নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নতুন করে ব্যবসা চালু করতে যাচ্ছে ইভ্যালি। পুরোনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের আগেই আগামী ১৫ অক্টোবর নতুন সার্ভার থেকে পণ্য বেচাকেনা শুরু করে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ইভ্যালির বর্তমান পরিচালক শামীমা নাসরিন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল কারাবন্দী থাকায় পুরোনো সার্ভারের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা যাচ্ছে না। সার্ভারের তথ্য ছাড়া পুরোনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করাও সম্ভব নয়।’
শামীমা নাসরিন বলেন, ‘রাসেলকে ছাড়া টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁকে ছাড়া পুরোনো সার্ভার সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমরা বাধ্য হয়েই নতুন সার্ভার থেকে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছি।’
গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন। এ বছর এপ্রিলে শামীমা নাসরিন জামিনে মুক্তি পেলেও মোহাম্মদ রাসেল এখনো কারাবন্দী।
সংবাদ সম্মেলনে শামীমা নাসরিন জানান, তাঁরা গ্রেপ্তার হওয়ার আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা চাকরি ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন। এ কারণে বাধ্য হয়ে মোহাম্মদ রাসেল একাই সার্ভারের পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের দায়িত্ব নেন। একটি কাগজে লিখে অফিসের টেবিলের ড্রয়ারে পাসওয়ার্ডটি রাখা হয়।
শামীমা নাসরিন অভিযোগ করেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের পর র্যাব ইভ্যালি অফিসে প্রবেশ করে এবং অফিস অরক্ষিত অবস্থায় রেখেই চলে যায়। এরপর কয়েক দিন অফিসের প্রবেশপথগুলো খোলা ছিল। অফিস তছনছ হয়েছে। তাঁরা পরে আর পাসওয়ার্ড পাননি। মোহাম্মদ রাসেলও পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন। তিনি আমাজনের সঙ্গে বসলে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা সম্ভব, অন্যথায় নয়।
শামীমা নাসরিন বলেন, ‘ব্যবসায়িক কৌশলে ত্রুটি স্বীকার করে তা সারিয়ে ওঠার জন্য ছয় মাস সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু তার আগেই আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়। হাইকোর্টে আমরা আবেদন করেছিলাম ব্যবসা পরিচালনার। ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে মুনাফা না করে একটি পণ্যও বিক্রি করব না।’
হাইকোর্ট নিযুক্ত ইভ্যালির সাবেক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিভিন্ন মন্তব্য অসত্য বলে দাবি করেন শামীমা নাসরিন। তিনি বলেন, ‘মানিক সাহেব বলেছেন আমরা মানি লন্ডারিং করতাম, প্রতি মাসে দুবাই যেতাম। আমরা মাত্র দুবার দুবাই গিয়েছি। ইমিগ্রেশনে যোগাযোগ করলেই এটা জানা যাবে। ইভ্যালির সামগ্রিক তথ্য হয় তিনি বুঝতে পারেননি, নয়তো তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য বলেছেন।’
শামীমা নাসরিন জানান, ইভ্যালির ৪৫ লাখ গ্রাহক রয়েছে। গত বছর ব্যবসা পরিচালনাকাল পর্যন্ত তাঁদের দেনা ৪০০ কোটি টাকার মতো। এক বছর ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পেলেই এই পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন।
গত বছর মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন গ্রেপ্তারের পর সে বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালি পরিচালনার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দেন উচ্চ আদালত। এই বোর্ডকে ইভ্যালির দায়-দেনা নিরূপণ করে প্রতিষ্ঠানটি চলবে নাকি দেউলিয়া ঘোষণা করা হবে সে ব্যাপারে মতামত জানাতে নির্দেশ দেন। তবে ইভ্যালির সার্ভারের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে না পারায় দায়-দেনার হিসাব জানা সম্ভব নয় জানিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব ছাড়ে মানিকের বোর্ড।
আদালতের নির্দেশে বর্তমানে পাঁচ সদস্যের নতুন বোর্ড ইভ্যালি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। বোর্ডে রয়েছেন—শামীমা নাসরিন, তাঁর মা এবং বোনের স্বামী, ই-ক্যাবের সহসভাপতি সাহাব উদ্দিন শিপন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী কামরুন নাহার।
গত ২২ সেপ্টেম্বর এই বোর্ড দায়িত্ব নিলেও এখন পর্যন্ত বোর্ড মিটিং হয়নি। আগামী সপ্তাহে বোর্ডের প্রথম মিটিং হতে পারে বলে জানিয়েছেন শামীমা নাসরিন।

