
দেশের অন্যতম শীর্ষ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস লিমিটেড (বিটিআই) নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে এম. মাহবুবুর রহমানকে নিয়োগ দিয়েছে।
রিয়েল এস্টেট খাতে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে মাহবুবুর রহমানের। কর্মজীবনে তিনি অ্যাসেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হোল্ডিংস লিমিটেড এবং সানমার প্রোপার্টিজ লিমিটেডে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে তিনি ব্যবসা উন্নয়ন, বিক্রয় ব্যবস্থাপনা, প্রকল্পের বাণিজ্যিকীকরণ, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।
বিটিআইয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি রূপায়ণ সিটি উত্তরার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের অন্যতম বৃহৎ সমন্বিত টাউনশিপ প্রকল্পটি ব্যবসায়িক সাফল্য, গ্রাহক সম্পৃক্ততা, পরিচালন দক্ষতা এবং ব্র্যান্ড অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে। এর মাধ্যমে রূপায়ণ সিটি দেশের অন্যতম পরিচিত টাউনশিপ ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
কৌশলগত পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক রূপান্তর, বিক্রয় ও বিপণন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রাহকসেবা এবং দক্ষ জনবল গঠনে মাহবুবুর রহমানের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং টাউনশিপ প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন দল গঠন এবং টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সফল হয়েছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘চার দশকেরও বেশি সময় ধরে গুণগত মান, সততা, উদ্ভাবন এবং সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তরের মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান বিটিআইয়ে যোগ দিতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। পরিচালনা পর্ষদ, সহকর্মী, গ্রাহক ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চাই।’
১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিটিআই বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট খাতের অন্যতম পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান। গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা, মানসম্মত নির্মাণ, নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা এবং সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তরের ধারাবাহিকতার জন্য প্রতিষ্ঠানটি সুপরিচিত।

ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করা বর্তমান সরকারের সামনে এখন তিনটি বড় সংকট—কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও জ্বালানি। এসব চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে কার্যকরভাবে মোকাবিলা না করা গেলে বাজেট বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে যেতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রতিযোগিতার দৌড়ে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ার আভাস মিলছে বাংলাদেশের। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর পড়লেও, বাংলাদেশে প্রভাব একটু বেশি। বিশেষ করে ইইউর বাজারে অন্যতম প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ছন্দপতন উল্লেখ করার মতো।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘিরে ইস্পাত বাজারে তৈরি হয়েছে দামের নতুন চাপ। উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাব সামনে আসার পর থেকে দেশে রডের বাজারে ধাপে ধাপে দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, টনপ্রতি রডের দাম ইতিমধ্যে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে যেখানে প্রতিযোগিতার মূল ভিত্তি হয়ে উঠেছে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও উচ্চ মূল্য সংযোজন; সেখানে বাংলাদেশ যেন হাঁটছে উল্টো স্রোতে। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
১ দিন আগে