
নতুন সরকার। অর্থনীতিতে নানামুখী চ্যালেঞ্জ। ডলার-সংকট কাটছে না। মূল্যস্ফীতি লাগামহীন। রাজস্ব আয়ে ঘাটতির কারণে সরকারের তহবিলে টান। জ্বালানির সংকটও তীব্র হচ্ছে। পশ্চিমা স্যাংশনের আতঙ্ক কাটেনি। ফলে রপ্তানি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে।
পুঁজিবাজারও পতনের বৃত্তে। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে আশার চেয়ে যখন হতাশার উপাদান বেশি, এমন একসময়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট তৈরির কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এসব চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়েই নতুন অর্থমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর হাত ধরে নতুন বাজেট দিতে যাচ্ছে।
জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার কারণে আসছে বাজেটে অনেক বিষয়ে হাত খুলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না অর্থ মন্ত্রণালয়। নানা শর্ত আর সংস্কারের চাপ থাকায় রীতি ভেঙে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এ জন্য আসছে বাজেটটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট নাও হতে পারে। কারণ অর্থনৈতিক সংকটের কারণে রাজস্ব আয়ের স্লথ গতি আর ডলারের হার নমনীয় রাখা ও দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার বড় চাপ রয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘাড়ে। ফলে বাজেট প্রক্রিয়ার শুরুতেই কর্মকর্তারা এসব বিষয় মাথায় রাখছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
এদিকে এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে নিজ উদ্যোগে আগামী বাজেটে নিজেদের খাত নিয়ে চাওয়া-পাওয়া জানিয়ে চিঠিপত্র দিচ্ছেন। এনবিআরের দিক থেকেও বাজেট প্রস্তাব চাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বাজেট আলোচনার জন্য প্রস্তাব চাওয়া হচ্ছে সহসাই। কবে নাগাদ বাজেট আলোচনা শুরু হবে–এ রকম দিন-তারিখ চূড়ান্ত না হলেও কাজ এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা বলেন, রীতি মেনে বাজেট প্রক্রিয়ার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সহসাই হয়তো স্টেকহোল্ডারদের বাজেট প্রস্তাব চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ বাজেট আলোচনা শুরু হবে, এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আরও পরে এ সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকারের তুলনায় আসছে বাজেটের আকার ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। এর আগে প্রতিবছর প্রায় ১০ শতাংশ হারে বাড়ানো হতো বাজেটের আকার। আসছে অর্থবছরে হয়তো সরকার একটু পিছুটান দিতে পারে। বাজেটের আকার হতে পারে ৮ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার কমানোর লক্ষ্য ধরা হবে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। সুদের হার বাড়িয়ে ঋণ ব্যয়বহুল করে বাজারে টাকার প্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়েছে। নতুন অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে কোনো ভর্তুকি না দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হতে পারে। নতুন অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হতে পারে।
চলতি অর্থবছরে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয়। চলতি বাজেটে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন পেনশন চালু করা হয়। এ ছাড়া সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ বেশ কিছু ইতিবাচক বিষয় ছিল বাজেটে।
জানা যায়, আসছে বাজেট বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে দিতে হতে পারে। কারণ চলতি বাজেটে যে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তাতে বড় ঘাটতি পড়ছে। এরই মধ্যে অর্থবছরের পাঁচ মাসে ঘাটতি ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা না হলে এ ঘাটতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নতুন সরকার। অর্থনীতিতে নানামুখী চ্যালেঞ্জ। ডলার-সংকট কাটছে না। মূল্যস্ফীতি লাগামহীন। রাজস্ব আয়ে ঘাটতির কারণে সরকারের তহবিলে টান। জ্বালানির সংকটও তীব্র হচ্ছে। পশ্চিমা স্যাংশনের আতঙ্ক কাটেনি। ফলে রপ্তানি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে।
পুঁজিবাজারও পতনের বৃত্তে। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে আশার চেয়ে যখন হতাশার উপাদান বেশি, এমন একসময়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট তৈরির কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এসব চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়েই নতুন অর্থমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর হাত ধরে নতুন বাজেট দিতে যাচ্ছে।
জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার কারণে আসছে বাজেটে অনেক বিষয়ে হাত খুলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না অর্থ মন্ত্রণালয়। নানা শর্ত আর সংস্কারের চাপ থাকায় রীতি ভেঙে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এ জন্য আসছে বাজেটটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট নাও হতে পারে। কারণ অর্থনৈতিক সংকটের কারণে রাজস্ব আয়ের স্লথ গতি আর ডলারের হার নমনীয় রাখা ও দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার বড় চাপ রয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘাড়ে। ফলে বাজেট প্রক্রিয়ার শুরুতেই কর্মকর্তারা এসব বিষয় মাথায় রাখছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
এদিকে এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে নিজ উদ্যোগে আগামী বাজেটে নিজেদের খাত নিয়ে চাওয়া-পাওয়া জানিয়ে চিঠিপত্র দিচ্ছেন। এনবিআরের দিক থেকেও বাজেট প্রস্তাব চাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বাজেট আলোচনার জন্য প্রস্তাব চাওয়া হচ্ছে সহসাই। কবে নাগাদ বাজেট আলোচনা শুরু হবে–এ রকম দিন-তারিখ চূড়ান্ত না হলেও কাজ এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা বলেন, রীতি মেনে বাজেট প্রক্রিয়ার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সহসাই হয়তো স্টেকহোল্ডারদের বাজেট প্রস্তাব চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ বাজেট আলোচনা শুরু হবে, এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আরও পরে এ সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকারের তুলনায় আসছে বাজেটের আকার ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। এর আগে প্রতিবছর প্রায় ১০ শতাংশ হারে বাড়ানো হতো বাজেটের আকার। আসছে অর্থবছরে হয়তো সরকার একটু পিছুটান দিতে পারে। বাজেটের আকার হতে পারে ৮ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার কমানোর লক্ষ্য ধরা হবে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। সুদের হার বাড়িয়ে ঋণ ব্যয়বহুল করে বাজারে টাকার প্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়েছে। নতুন অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে কোনো ভর্তুকি না দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হতে পারে। নতুন অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হতে পারে।
চলতি অর্থবছরে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয়। চলতি বাজেটে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন পেনশন চালু করা হয়। এ ছাড়া সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়ানোসহ বেশ কিছু ইতিবাচক বিষয় ছিল বাজেটে।
জানা যায়, আসছে বাজেট বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে দিতে হতে পারে। কারণ চলতি বাজেটে যে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তাতে বড় ঘাটতি পড়ছে। এরই মধ্যে অর্থবছরের পাঁচ মাসে ঘাটতি ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা না হলে এ ঘাটতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৯ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৯ ঘণ্টা আগে