নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ভিড় বাড়ছে, মানুষ ট্রাক থেকে ট্রাকে ছুটছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে, প্রতিটি ট্রাকে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মানুষের সাশ্রয় এর মূল কারণ। বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৮৯ টাকা, কিন্তু ট্রাকে দুই লিটার তেল কিনলে প্রায় ১৫০ টাকা সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি চিনি ও ডালের দামেও রয়েছে বড় ছাড়। ভর্তুকি দামে পণ্য বিক্রির ফলে শুধু নিম্নবিত্ত নয়, মধ্যবিত্তরাও ভিড় করছে ভ্রাম্যমাণ এসব ট্রাকের সামনে।
ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ৬০টি স্থানে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বল্প মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি করা হবে। সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, জাতীয় প্রেসক্লাব, খাদ্য ভবন, সচিবালয়, রামপুরা টিভি সেন্টার, রামপুরা ওয়াপদা মোড়, বাসাবো বালুর মাঠ এবং ফকিরাপুল পানির পাম্পের সামনে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
প্রত্যেক ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল, দুই কেজি মসুর ডাল এবং এক কেজি চিনি কিনতে পারবে। পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে তেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকা।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শুরুতে লাইনে মানুষের সংখ্যা কম থাকলেও এখন মিডিয়ায় প্রচারের কারণে প্রতিটি ট্রাকে ৭০০-৮০০ জন উপস্থিত থাকছে। শেষ পর্যায়ে অনেকেই পণ্য নিতে পারছে না।
সরকারি এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো স্বল্প আয়ের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় কমানো। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষ যাতে কিছুটা সাশ্রয় করতে পারে, সেই সুযোগ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে।

টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ভিড় বাড়ছে, মানুষ ট্রাক থেকে ট্রাকে ছুটছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে, প্রতিটি ট্রাকে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মানুষের সাশ্রয় এর মূল কারণ। বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৮৯ টাকা, কিন্তু ট্রাকে দুই লিটার তেল কিনলে প্রায় ১৫০ টাকা সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি চিনি ও ডালের দামেও রয়েছে বড় ছাড়। ভর্তুকি দামে পণ্য বিক্রির ফলে শুধু নিম্নবিত্ত নয়, মধ্যবিত্তরাও ভিড় করছে ভ্রাম্যমাণ এসব ট্রাকের সামনে।
ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ৬০টি স্থানে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বল্প মূল্যে তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি করা হবে। সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, জাতীয় প্রেসক্লাব, খাদ্য ভবন, সচিবালয়, রামপুরা টিভি সেন্টার, রামপুরা ওয়াপদা মোড়, বাসাবো বালুর মাঠ এবং ফকিরাপুল পানির পাম্পের সামনে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
প্রত্যেক ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল, দুই কেজি মসুর ডাল এবং এক কেজি চিনি কিনতে পারবে। পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে তেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, মসুর ডাল ৭০ টাকা ও চিনি ৮০ টাকা।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শুরুতে লাইনে মানুষের সংখ্যা কম থাকলেও এখন মিডিয়ায় প্রচারের কারণে প্রতিটি ট্রাকে ৭০০-৮০০ জন উপস্থিত থাকছে। শেষ পর্যায়ে অনেকেই পণ্য নিতে পারছে না।
সরকারি এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো স্বল্প আয়ের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় কমানো। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষ যাতে কিছুটা সাশ্রয় করতে পারে, সেই সুযোগ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে।

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
৫ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
৫ ঘণ্টা আগে
বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে
৫ ঘণ্টা আগে