নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবুজাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সই করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের ওই আদেশ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত ১৩ মার্চ কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর ও লেবুজাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছিল এনবিআর। চার দিনের মাথায় শুল্কও কমানো হলো।
এনবিআর সূত্র জানায়, বিলাসী পণ্য বিবেচনা করে আমদানি করা ফলে সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছিল। তবে রমজানে ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার বিবেচনায় তাজা ফল আমদানিতে বাড়তি শুল্ক-কর প্রত্যাহারে সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। প্রতিষ্ঠানটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে তাজা ফল আমদানিতে বাড়তি শুল্ক ও অগ্রিম কর (এটি) প্রত্যাহার এবং অগ্রিম আয়কর (এআইটি) কামানোর সুপারিশ করে।
ট্যারিফ কমিশনের চিঠিতে রমজানে খেজুরসহ অন্যান্য তাজা ফল যৌক্তিক মূল্যে ভোক্তাগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য সরাসরি আমদানিকারকের মাধ্যমে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক অথবা ভ্যানে করে যৌক্তিক মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করার সুপারিশও ছিল।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে করোনা পরবর্তী সময় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও রিজার্ভের চাপ সামাল দিতে প্রায় ১৩৫টি পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক শূন্য ও তিন শতাংশ থেকে একবারে বাড়িয়েছিল। সে তালিকার বড় অংশই ছিল আমদানি করা ফল।
বর্তমানে রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা ২৮০-৩১০ টাকা, কমলা ২৯০-৩০০ টাকা, চায়না (মোটা) কমলা ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩১০-৩৫০ টাকা কেজি দরে, নাশপতি ৩১০-৩৪০ টাকা এবং আঙুরও ৩০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ফল আমদানিতে শুল্ক ও কর কত
বর্তমানে ফল আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ৫ শতাংশ অগ্রিম কর ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে।
মোটামুটি যত ধরনের শুল্ক–কর আছে, সবই বসে ফলের ওপর। সব মিলিয়ে এত দিন শুল্ক-করভার ১৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল আমদানি করলে ১৩৬ টাকা শুল্ক–কর দিতে হতো। সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর ও অগ্রিম কর কমানোয় এখন করভার কিছুটা কমবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রচলিত আমদানি পণ্যের মধ্যে গাড়ি ও মদ-সিগারেটের পর তাজা ফল আমদানিতেই সবচেয়ে শুল্ক-কর দিতে হয়।
দেশে বর্তমানে ৩৮ ধরনের ফল আমদানি করা হয়। এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, বিদেশি ফল আমদানিতে সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার ফল আমদানি হয়েছে। ফল আমদানি খাতে সরকার রাজস্ব আদায় করেছে ৫ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল-আমিন শেখ বলেন, দেশের আপামর জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত কয়েক মাসে সব প্রকারের ভোজ্য তেল, চিনি, আলু, ডিম, পেঁয়াজ, চাল, খেজুর এবং কীটনাশকের ওপর আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর এবং আগাম করের ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে করছাড় প্রদান করেছে। কর ছাড়সহ সরকারের নানাবিধ সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে এ বছর পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে।
আল-আমিন শেখ আরও বলেন, সরকার জনস্বার্থে, আপামর জনগণ কর্তৃক বহুল ব্যবহৃত দ্রুতগামী, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব মেট্রোরেল সেবার ওপর বিদ্যমান ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে পুস্তকের সহজলভ্যতা, আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ই-বুক সেবায় স্থানীয় সরবরাহ ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে।
এ ছাড়া, হজযাত্রীদের খরচ কমানোর লক্ষ্যে হজ টিকিটের ওপর আরোপযোগ্য আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারসহ সরকার জনস্বার্থে নানাবিধ করছাড় প্রদান করেছে।

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবুজাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সই করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের ওই আদেশ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত ১৩ মার্চ কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর ও লেবুজাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছিল এনবিআর। চার দিনের মাথায় শুল্কও কমানো হলো।
এনবিআর সূত্র জানায়, বিলাসী পণ্য বিবেচনা করে আমদানি করা ফলে সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছিল। তবে রমজানে ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার বিবেচনায় তাজা ফল আমদানিতে বাড়তি শুল্ক-কর প্রত্যাহারে সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। প্রতিষ্ঠানটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে তাজা ফল আমদানিতে বাড়তি শুল্ক ও অগ্রিম কর (এটি) প্রত্যাহার এবং অগ্রিম আয়কর (এআইটি) কামানোর সুপারিশ করে।
