
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ খাদিজা বেগমের আইডি সক্রিয় না থাকায় এক মাস ধরে জন্মনিবন্ধনের কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের কাজ পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে।
স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানান, ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধনের আবেদন গ্রহণ শেষে তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ইউএনওর অফিশিয়াল আইডিতে পাঠানো হয়। ইউএনও অনুমোদন দিয়ে তা আবার ইউনিয়ন পরিষদের আইডিতে ফেরত পাঠান। এরপরই নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। কিন্তু নতুন ইউএনওর আইডি সক্রিয় না থাকায় আবেদনগুলো আর ফেরত আসছে না। ফলে কোনো নিবন্ধনই চূড়ান্ত করা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, রাণীশংকৈল উপজেলায় গত ১৯ অক্টোবর নতুন ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন মিজ খাদিজা বেগম। যোগদানের পর থেকে তাঁর আইডি এখনো সক্রিয় হয়নি—এ তথ্য দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
জন্মনিবন্ধনসংক্রান্ত কাজে আসা বাচোর এলাকার তোরাব আলী, নন্দুয়ার এলাকার শিল্পী বেগম ও হোসেনগাঁওয়ের ধীরেন চন্দ্রসহ অনেকে জানান, তাঁদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির জন্য জন্মনিবন্ধন ডিজিটাল করতে হবে। আবেদন দেওয়ার ২০ দিন হয়ে গেলেও কাজ হচ্ছে না। ফলে স্কুলে ভর্তির আবেদনও করতে পারছেন না তাঁরা। প্রতিদিনই বহু মানুষ জন্মনিবন্ধনসংক্রান্ত বিড়ম্বনায় পড়ছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মিজ খাদিজা বেগম বলেন, ‘নতুন যোগদান করেছি। আমার আইডি এখনো ঠিক হয়নি। তাই একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলছি, দ্রুত সমাধান হবে।’ জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা আজ রোববার মোবাইল ফোনে বলেন, নতুন ইউএনও যোগদান করেছেন বলে সামান্য সমস্যা হচ্ছে। তবে বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
২ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৩ ঘণ্টা আগে