
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু দুই বছর না যেতেই সেই মূল্যস্ফীতিই এখন তাঁর প্রশাসনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দুর্বলতায় পরিণত হয়েছে।

দেশে আবারও মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে, যা গত মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। তবে গত বছর এপ্রিলে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। ফলে বছরের হিসাবে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কম থাকলেও মাসভিত্তিক হিসাবে মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী।

জ্বালানি ব্যয়ের বাড়তি চাপ, দুর্বল বৈশ্বিক চাহিদা এবং রাজস্ব ঘাটতির ত্রিমুখী সংকটে দেশের অর্থনীতি এখন এক অস্বস্তিকর ভারসাম্যে দাঁড়িয়ে। সরকারের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত ‘অর্থনৈতিক হালনাগাদ ও পূর্বাভাস: এপ্রিল ২০২৬’ প্রতিবেদনে মার্চ পর্যন্ত সাম্প্রতিক সূচক বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে।

ইরানে চলমান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট সাধারণ মানুষের জীবনে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা মানুষের আয়ের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে অনেকের জীবন এখন ‘শূন্য আয়’-এর...