
দেশে এলপি গ্যাসের আমদানিকারক ও বোতলজাতকারীরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করছে জানিয়ে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদেরও তা মানার অনুরোধ করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। আজ বুধবার গণমাধ্যমে চিঠিতে এই আহ্বান জানান সংগঠনটির সভাপতি ও ডেলটা এলপিজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক।
বিজ্ঞপ্তিতে লোয়াব জানায়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭ এপ্রিল পাঠানো পত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে।’
আমিরুল বলেন, ‘ইতিমধ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে জনদুর্ভোগ কমানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ পরিস্থিতিতে এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির জন্য সংগঠনের তরফে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
সর্বশেষ ২ এপ্রিল এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয় বিইআরসি। সেদিন প্রতি কেজি এলপিজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা দাম বাড়িয়ে ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা করা হয়। এতে বাজারে গ্রাহক পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। কোম্পানি বা প্ল্যান্ট পর্যায়ে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা ও পাইকারি পর্যায়ে ১ হাজার ৬৮৩ টাকায় বিক্রি করতে হবে বলেও ঘোষণা করে বিইআরসি।

ভারতে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্যের দাবিতে কৃষকদের চলমান তীব্র আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১৫ রুপি নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস।
৩১ মিনিট আগে
প্রশ্ন হতে পারে, ঈদে নতুন টাকার চাহিদা বাড়ে কেন। এর পেছনে কাজ করে আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক সংস্কৃতির গভীর সংযোগ...
৫ ঘণ্টা আগে
কোরবানির পশুর চামড়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। এই চামড়াকে ঘিরেই টিকে আছে ট্যানারিশিল্পের বড় অংশ, আয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা, পূরণ হচ্ছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা। এর ওপর ভর করেই খাতটিতে অটুট রয়েছে বিপুল কর্মসংস্থান।
১৭ ঘণ্টা আগে
এডিবি জানিয়েছে, ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ নামে নতুন একটি কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে এই পাঁচ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য কমিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
১ দিন আগে