ট্যারিফ কমিশনের চিঠিতে রমজানে খেজুরসহ অন্যান্য তাজা ফল যৌক্তিক মূল্যে ভোক্তাগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য সরাসরি আমদানিকারকের মাধ্যমে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক অথবা ভ্যানে করে যৌক্তিক মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করার সুপারিশও ছিল।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে করোনা পরবর্তী সময় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও রিজার্ভের চাপ সামাল দিতে প্রায় ১৩৫টি পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক শূন্য ও তিন শতাংশ থেকে একবারে বাড়িয়েছিল। সে তালিকার বড় অংশই ছিল আমদানি করা ফল।
বর্তমানে রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা ২৮০-৩১০ টাকা, কমলা ২৯০-৩০০ টাকা, চায়না (মোটা) কমলা ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩১০-৩৫০ টাকা কেজি দরে, নাশপতি ৩১০-৩৪০ টাকা এবং আঙুরও ৩০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ফল আমদানিতে শুল্ক ও কর কত
বর্তমানে ফল আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, ২৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ৫ শতাংশ অগ্রিম কর ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে।
মোটামুটি যত ধরনের শুল্ক–কর আছে, সবই বসে ফলের ওপর। সব মিলিয়ে এত দিন শুল্ক-করভার ১৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল আমদানি করলে ১৩৬ টাকা শুল্ক–কর দিতে হতো। সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর ও অগ্রিম কর কমানোয় এখন করভার কিছুটা কমবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রচলিত আমদানি পণ্যের মধ্যে গাড়ি ও মদ-সিগারেটের পর তাজা ফল আমদানিতেই সবচেয়ে শুল্ক-কর দিতে হয়।
দেশে বর্তমানে ৩৮ ধরনের ফল আমদানি করা হয়। এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, বিদেশি ফল আমদানিতে সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার ফল আমদানি হয়েছে। ফল আমদানি খাতে সরকার রাজস্ব আদায় করেছে ৫ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল-আমিন শেখ বলেন, দেশের আপামর জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত কয়েক মাসে সব প্রকারের ভোজ্য তেল, চিনি, আলু, ডিম, পেঁয়াজ, চাল, খেজুর এবং কীটনাশকের ওপর আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর এবং আগাম করের ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে করছাড় প্রদান করেছে। কর ছাড়সহ সরকারের নানাবিধ সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে এ বছর পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে।
আল-আমিন শেখ আরও বলেন, সরকার জনস্বার্থে, আপামর জনগণ কর্তৃক বহুল ব্যবহৃত দ্রুতগামী, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব মেট্রোরেল সেবার ওপর বিদ্যমান ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে পুস্তকের সহজলভ্যতা, আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ই-বুক সেবায় স্থানীয় সরবরাহ ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে।
এ ছাড়া, হজযাত্রীদের খরচ কমানোর লক্ষ্যে হজ টিকিটের ওপর আরোপযোগ্য আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারসহ সরকার জনস্বার্থে নানাবিধ করছাড় প্রদান করেছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
২ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৪ ঘণ্টা আগে
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না।
১৮ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা গতি পাবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা সংস্থাটির।
বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টসের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ের চাপ সত্ত্বেও ভোক্তা ব্যয় বাড়া, মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে কমে আসা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমলে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ধারণার কাছাকাছি। এডিবি আগেই জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ৫ শতাংশ।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করাও সহজ হবে না। পাঁচ মাস ধরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, নতুন কর্মসংস্থান বাড়ছে না এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহ দুর্বল অবস্থায় আছে। এই অবস্থা থেকে বেরোতে না পারলে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।
রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র্যাপিড) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা গেলেও চাপ এখনো বড় আকারেই রয়ে গেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতির মধ্যেও জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হওয়া উচিত ছিল। তবে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে রিজার্ভ শক্তিশালী করা, মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি কমানোর দিকে সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকও মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক খাতের চাপে থাকার বিষয়টি তুলে ধরেছে। সংস্থাটির মতে, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় মুদ্রানীতি কঠোর করা হয়েছে। এতে ঋণের প্রবাহ কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কনীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
