সেমিনারে আলোচনা
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব। একদিকে চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের দিকে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আগ্রহী হয়ে উঠছেন; অন্যদিকে সরকার দেশে নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়াতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্তে দেশের শিল্পপতিদের উদ্বেগ বেড়ে গেছে। চীনের মতো শক্তিশালী দেশ যখন তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে আগ্রহী, তখনই এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের শিল্পে খারাপ প্রভাব ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন ব্যবসায়ীরা। বারবার প্রশ্ন তুলছেন, ‘চীনের মতো বড় দেশের ব্যবসায়ীরা কি এই অবস্থায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন, নাকি মুখ ফিরিয়ে অন্য প্রতিযোগী দেশে চলে যাবেন? আমরা যদি বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে না পারি, তবে আমাদের উন্নয়নের দর্শন কেমন হবে?’
এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং প্রতিবন্ধকতার নানা বিষয় নিয়ে গতকাল রোববার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সেমিনারে আলোচনার ঝড় উঠেছিল। ‘পলিসি কনসিডারেশন ফর এনার্জি এফরডিবিলিটি অ্যান্ড ইম্প্যাক্ট অন ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক এই সেমিনারে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা তাঁদের বক্তব্যে বারবার সতর্ক করে বলেছেন, গ্যাসের দাম বাড়লে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য কমে যাবে, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নেবে, আর সেই ক্ষতির মাশুল দেশীয় শিল্প এবং সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং সিইও ড. মাসরুর রিয়াজ। ইআরএফের সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
ক্ষতিগ্রস্ত হবে নতুন বিনিয়োগ
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করতে গিয়ে ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হলে বিশেষ করে পণ্য উৎপাদন খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং এতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাবে। ফলে নতুন বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আরও বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ালে সিমেন্ট, ইস্পাত, সিরামিকসহ অনেক খাতেই আমদানিনির্ভরতা বাড়বে, যা দেশের আর্থিক খাতে চাপ সৃষ্টি করবে।
বিদেশি বিনিয়োগে বাংলাদেশ সুবিধাজনক নয়
ফরেন চেম্বার সভাপতি জাভেদ আখতার বলেন, ‘বাংলাদেশ একমাত্র ডেসটিনেশন নয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সব সময় তাঁদের জন্য সবচেয়ে ভালো অপশন খোঁজেন। গ্যাস ও বিদ্যুতের পলিসির ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কেনিয়া, ভারতসহ অন্য দেশগুলো আমাদের থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ যদি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে না পারে, তবে তাদের এখানে বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়।’
গ্যাসের দাম বাড়ালে শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসেসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানার খরচ বাড়বে এবং অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি উৎপাদন খরচের সঠিক হিসাব না রাখি, তবে চীনের মতো দেশ থেকে আগত বিনিয়োগকারীরা আমাদের দেশে আসবে না।’
দাম বাড়ানোর পরিণতি হবে ক্ষতিকর
বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে শিল্প খাতের উপকারিতা কমে যাবে এবং নতুন শিল্পে বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সরকারের নীতির সমালোচনা করে বলেন, সরকার যদি শিল্প খাতে সহায়তা না দেয়, তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও খারাপ হবে।
সংকটের বাস্তবতা
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ এখন জ্বালানিসংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্যাসের উৎপাদন কমে গেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে এলএনজি আমদানির খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিকল্প শক্তির উৎস প্রয়োজন
বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলী হোসাইন বলেন, যেহেতু দেশে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, তাই উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য বিকল্প শক্তির উৎস প্রয়োজন। তিনি গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিণতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সরকারের কাছে আরও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করেন।
এলডিসি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়
নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বাংলাদেশ এই মুহূর্তে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত নয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
নতুন কূপ খনন প্রয়োজন
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দেশে গত ১৫ বছরে নতুন কূপ খননের জন্য তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যদি সঠিক সময়ে নতুন কূপ খনন করা হতো, তবে বর্তমানে গ্যাসের সংকট এত গুরুতর হতো না।
গ্যাস ও শক্তির পলিসির ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর
ইউরো চেম্বারের সভাপতি নূরিয়া লোপেজ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের শক্তি নীতির দিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন। সরকার যদি শক্তি খাতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে না পারে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাবে।

দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব। একদিকে চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের দিকে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আগ্রহী হয়ে উঠছেন; অন্যদিকে সরকার দেশে নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়াতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্যাসের দাম দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্তে দেশের শিল্পপতিদের উদ্বেগ বেড়ে গেছে। চীনের মতো শক্তিশালী দেশ যখন তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে আগ্রহী, তখনই এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের শিল্পে খারাপ প্রভাব ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন ব্যবসায়ীরা। বারবার প্রশ্ন তুলছেন, ‘চীনের মতো বড় দেশের ব্যবসায়ীরা কি এই অবস্থায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন, নাকি মুখ ফিরিয়ে অন্য প্রতিযোগী দেশে চলে যাবেন? আমরা যদি বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে না পারি, তবে আমাদের উন্নয়নের দর্শন কেমন হবে?’
এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং প্রতিবন্ধকতার নানা বিষয় নিয়ে গতকাল রোববার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সেমিনারে আলোচনার ঝড় উঠেছিল। ‘পলিসি কনসিডারেশন ফর এনার্জি এফরডিবিলিটি অ্যান্ড ইম্প্যাক্ট অন ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক এই সেমিনারে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা তাঁদের বক্তব্যে বারবার সতর্ক করে বলেছেন, গ্যাসের দাম বাড়লে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য কমে যাবে, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নেবে, আর সেই ক্ষতির মাশুল দেশীয় শিল্প এবং সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং সিইও ড. মাসরুর রিয়াজ। ইআরএফের সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
ক্ষতিগ্রস্ত হবে নতুন বিনিয়োগ
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করতে গিয়ে ড. মাসরুর রিয়াজ বলেন, গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হলে বিশেষ করে পণ্য উৎপাদন খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং এতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাবে। ফলে নতুন বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আরও বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ালে সিমেন্ট, ইস্পাত, সিরামিকসহ অনেক খাতেই আমদানিনির্ভরতা বাড়বে, যা দেশের আর্থিক খাতে চাপ সৃষ্টি করবে।
বিদেশি বিনিয়োগে বাংলাদেশ সুবিধাজনক নয়
ফরেন চেম্বার সভাপতি জাভেদ আখতার বলেন, ‘বাংলাদেশ একমাত্র ডেসটিনেশন নয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সব সময় তাঁদের জন্য সবচেয়ে ভালো অপশন খোঁজেন। গ্যাস ও বিদ্যুতের পলিসির ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কেনিয়া, ভারতসহ অন্য দেশগুলো আমাদের থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ যদি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে না পারে, তবে তাদের এখানে বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়।’
গ্যাসের দাম বাড়ালে শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসেসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানার খরচ বাড়বে এবং অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি উৎপাদন খরচের সঠিক হিসাব না রাখি, তবে চীনের মতো দেশ থেকে আগত বিনিয়োগকারীরা আমাদের দেশে আসবে না।’
দাম বাড়ানোর পরিণতি হবে ক্ষতিকর
বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে শিল্প খাতের উপকারিতা কমে যাবে এবং নতুন শিল্পে বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সরকারের নীতির সমালোচনা করে বলেন, সরকার যদি শিল্প খাতে সহায়তা না দেয়, তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও খারাপ হবে।
সংকটের বাস্তবতা
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ এখন জ্বালানিসংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গ্যাসের উৎপাদন কমে গেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে এলএনজি আমদানির খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিকল্প শক্তির উৎস প্রয়োজন
বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলী হোসাইন বলেন, যেহেতু দেশে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, তাই উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য বিকল্প শক্তির উৎস প্রয়োজন। তিনি গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিণতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সরকারের কাছে আরও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করেন।
এলডিসি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়
নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বাংলাদেশ এই মুহূর্তে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত নয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
নতুন কূপ খনন প্রয়োজন
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দেশে গত ১৫ বছরে নতুন কূপ খননের জন্য তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যদি সঠিক সময়ে নতুন কূপ খনন করা হতো, তবে বর্তমানে গ্যাসের সংকট এত গুরুতর হতো না।
গ্যাস ও শক্তির পলিসির ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর
ইউরো চেম্বারের সভাপতি নূরিয়া লোপেজ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের শক্তি নীতির দিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন। সরকার যদি শক্তি খাতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে না পারে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাবে।

পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে দেশ থেকে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এসব কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যার একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে। সুশাসনের অভাবে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস
১০ মিনিট আগে
সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৭ ঘণ্টা আগে