জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা

টাকার বিপরীতে ডলারের অব্যাহত দাম বাড়া এবং সুদহার বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা করেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নিট মুনাফা ছিল প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। নিট মুনাফা থেকে কর্মকর্তাদের বেসিকের সাড়ে ৫ গুণ সমান টাকা ইনসেনটিভ বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এ ছাড়া মুনাফা থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইন মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান, নুরুন নাহার, মুদ্রানীতি কমিটির সদস্য ড. এজাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, সভায় নতুন গভর্নরের নিয়োগ, কৃষি ঋণ, সামষ্টিক অর্থনীতির হালচাল, ব্যাংকিং তারল্য, সরকারি নীতিসংক্রান্ত ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা ছিল ৬ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। এরপর ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ মুনাফা বেড়ে ৮ হাজার ৪৯২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুনাফা কমে ৬ হাজার ৬২৫ কোটি টাকায় নেমে যায়। এরপর ২০১৯-২০ বছরে মুনাফা হয় ৮ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক ৯ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করে। ২০২১-২২ অর্থবছর বাংলাদেশ ব্যাংক নিট মুনাফা করে ৫ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা। আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক আয় করে ৬ হাজার ২৯ কোটি টাকা। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে মুনাফা ছিল ২২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৪৯ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা।
ইতিহাসের সর্বোচ্চ মুনাফার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘আর্থিক প্রতিবেদনে দেখানো আয়ের পুরোটাই প্রকৃত মুনাফা নয়। ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়া ও রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের আয় বেড়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শতভাগ মালিকানা সরকারের। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্জিত মুনাফাও সরকারি কোষাগারে জমা হয়।’

টাকার বিপরীতে ডলারের অব্যাহত দাম বাড়া এবং সুদহার বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা করেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নিট মুনাফা ছিল প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। নিট মুনাফা থেকে কর্মকর্তাদের বেসিকের সাড়ে ৫ গুণ সমান টাকা ইনসেনটিভ বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এ ছাড়া মুনাফা থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইন মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান, নুরুন নাহার, মুদ্রানীতি কমিটির সদস্য ড. এজাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, সভায় নতুন গভর্নরের নিয়োগ, কৃষি ঋণ, সামষ্টিক অর্থনীতির হালচাল, ব্যাংকিং তারল্য, সরকারি নীতিসংক্রান্ত ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা ছিল ৬ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। এরপর ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ মুনাফা বেড়ে ৮ হাজার ৪৯২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুনাফা কমে ৬ হাজার ৬২৫ কোটি টাকায় নেমে যায়। এরপর ২০১৯-২০ বছরে মুনাফা হয় ৮ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক ৯ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করে। ২০২১-২২ অর্থবছর বাংলাদেশ ব্যাংক নিট মুনাফা করে ৫ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা। আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক আয় করে ৬ হাজার ২৯ কোটি টাকা। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে মুনাফা ছিল ২২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৪৯ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা।
ইতিহাসের সর্বোচ্চ মুনাফার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘আর্থিক প্রতিবেদনে দেখানো আয়ের পুরোটাই প্রকৃত মুনাফা নয়। ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়া ও রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের আয় বেড়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শতভাগ মালিকানা সরকারের। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্জিত মুনাফাও সরকারি কোষাগারে জমা হয়।’

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৪ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৮ ঘণ্টা আগে