
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সোনা ও স্বর্ণালংকারের ওপর উৎসে কর ও ভ্যাট কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সোনা ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। জুয়েলারি সেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরি হিসাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, উৎসে করের উচ্চ হারের কারণে সোনা ও স্বর্ণালংকারের সরবরাহ এখনো অনানুষ্ঠানিক রয়ে গেছে। ফলে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘এই ব্যবসাকে আনুষ্ঠানিক খাতে এনে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে সোনা ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে।’
সপ্তম অধ্যায়ের ‘জুয়েলারি খাতে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের বিধান প্রণয়ন’ শিরোনামে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জুয়েলারি সেবার বিপরীতে ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরি হিসাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উৎসে কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হলে ব্যবসায়ীদের কর পরিপালনের আগ্রহ বাড়বে এবং অনানুষ্ঠানিক বাজারের একটি বড় অংশ বৈধ লেনদেনের আওতায় আসতে পারে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ার পাশাপাশি বাজারেও স্বচ্ছতা তৈরি হবে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ভরিভিত্তিক নির্দিষ্ট ভ্যাট ব্যবস্থা চালু হলে বিভিন্ন ধরনের অলংকারে এর প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে কম ওজনের অলংকারে করের চাপ তুলনামূলক কম হলেও ভারী অলংকারের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে উৎসে কর কমানো এবং ভ্যাট কাঠামো সহজ করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বাজেটে সেই দাবির প্রতিফলন ঘটেছে। তাঁদের মতে, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে স্বর্ণের ব্যবসা আরও সংগঠিত হবে এবং বৈধ পথে লেনদেন বাড়বে।

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং, আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগে গ্রাহকদের দাবির অঙ্ক প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা প্রায় ৫৩১ কোটি টাকার মধ্যে ৪৭২
৬ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিপুল মুনাফা অর্জন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিট বা প্রকৃত মুনাফা করেছে ২৫ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। মূলত দুর্বল ব্যাংকগুলো দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেওয়ায় এই মুনাফা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩ হাজা
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, লজিস্টিকস ব্যয় হ্রাস এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ জানিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। একই সঙ্গে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার ক
১১ ঘণ্টা আগে
তিন বছরের বেশি অপেক্ষার পর দেশে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর পথ খুলছে। দ্বিতীয় দফায় আবেদন করা ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮টিকে চূড়ান্তভাবে বাছাই করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী পর্ষদ সভায় এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
১ দিন আগে