তবে বিশ্বব্যাংক মনে করছে, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে। নির্বাচনের পর নতুন সরকার কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নে এগোলে শিল্প খাত ও বিনিয়োগ পরিবেশ শক্তিশালী হতে পারে। এই বিবেচনায় আগামী অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ভুটানে; ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ভারতের প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় সাড়ে ৩ শতাংশ, মালদ্বীপে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং নেপালে ২ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেয়নি সংস্থাটি।
এদিকে বিবিএসের সাম্প্রতিক হিসাবেও কিছুটা ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধীরে ধীরে গতি ফেরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, বাণিজ্য উত্তেজনা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখাচ্ছে। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৬ শতাংশে নামলেও ২০২৭ সালে তা বেড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিলের মতে, স্থবিরতা ও বেকারত্ব এড়াতে সরকারগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং প্রযুক্তি ও শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা গতি পাবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা সংস্থাটির।
বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টসের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ের চাপ সত্ত্বেও ভোক্তা ব্যয় বাড়া, মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে কমে আসা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমলে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ধারণার কাছাকাছি। এডিবি আগেই জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ৫ শতাংশ।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করাও সহজ হবে না। পাঁচ মাস ধরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, নতুন কর্মসংস্থান বাড়ছে না এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহ দুর্বল অবস্থায় আছে। এই অবস্থা থেকে বেরোতে না পারলে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।
রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র্যাপিড) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা গেলেও চাপ এখনো বড় আকারেই রয়ে গেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতির মধ্যেও জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হওয়া উচিত ছিল। তবে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে রিজার্ভ শক্তিশালী করা, মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি কমানোর দিকে সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকও মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক খাতের চাপে থাকার বিষয়টি তুলে ধরেছে। সংস্থাটির মতে, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় মুদ্রানীতি কঠোর করা হয়েছে। এতে ঋণের প্রবাহ কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কনীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
তবে বিশ্বব্যাংক মনে করছে, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে। নির্বাচনের পর নতুন সরকার কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নে এগোলে শিল্প খাত ও বিনিয়োগ পরিবেশ শক্তিশালী হতে পারে। এই বিবেচনায় আগামী অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ভুটানে; ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ভারতের প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় সাড়ে ৩ শতাংশ, মালদ্বীপে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং নেপালে ২ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে বলে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেয়নি সংস্থাটি।
এদিকে বিবিএসের সাম্প্রতিক হিসাবেও কিছুটা ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধীরে ধীরে গতি ফেরার আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, বাণিজ্য উত্তেজনা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখাচ্ছে। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৬ শতাংশে নামলেও ২০২৭ সালে তা বেড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিলের মতে, স্থবিরতা ও বেকারত্ব এড়াতে সরকারগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং প্রযুক্তি ও শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবু জাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
১৮ মার্চ ২০২৫
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৪ ঘণ্টা আগে
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না।
১৮ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি গ্যাস আমদানি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সারা দেশে বিপণনের পরিকল্পনা চলছে।
তবে কবে নাগাদ এই আমদানি করা হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করতে পারেনি বিপিসি অথবা জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলপি গ্যাস আমদানির অনুমতি চেয়ে বিপিসি গত শনিবার জ্বালানি বিভাগে চিঠি পাঠায়। গতকাল বুধবার বিপিসি সেই অনুমোদন পেয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াবের একজন কর্মকর্তা।
