চার দিন আগে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধির পর এবার ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে সোনার দাম। আজ মঙ্গলবার ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। সোনার নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকালে সোনার দাম সবশেষ সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। এবার প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটে প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম পড়বে ২ হাজার ৬২৪ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান— এই তিন ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ও ভারতের থেকে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচকসংক্রান্ত সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
১৩ মিনিট আগে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। অব্যাহত অর্থনৈতিক সংকট ও নানামুখী অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির পর এবার আন্তর্জাতিক এই সংস্থাও তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করল।
২ ঘণ্টা আগে
ঋণ নিয়ে সংসার চালানো পরিবারের সংখ্যা গ্রামে ক্রমেই বাড়ছে। ঋণ নেওয়া গ্রামীণ পরিবারের হার গত এক বছরে ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়েছে। আবার ঋণের পরিমাণ যত বেড়েছে, কিস্তির পরিশোধের চাপ বেড়েছে তার চেয়েও বেশি হারে। এতে গ্রামীণ ঋণগ্রহীতা দরিদ্র পরিবারগুলোর বড় অংশের আয় এখন ঋণের কিস্তি মেটাতেই চলে যাচ্ছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সদ্য যোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিতে বিসিআইসির আওতাধীন বিভিন্ন শিল্প কারখানা পরিদর্শন করেছেন। গত ৯ থেকে ১০ অক্টোবর তিনি টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেড...
১২ ঘণ্টা আগে