কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রীয় সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। গত রোববার রাত ১টা থেকে কারখানাটিতে উৎপাদন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন সিইউএফএলের কর্মকর্তারা।
এর আগে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস-সংকটের কারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কারখানাটিতে ইউরিয়া সারের পাশাপাশি অ্যামোনিয়াও উৎপাদিত হয়। পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর এ কারখানায় দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। আট মাস উৎপাদন বন্ধের কারণে ১ হাজার ৮১৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস-সংকটের কারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কারখানায় ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ ছিল। রোববার রাত ১টা থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। চাহিদামতো গ্যাস পাওয়া গেলে দেশের কৃষি খাতে বিরাট ভূমিকা রাখবে এ কারখানা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন কারখানায় উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন এ কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২০০ টন ইউরিয়া সার ও ৮০০ টন অ্যামোনিয়া উৎপাদিত হয়। কারখানার উৎপাদিত এসব সার বিসিআইসির ডিলারদের মাধ্যমে প্রতি টন ইউরিয়া ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে ইউরিয়া সার থেকে প্রতিদিন আয় হয় ৩ কোটি টাকা। আর প্রতি টন অ্যামোনিয়া বিক্রি হয় ৫৪ হাজার টাকা। এতে মোট ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকার দৈনিক অ্যামোনিয়া উৎপাদন হয়।
জানা যায়, ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পারে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় সার কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। কারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার সময় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন হিসাবে বার্ষিক ৫ লাখ ৬১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে ১ হাজার ২০০ টন উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি দৈনিক ৮০০ টন হিসাবে বার্ষিক ৩ লাখ ১০ টন অ্যামোনিয়া উৎপাদন করা যায় এ কারখানায়।
দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন। তার মধ্যে সিইউএফএলসহ বিসিআইসির অন্যান্য কারখানা প্রায় ১০ লাখ টন ইউরিয়া উৎপাদন করে। অবশিষ্ট ১৬ লাখ টন ইউরিয়া উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর আবার উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রীয় সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। গত রোববার রাত ১টা থেকে কারখানাটিতে উৎপাদন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন সিইউএফএলের কর্মকর্তারা।
এর আগে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস-সংকটের কারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কারখানাটিতে ইউরিয়া সারের পাশাপাশি অ্যামোনিয়াও উৎপাদিত হয়। পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর এ কারখানায় দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। আট মাস উৎপাদন বন্ধের কারণে ১ হাজার ৮১৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস-সংকটের কারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কারখানায় ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ ছিল। রোববার রাত ১টা থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। চাহিদামতো গ্যাস পাওয়া গেলে দেশের কৃষি খাতে বিরাট ভূমিকা রাখবে এ কারখানা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন কারখানায় উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন এ কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২০০ টন ইউরিয়া সার ও ৮০০ টন অ্যামোনিয়া উৎপাদিত হয়। কারখানার উৎপাদিত এসব সার বিসিআইসির ডিলারদের মাধ্যমে প্রতি টন ইউরিয়া ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে ইউরিয়া সার থেকে প্রতিদিন আয় হয় ৩ কোটি টাকা। আর প্রতি টন অ্যামোনিয়া বিক্রি হয় ৫৪ হাজার টাকা। এতে মোট ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকার দৈনিক অ্যামোনিয়া উৎপাদন হয়।
জানা যায়, ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পারে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় সার কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। কারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার সময় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন হিসাবে বার্ষিক ৫ লাখ ৬১ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদনের ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে ১ হাজার ২০০ টন উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি দৈনিক ৮০০ টন হিসাবে বার্ষিক ৩ লাখ ১০ টন অ্যামোনিয়া উৎপাদন করা যায় এ কারখানায়।
দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন। তার মধ্যে সিইউএফএলসহ বিসিআইসির অন্যান্য কারখানা প্রায় ১০ লাখ টন ইউরিয়া উৎপাদন করে। অবশিষ্ট ১৬ লাখ টন ইউরিয়া উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হয়।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৮ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১২ ঘণ্টা আগে