দেশে মাসে প্রায় দেড় লাখ টন এলপি গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এলপি গ্যাসের বাজার প্রায় পুরোটাই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর। বিপিসি মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাজারের অংশীদার। গত নভেম্বর ও ডিসেম্বরে কয়েকটি কোম্পানি এলপি গ্যাস আমদানি করতে না পারায় প্রায় এক মাস ধরে দেশব্যাপী সরবরাহ সংকট চলছে। সেই সুযোগে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তা-ও পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও এলপি গ্যাসের দোকানগুলো সিলিন্ডারশূন্য, আবার অনেক দোকান বন্ধ রয়েছে।
এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে চলতি মাসের শুরু থেকে সরকারের একাধিক সংস্থা দফায় দফায় বৈঠক করেছে। বেসরকারি কোম্পানির আমদানির ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে সংকট শিগগির কেটে যাওয়ার কোনো আভাস মিলছে না।
বিপিসির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিপিসির নিজস্ব পর্যায়ে এলপিজি সংরক্ষণ ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (যেমন: জেটিভিত্তিক পাইপলাইন, ফ্লোমিটার, স্টোরেজ ট্যাংক) নেই। তবে দেশে বিদ্যমান বেসরকারি এলপিজি অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো কুতুবদিয়া গভীর সমুদ্র এলাকায় এলপিজি বহনকারী জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস এবং পরে নিজস্ব টার্মিনালে সংরক্ষণ করে। বিপিসিও সেই পদ্ধতিতে আগ্রহী বেসরকারি অপারেটর প্রতিষ্ঠানের লাইটারিং জাহাজ ব্যবহার করে এলপিজি খালাস ও বণ্টনের ব্যবস্থা নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে লোয়াবের সঙ্গে আলোচনা করে আগ্রহী অপারেটর প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি, কী পরিমাণ এলপিজি আমদানি করতে হবে, তা নিরূপণ, মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি, খালাস ও বণ্টন প্রক্রিয়াসংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারণ করা যেতে পারে। অতীতে দেশে জ্বালানি তেলের আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধি বা সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে বিপিসির তালিকাভুক্ত (জি-টু-জি) সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে অতিরিক্ত আমদানির নজির রয়েছে। একইভাবে বিপিসির তালিকাভুক্ত জি-টু-জি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব এ কে এম ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সরকার হয়তো আনুষ্ঠানিক কিছু জানাবে।
লোয়াবের মহাসচিব মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার জানান, গতকালই বিপিসি এলপি গ্যাস আমদানির জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে বলে জেনেছেন। একই দিন বিইআরসিও এক দফা বৈঠক করেছে। আজ আবারও আলোচনা হবে। বিষয়টি কিছুটা জটিল। কোন কোম্পানির কতটা চাহিদা, এসব নিরূপণ করেই পরে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি গ্যাস আমদানি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সারা দেশে বিপণনের পরিকল্পনা চলছে।
তবে কবে নাগাদ এই আমদানি করা হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করতে পারেনি বিপিসি অথবা জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলপি গ্যাস আমদানির অনুমতি চেয়ে বিপিসি গত শনিবার জ্বালানি বিভাগে চিঠি পাঠায়। গতকাল বুধবার বিপিসি সেই অনুমোদন পেয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াবের একজন কর্মকর্তা।
দেশে মাসে প্রায় দেড় লাখ টন এলপি গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এলপি গ্যাসের বাজার প্রায় পুরোটাই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর। বিপিসি মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাজারের অংশীদার। গত নভেম্বর ও ডিসেম্বরে কয়েকটি কোম্পানি এলপি গ্যাস আমদানি করতে না পারায় প্রায় এক মাস ধরে দেশব্যাপী সরবরাহ সংকট চলছে। সেই সুযোগে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তা-ও পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও এলপি গ্যাসের দোকানগুলো সিলিন্ডারশূন্য, আবার অনেক দোকান বন্ধ রয়েছে।
এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে চলতি মাসের শুরু থেকে সরকারের একাধিক সংস্থা দফায় দফায় বৈঠক করেছে। বেসরকারি কোম্পানির আমদানির ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে সংকট শিগগির কেটে যাওয়ার কোনো আভাস মিলছে না।
বিপিসির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিপিসির নিজস্ব পর্যায়ে এলপিজি সংরক্ষণ ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (যেমন: জেটিভিত্তিক পাইপলাইন, ফ্লোমিটার, স্টোরেজ ট্যাংক) নেই। তবে দেশে বিদ্যমান বেসরকারি এলপিজি অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো কুতুবদিয়া গভীর সমুদ্র এলাকায় এলপিজি বহনকারী জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস এবং পরে নিজস্ব টার্মিনালে সংরক্ষণ করে। বিপিসিও সেই পদ্ধতিতে আগ্রহী বেসরকারি অপারেটর প্রতিষ্ঠানের লাইটারিং জাহাজ ব্যবহার করে এলপিজি খালাস ও বণ্টনের ব্যবস্থা নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে লোয়াবের সঙ্গে আলোচনা করে আগ্রহী অপারেটর প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি, কী পরিমাণ এলপিজি আমদানি করতে হবে, তা নিরূপণ, মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি, খালাস ও বণ্টন প্রক্রিয়াসংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারণ করা যেতে পারে। অতীতে দেশে জ্বালানি তেলের আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধি বা সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে বিপিসির তালিকাভুক্ত (জি-টু-জি) সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে অতিরিক্ত আমদানির নজির রয়েছে। একইভাবে বিপিসির তালিকাভুক্ত জি-টু-জি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব এ কে এম ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সরকার হয়তো আনুষ্ঠানিক কিছু জানাবে।
