নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, সার ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমনের লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রণোদনা ও ভর্তুকি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে তিনি ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাথমিকভাবে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেন, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। ফলে আগামী বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবাদ বরাদ্দ বাড়ছে ৫৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
বিশ্ববাজারে করোনা পরিস্থিতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাক্কলন ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্বালানি তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধিজনিত কারণে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারের ভর্তুকি বাবদ সরকারের ব্যয় বাড়ছে।’ ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ বেড়ে ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে এ বরাদ্দ আরও বেড়ে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।’
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের মূল্যের সাম্প্রতিক যে গতিপ্রকৃতি তাতে ভর্তুকি ব্যয় আরও ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যবস্থাপনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।’
জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন
উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
এই সম্পর্কিত পড়ুন:

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, সার ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমনের লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রণোদনা ও ভর্তুকি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে তিনি ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাথমিকভাবে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেন, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। ফলে আগামী বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবাদ বরাদ্দ বাড়ছে ৫৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
বিশ্ববাজারে করোনা পরিস্থিতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাক্কলন ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্বালানি তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধিজনিত কারণে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারের ভর্তুকি বাবদ সরকারের ব্যয় বাড়ছে।’ ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ বেড়ে ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে এ বরাদ্দ আরও বেড়ে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।’
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের মূল্যের সাম্প্রতিক যে গতিপ্রকৃতি তাতে ভর্তুকি ব্যয় আরও ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যবস্থাপনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।’
জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন
উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
এই সম্পর্কিত পড়ুন:

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৯ ঘণ্টা আগে