বালিয়াডাঙ্গী ও পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

‘ভোট দিলেও ওমরা এমপি হবে, না দিলেও ওমরাই এমপি হবে। ভোটে দাঁড়ানো ছয়জন প্রার্থীর কাহকেই মোর পছন্দ না। তাই হামরা গোটা পরিবারের লোকলা (লোকেরা) ভোট দিবা যামোইনি (যাব না) আগেই ঠিক করিজি। আইজ হামরা নিজের কাম করিতে ব্যস্ত।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশেই কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ জোবাইদুর রহমান।
আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী।
সেই নির্বাচনে ভোট দিতে যাননি ওই আসনের ভোটার, পীরগঞ্জ উপজেলার কোষারানীগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর মালঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা জোবাইদুর ও তাঁর পরিবার। সেই সঙ্গে জোবাইদুর রহমান দাবি করেছেন, আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যসহ অন্তত ৬০ জন ভোট দিতে যাবেন না।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশে চলাচলের রাস্তায় প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা হয় বৃদ্ধ কৃষক জোবাইদুরের। সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে নিজে থেকেই আলাপ শুরু করেন তিনি।
জোবাইদুর বলেন, ‘২০১৮ সালে ভোট দিছিনু। ওই এমপি সিট ছাড়ে দিবার কারণে সাত-আট মাসের জন্য ভোট হচে। এলা লোক দেখাবার তানে (জন্য) এইলা (এসব) করেছে। সরকারটা যেত দিন ক্ষমতা ছাড়িবেনি, অতদিন ভালো ভোট হবেনি। কেয়ারটেকার (তত্ত্বাবধায়ক) সরকার না দিলে কোনো দিন ভোট নিরপেক্ষ হবেনি।’
তাঁর কথা বলে জানা গেল, জুবাইদুর ওই এলাকার মৃত সফির উদ্দীনের ছেলে। তাঁদের বাড়ি ১ কিলোমিটার দূরে বেতুড়া সেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তাঁদের ভোটকেন্দ্র।
পাশে রাইস মিলের ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন জোবাইদুরের ছেলে আরিফ হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, ‘বাবার সিদ্ধান্ত আমরা সবাই মেনে নিয়েছি। আমরা কেউ ভোট দিতে যাব না। তা ছাড়া ভোট দিয়ে তো আমাদের কোনো লাভ নাই। আমাদের কথা ভাবার মতো, কষ্ট লাঘব করার মতো কোনো প্রতিনিধি নাই। সবাই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য নির্বাচনে দাঁড়ায়, নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। আমরা জনগণ যেমন, তেমনই রয়ে যাই।’
ভোটারদের অংশগ্রহণ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বেতুড়া সেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৩১০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রটিতে ৩ হাজার ১৯৫ জন ভোটার রয়েছেন। ভোটার বিবেচনায় ১০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বেলা বাড়লে ভোটারদের উপস্থিতিও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪ জন।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৪ দলের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি ইয়াসিন আলী হাতুড়ি প্রতীকে, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দুবারের এমপি হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ লাঙল প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায় একতারা প্রতীকে, জাকের পার্টির এমদাদুল হক গোলাপ ফুল প্রতীকে, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাফি আল আসাদ আম প্রতীকে ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সিরাজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে।

‘ভোট দিলেও ওমরা এমপি হবে, না দিলেও ওমরাই এমপি হবে। ভোটে দাঁড়ানো ছয়জন প্রার্থীর কাহকেই মোর পছন্দ না। তাই হামরা গোটা পরিবারের লোকলা (লোকেরা) ভোট দিবা যামোইনি (যাব না) আগেই ঠিক করিজি। আইজ হামরা নিজের কাম করিতে ব্যস্ত।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশেই কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ জোবাইদুর রহমান।
আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী।
সেই নির্বাচনে ভোট দিতে যাননি ওই আসনের ভোটার, পীরগঞ্জ উপজেলার কোষারানীগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর মালঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা জোবাইদুর ও তাঁর পরিবার। সেই সঙ্গে জোবাইদুর রহমান দাবি করেছেন, আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যসহ অন্তত ৬০ জন ভোট দিতে যাবেন না।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশে চলাচলের রাস্তায় প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা হয় বৃদ্ধ কৃষক জোবাইদুরের। সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে নিজে থেকেই আলাপ শুরু করেন তিনি।
জোবাইদুর বলেন, ‘২০১৮ সালে ভোট দিছিনু। ওই এমপি সিট ছাড়ে দিবার কারণে সাত-আট মাসের জন্য ভোট হচে। এলা লোক দেখাবার তানে (জন্য) এইলা (এসব) করেছে। সরকারটা যেত দিন ক্ষমতা ছাড়িবেনি, অতদিন ভালো ভোট হবেনি। কেয়ারটেকার (তত্ত্বাবধায়ক) সরকার না দিলে কোনো দিন ভোট নিরপেক্ষ হবেনি।’
তাঁর কথা বলে জানা গেল, জুবাইদুর ওই এলাকার মৃত সফির উদ্দীনের ছেলে। তাঁদের বাড়ি ১ কিলোমিটার দূরে বেতুড়া সেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তাঁদের ভোটকেন্দ্র।
পাশে রাইস মিলের ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন জোবাইদুরের ছেলে আরিফ হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, ‘বাবার সিদ্ধান্ত আমরা সবাই মেনে নিয়েছি। আমরা কেউ ভোট দিতে যাব না। তা ছাড়া ভোট দিয়ে তো আমাদের কোনো লাভ নাই। আমাদের কথা ভাবার মতো, কষ্ট লাঘব করার মতো কোনো প্রতিনিধি নাই। সবাই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য নির্বাচনে দাঁড়ায়, নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। আমরা জনগণ যেমন, তেমনই রয়ে যাই।’
ভোটারদের অংশগ্রহণ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বেতুড়া সেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৩১০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রটিতে ৩ হাজার ১৯৫ জন ভোটার রয়েছেন। ভোটার বিবেচনায় ১০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বেলা বাড়লে ভোটারদের উপস্থিতিও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৪ জন।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৪ দলের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি ইয়াসিন আলী হাতুড়ি প্রতীকে, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দুবারের এমপি হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ লাঙল প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায় একতারা প্রতীকে, জাকের পার্টির এমদাদুল হক গোলাপ ফুল প্রতীকে, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাফি আল আসাদ আম প্রতীকে ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সিরাজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে