্ট আয়োজনে সৌদি আরব উন্মুখ হয়ে রয়েছে।
তবে বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের আঞ্চলিক সদর দপ্তর স্থানান্তর করার জন্য সৌদি আরবের বেঁধে দেওয়া শর্তকে বড় ঝাঁকুনি হিসেবেই দেখছে। কারণ, দেশটি এসব কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য তারা মাত্র ১০ মাস সময় বেঁধে দিয়েছে, যা আগামী বছরের অক্টোবরে শেষ হবে। পাশাপাশি কিছু কোম্পানি করসহ সৌদি আরবের ব্যবসায় নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে