
আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে বাংলাদেশের অবনমিত ঋণমান বি১ বহাল রেখেছে মুডিস ইনভেস্টর সার্ভিস। সেই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক ঋণমান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের ঋণমানের হালনাগাদ পর্যালোচনা প্রকাশ করেছে মুডিস। নতুন মূল্যায়ন অনুযায়ী, ঋণ পাওয়ার যোগত্যায় অথবা আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণের সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো পরিবর্তন মুডিসের অনুসন্ধানে ধরা পড়েনি।
প্রায় ছয় মাস পর্যবেক্ষণে রাখার পর গত ৩০ মে বাংলাদেশের আগের ঋণমান বিএ৩ থেকে অবনমন করে বি১ নির্ধারণ করে মুডিস। সংস্থাটি তখন বলেছিল, বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উঁচুমাত্রার দুর্বলতা ও তারল্যের ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে চলমান সংকটের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাও প্রকাশ পেয়েছে।
তবে ঋণমান কমালেও দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে মনে করে সংস্থাটি। এর মানে, ঋণ যোগ্যতা বা আর্থিক বাধ্যবাধকতা মেটানোর ক্ষমতায় বাংলাদেশের কোনো পরিবর্তন আসেনি।
মুডিসের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে বর্তমান ঋণমান বিএ৩ থেকে নামিয়ে বি১ নির্ধারণ করা হয়। তখনো দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে ‘স্থিতিশীল’ বলেছিল মুডিস। যদিও স্বল্প মেয়াদে সংশয়ের কথা তুলে ধরা হয়।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (খাঁটি সোনা) মূল্য হ্রাস পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা...
৮ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে এটিএম ও পস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে একটি নতুন এটিএম বুথ উদ্বোধন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
১ দিন আগে
দেশের বাজারে তেজাবি সোনা ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম কমেছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবার ভ্যাটসহ প্রতি গ্রামের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেট সোনায় ভরিতে দাম কমেছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।
১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। অনেক বেড়ে গেছে জ্বালানির দাম। এর সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন খরচ ও আমদানি ব্যয়। প্রায় চার মাস পরে এসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ায় মিলেছে স্বস্তি।
১ দিন আগে