নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এই অনুমতি কার্যকর থাকবে বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ৮টি শর্তে ৭৯টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।
দুর্গাপূজা সামনে রেখে এবার পাঁচ হাজার টন ইলিশ চেয়েছিল কলকাতার ব্যবসায়ীরা। ১ সেপ্টেম্বর কলকাতা ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে আবেদন জমা দেয়। সেটি ৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আসে।
১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ভারতে পাঁচ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি করা হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বছরে ছয় লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। সেই হিসাবে দিনে দুই হাজার টন ইলিশ ধরা হয়। সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি করা হবে। সারা বছরের দুই দিনের উৎপাদন তাদের দেওয়া হবে। এতে দেশের বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন টিপু মুনশি।
জানা গেছে, গতবার দুর্গাপূজার সময় ২ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ৩০০ টন। আগের বছরগুলোতেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। অনুমোদনের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম।
যেসব শর্তে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শুল্ক কর্তৃপক্ষ রপ্তানির অনুমতিপ্রাপ্ত পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করবে, প্রতিটি চালান জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানির সব কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পাঠাতে হবে, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না, অনুমতিপত্র কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ে মাধ্যমে ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না।
এদিকে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজিত ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত’ জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এই অনুমতি কার্যকর থাকবে বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ৮টি শর্তে ৭৯টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।
দুর্গাপূজা সামনে রেখে এবার পাঁচ হাজার টন ইলিশ চেয়েছিল কলকাতার ব্যবসায়ীরা। ১ সেপ্টেম্বর কলকাতা ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে আবেদন জমা দেয়। সেটি ৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আসে।
১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ভারতে পাঁচ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি করা হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বছরে ছয় লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। সেই হিসাবে দিনে দুই হাজার টন ইলিশ ধরা হয়। সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি করা হবে। সারা বছরের দুই দিনের উৎপাদন তাদের দেওয়া হবে। এতে দেশের বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন টিপু মুনশি।
জানা গেছে, গতবার দুর্গাপূজার সময় ২ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে রপ্তানি হয়েছিল ১ হাজার ৩০০ টন। আগের বছরগুলোতেও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। অনুমোদনের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম।
যেসব শর্তে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শুল্ক কর্তৃপক্ষ রপ্তানির অনুমতিপ্রাপ্ত পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করবে, প্রতিটি চালান জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানির সব কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পাঠাতে হবে, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না, অনুমতিপত্র কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ে মাধ্যমে ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না।
এদিকে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজিত ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত’ জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৯ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১ দিন আগে