লোয়াবের মহাসচিব মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার জানান, গতকালই বিপিসি এলপি গ্যাস আমদানির জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে বলে জেনেছেন। একই দিন বিইআরসিও এক দফা বৈঠক করেছে। আজ আবারও আলোচনা হবে। বিষয়টি কিছুটা জটিল। কোন কোম্পানির কতটা চাহিদা, এসব নিরূপণ করেই পরে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবু জাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
১৮ মার্চ ২০২৫
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৪ ঘণ্টা আগে
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না।
১৮ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ বুকো।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আইসিএবি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন এফসিএ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাফা অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন এফসিএ এবং আইসিএবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এবারের সম্মেলনের একটি বিশেষ দিক হলো দক্ষিণ এশীয় হিসাববিদদের আঞ্চলিক সংস্থা সাফার নেতৃত্ব বাংলাদেশের হাতে আসা। আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এফসিএ ২০২৬ সালের জন্য সাফার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া আইসিএবির চিফ অপারেটিং কর্মকর্তা মাহবুব আহমেদ সিদ্দিকী এফসিএ সাফার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।
এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘পরবর্তী প্রজন্মের পেশা: নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন একীভূতকরণ’। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন বলেন, ভবিষ্যৎ হিসাববিদদের কেবল আর্থিক হিসাব নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং টেকসই প্রতিবেদনের মতো নতুন প্রযুক্তিতেও পারদর্শী হতে হবে। স্মার্ট শাসনব্যবস্থা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়তে ‘নৈতিক এআই’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি থাকবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি থাকবেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর পাঁচ শতাধিক পেশাজীবী ও নীতিনির্ধারক এই সম্মেলনে অংশ নেবেন।
সম্মেলনে তিনটি টেকনিক্যাল সেশনে আলোচনা করা হবে নৈতিকতা ও প্রযুক্তির প্রভাবে পেশাগত পরিবর্তনের রূপরেখা, হিসাববিদদের বিবর্তনশীল ভূমিকা ও টেকসই প্রতিবেদনের ফ্রেমওয়ার্ক ও ফলাফল।
বক্তারা জানান, এই সম্মেলনটি সরকারের ‘নতুন বাংলাদেশ’ রূপকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা পেশাগত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে একটি প্রগতিশীল জাতি হিসেবে তুলে ধরবে।

বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ বুকো।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আইসিএবি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন এফসিএ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাফা অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন এফসিএ এবং আইসিএবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এবারের সম্মেলনের একটি বিশেষ দিক হলো দক্ষিণ এশীয় হিসাববিদদের আঞ্চলিক সংস্থা সাফার নেতৃত্ব বাংলাদেশের হাতে আসা। আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এফসিএ ২০২৬ সালের জন্য সাফার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া আইসিএবির চিফ অপারেটিং কর্মকর্তা মাহবুব আহমেদ সিদ্দিকী এফসিএ সাফার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।
এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘পরবর্তী প্রজন্মের পেশা: নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই প্রতিবেদন একীভূতকরণ’। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন বলেন, ভবিষ্যৎ হিসাববিদদের কেবল আর্থিক হিসাব নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং টেকসই প্রতিবেদনের মতো নতুন প্রযুক্তিতেও পারদর্শী হতে হবে। স্মার্ট শাসনব্যবস্থা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়তে ‘নৈতিক এআই’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি থাকবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি থাকবেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর পাঁচ শতাধিক পেশাজীবী ও নীতিনির্ধারক এই সম্মেলনে অংশ নেবেন।
সম্মেলনে তিনটি টেকনিক্যাল সেশনে আলোচনা করা হবে নৈতিকতা ও প্রযুক্তির প্রভাবে পেশাগত পরিবর্তনের রূপরেখা, হিসাববিদদের বিবর্তনশীল ভূমিকা ও টেকসই প্রতিবেদনের ফ্রেমওয়ার্ক ও ফলাফল।
বক্তারা জানান, এই সম্মেলনটি সরকারের ‘নতুন বাংলাদেশ’ রূপকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা পেশাগত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে একটি প্রগতিশীল জাতি হিসেবে তুলে ধরবে।

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবু জাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
১৮ মার্চ ২০২৫
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
২ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
৯ ঘণ্টা আগে
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না।