নতুন করে ব্যবসা চালু করতে যাচ্ছে ইভ্যালি। পুরোনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের আগেই আগামী ১৫ অক্টোবর নতুন সার্ভার থেকে পণ্য বেচাকেনা শুরু করে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ইভ্যালির বর্তমান পরিচালক শামীমা নাসরিন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল কারাবন্দী থাকায় পুরোনো সার্ভারের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা যাচ্ছে না। সার্ভারের তথ্য ছাড়া পুরোনো গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করাও সম্ভব নয়।’
শামীমা নাসরিন বলেন, ‘রাসেলকে ছাড়া টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁকে ছাড়া পুরোনো সার্ভার সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমরা বাধ্য হয়েই নতুন সার্ভার থেকে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছি।’
গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন। এ বছর এপ্রিলে শামীমা নাসরিন জামিনে মুক্তি পেলেও মোহাম্মদ রাসেল এখনো কারাবন্দী।
সংবাদ সম্মেলনে শামীমা নাসরিন জানান, তাঁরা গ্রেপ্তার হওয়ার আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা চাকরি ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন। এ কারণে বাধ্য হয়ে মোহাম্মদ রাসেল একাই সার্ভারের পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের দায়িত্ব নেন। একটি কাগজে লিখে অফিসের টেবিলের ড্রয়ারে পাসওয়ার্ডটি রাখা হয়।
শামীমা নাসরিন অভিযোগ করেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের পর র্যাব ইভ্যালি অফিসে প্রবেশ করে এবং অফিস অরক্ষিত অবস্থায় রেখেই চলে যায়। এরপর কয়েক দিন অফিসের প্রবেশপথগুলো খোলা ছিল। অফিস তছনছ হয়েছে। তাঁরা পরে আর পাসওয়ার্ড পাননি। মোহাম্মদ রাসেলও পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন। তিনি আমাজনের সঙ্গে বসলে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা সম্ভব, অন্যথায় নয়।
শামীমা নাসরিন বলেন, ‘ব্যবসায়িক কৌশলে ত্রুটি স্বীকার করে তা সারিয়ে ওঠার জন্য ছয় মাস সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু তার আগেই আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়। হাইকোর্টে আমরা আবেদন করেছিলাম ব্যবসা পরিচালনার। ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে মুনাফা না করে একটি পণ্যও বিক্রি করব না।’
হাইকোর্ট নিযুক্ত ইভ্যালির সাবেক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিভিন্ন মন্তব্য অসত্য বলে দাবি করেন শামীমা নাসরিন। তিনি বলেন, ‘মানিক সাহেব বলেছেন আমরা মানি লন্ডারিং করতাম, প্রতি মাসে দুবাই যেতাম। আমরা মাত্র দুবার দুবাই গিয়েছি। ইমিগ্রেশনে যোগাযোগ করলেই এটা জানা যাবে। ইভ্যালির সামগ্রিক তথ্য হয় তিনি বুঝতে পারেননি, নয়তো তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য বলেছেন।’
শামীমা নাসরিন জানান, ইভ্যালির ৪৫ লাখ গ্রাহক রয়েছে। গত বছর ব্যবসা পরিচালনাকাল পর্যন্ত তাঁদের দেনা ৪০০ কোটি টাকার মতো। এক বছর ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পেলেই এই পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন।
গত বছর মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন গ্রেপ্তারের পর সে বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালি পরিচালনার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দেন উচ্চ আদালত। এই বোর্ডকে ইভ্যালির দায়-দেনা নিরূপণ করে প্রতিষ্ঠানটি চলবে নাকি দেউলিয়া ঘোষণা করা হবে সে ব্যাপারে মতামত জানাতে নির্দেশ দেন। তবে ইভ্যালির সার্ভারের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে না পারায় দায়-দেনার হিসাব জানা সম্ভব নয় জানিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব ছাড়ে মানিকের বোর্ড।
আদালতের নির্দেশে বর্তমানে পাঁচ সদস্যের নতুন বোর্ড ইভ্যালি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। বোর্ডে রয়েছেন—শামীমা নাসরিন, তাঁর মা এবং বোনের স্বামী, ই-ক্যাবের সহসভাপতি সাহাব উদ্দিন শিপন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী কামরুন নাহার।
গত ২২ সেপ্টেম্বর এই বোর্ড দায়িত্ব নিলেও এখন পর্যন্ত বোর্ড মিটিং হয়নি। আগামী সপ্তাহে বোর্ডের প্রথম মিটিং হতে পারে বলে জানিয়েছেন শামীমা নাসরিন।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১০ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১১ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৫ ঘণ্টা আগে