জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা

দেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণে বেসামাল হয়ে পড়েছে। এতে গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। এই খেলাপি ঋণের বিপরীতে গ্রাহকের নিরাপত্তার নির্ধারিত প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে পারছে না কিছু ব্যাংক। তার মধ্যে ৯টি ব্যাংকের সঞ্চিতি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। তবে অধিকাংশ ব্যাংক উদ্বৃত্ত সঞ্চিতি রাখায় মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। আর ৪৪টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ১ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ন্যাশনাল ব্যাংক। সঞ্চিতির ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুন শেষে দেশের ৯টি ব্যাংকের মোট সঞ্চিতি ঘাটতির পরিমাণ ৩১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। তবে কিছু ব্যাংকের উদ্বৃত্তের কারণে ব্যাংক খাতে সার্বিক ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তবে এই ঘাটতির পরিমাণ গত ডিসেম্বরে ছিল ১৯ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ৬ মাসের ব্যবধানে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ৫ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, নিট লাভের বিপরীতে সাধারণত ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই লাভ থেকে যদি প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়, তখন লভ্যাংশের পরিমাণ কমে আসে। সে জন্য কোনো কোনো ব্যাংক অধিক মুনাফার লক্ষ্যে প্রভিশন রাখতে চায় না। কিন্তু প্রভিশন না রাখলে আমানতকারীদের ঝুঁকি বাড়ে। এ ঝুঁকি এড়াতেই ব্যাংকগুলোর জন্য প্রভিশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সরকারি ব্যাংকের ঘাটতির তালিকায় শীর্ষে থাকা অগ্রণী ব্যাংকের ঘাটতির পরিমাণ ৫ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক। ব্যাংকটির ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪১ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা। এদিকে বেসরকারি খাতের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৪৪৩ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংকের ৩২৭ কোটি টাকা, আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০৫ কোটি টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৯১ কোটি টাকা এবং আরও একটি ব্যাংকের ১৯৮ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।
ব্যাংকিং বিধিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে পরিচালন মুনাফার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্নমানের খেলাপির ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক খেলাপির বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ সঞ্চিতি রাখতে হয়।
এ বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, অনেক ব্যাংক আগ্রাসী কায়দায় ঋণ দিয়ে আদায় করতে হিমশিম খাচ্ছে। ঋণ আদায় কম হওয়ায় তারল্যসংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে। আবার কিছু ব্যাংক খেলাপি ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সব ব্যাংককে তাগাদা দিচ্ছে। তবে বারবার সুযোগ পাওয়ার পরেও যদি কোনো ব্যাংক সঞ্চিতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণে বেসামাল হয়ে পড়েছে। এতে গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। এই খেলাপি ঋণের বিপরীতে গ্রাহকের নিরাপত্তার নির্ধারিত প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে পারছে না কিছু ব্যাংক। তার মধ্যে ৯টি ব্যাংকের সঞ্চিতি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। তবে অধিকাংশ ব্যাংক উদ্বৃত্ত সঞ্চিতি রাখায় মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। আর ৪৪টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ১ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ন্যাশনাল ব্যাংক। সঞ্চিতির ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, জুন শেষে দেশের ৯টি ব্যাংকের মোট সঞ্চিতি ঘাটতির পরিমাণ ৩১ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। তবে কিছু ব্যাংকের উদ্বৃত্তের কারণে ব্যাংক খাতে সার্বিক ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তবে এই ঘাটতির পরিমাণ গত ডিসেম্বরে ছিল ১৯ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ৬ মাসের ব্যবধানে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ৫ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, নিট লাভের বিপরীতে সাধারণত ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই লাভ থেকে যদি প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়, তখন লভ্যাংশের পরিমাণ কমে আসে। সে জন্য কোনো কোনো ব্যাংক অধিক মুনাফার লক্ষ্যে প্রভিশন রাখতে চায় না। কিন্তু প্রভিশন না রাখলে আমানতকারীদের ঝুঁকি বাড়ে। এ ঝুঁকি এড়াতেই ব্যাংকগুলোর জন্য প্রভিশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সরকারি ব্যাংকের ঘাটতির তালিকায় শীর্ষে থাকা অগ্রণী ব্যাংকের ঘাটতির পরিমাণ ৫ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক। ব্যাংকটির ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪১ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা। এদিকে বেসরকারি খাতের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৪৪৩ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংকের ৩২৭ কোটি টাকা, আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০৫ কোটি টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৯১ কোটি টাকা এবং আরও একটি ব্যাংকের ১৯৮ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।
ব্যাংকিং বিধিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে পরিচালন মুনাফার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্নমানের খেলাপির ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক খেলাপির বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ সঞ্চিতি রাখতে হয়।
এ বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, অনেক ব্যাংক আগ্রাসী কায়দায় ঋণ দিয়ে আদায় করতে হিমশিম খাচ্ছে। ঋণ আদায় কম হওয়ায় তারল্যসংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে। আবার কিছু ব্যাংক খেলাপি ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সব ব্যাংককে তাগাদা দিচ্ছে। তবে বারবার সুযোগ পাওয়ার পরেও যদি কোনো ব্যাংক সঞ্চিতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
৬ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
৬ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিন
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় এবং এ লক্ষ্যে দলের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে