
এক বছরের ব্যবধানে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে এই ঘাটতি ছিল ১১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ এক বছরে ঘাটতি বেড়েছে ২ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ঘরে উঠেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে, মূল্যস্ফীতি আসলে কী? জনজীবনে এর প্রভাবইবা কী?

টানা চার মাস ধরে বাড়তে বাড়তে গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশের ঘরে উঠেছে। এই মাসে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ হয়েছে। যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারির এই মূল্যস্ফীতি গত নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় গত মাসের

বিশ্বের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতিতে চলছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায়। ২০২৫ সালে দেশটির মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ শতাংশে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুক্রবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ হার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস ২৬৯ দশমিক ৯ শতাংশকেও অনেকখানি ছাড়িয়ে গেছে।