১৮ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) ৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপনের লক্ষ্যে আজ বুধবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কার্যালয়ে জমি লিজ চুক্তি করেছে।
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না। আগামী বছরের মে মাস থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজের উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে থাকবে পলিউরেথেন ফোম, পলিইথিলিন ফোম, রিসাইকেলড ফোম, ম্যাট্রেস, পিলো, কমফোর্টার ও শু ইনসোল। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশ চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা হবে। বর্তমানে কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়ও প্রতিষ্ঠানটির একটি কারখানা রয়েছে।
এই শিল্প ইউনিট স্থাপনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের রপ্তানি খাতে নতুন সংযোজন ঘটবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও মানসম্মত উৎপাদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে বেজা কর্তৃপক্ষ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের বিনিয়োগ পরিবেশবান্ধব শিল্প উদ্যোগের একটি ভালো উদাহরণ।
সালেহ আহমদ আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের রপ্তানিমুখী শিল্প অন্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও এখানে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।
জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তারা টেকসই শিল্পায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বেজার পক্ষে নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ এবং জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের পক্ষে চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন জমি লিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বেজা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বেজা সূত্র জানায়, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ১৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং আরও ২৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণাধীন রয়েছে। দেশের বৃহত্তম পরিকল্পিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের পাশাপাশি আধুনিক নগর সুবিধা, অবকাঠামো ও টেকসই ইউটিলিটি গড়ে তোলা হচ্ছে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) ৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানিমুখী শিল্প স্থাপনের লক্ষ্যে আজ বুধবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কার্যালয়ে জমি লিজ চুক্তি করেছে।
বেজার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পাঁচ একর জমিতে একটি পরিবেশবান্ধব ও রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিট স্থাপন করবে, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং গ্যাসের প্রয়োজন হবে না। আগামী বছরের মে মাস থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজের উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে থাকবে পলিউরেথেন ফোম, পলিইথিলিন ফোম, রিসাইকেলড ফোম, ম্যাট্রেস, পিলো, কমফোর্টার ও শু ইনসোল। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশ চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা হবে। বর্তমানে কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়ও প্রতিষ্ঠানটির একটি কারখানা রয়েছে।
এই শিল্প ইউনিট স্থাপনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের রপ্তানি খাতে নতুন সংযোজন ঘটবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও মানসম্মত উৎপাদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে বেজা কর্তৃপক্ষ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের বিনিয়োগ পরিবেশবান্ধব শিল্প উদ্যোগের একটি ভালো উদাহরণ।
সালেহ আহমদ আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের রপ্তানিমুখী শিল্প অন্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও এখানে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।
জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তারা টেকসই শিল্পায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বেজার পক্ষে নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ এবং জ্যান্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের পক্ষে চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন জমি লিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বেজা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বেজা সূত্র জানায়, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ১৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং আরও ২৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণাধীন রয়েছে। দেশের বৃহত্তম পরিকল্পিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের পাশাপাশি আধুনিক নগর সুবিধা, অবকাঠামো ও টেকসই ইউটিলিটি গড়ে তোলা হচ্ছে।

কমলা, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, জাম্বুরা, বাতাবি লেবু ও লেবু জাতীয় তাজা বা শুকনো ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলের বাজার স্থিতিশীল এবং সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
১৮ মার্চ ২০২৫
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
২ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৪ ঘণ্টা আগে