সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা—এমন অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অধিকাংশ দোকানে এসব সার মিলছে না নির্ধারিত দামে। অনেকে রসিদ না দিয়েই বাড়তি মূল্য নিচ্ছেন।
সরেজমিনে কয়েকটি উপজেলায় ঘুরে দেখা গেছে, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা সার দিচ্ছেন ‘সীমিত মজুতের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে। আবার বেশি দামে কিনলে সার মিলছে সহজেই। তবে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন অনেক বিক্রেতা। অনেকেই রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। কেউ কেউ সরকারনির্ধারিত দামের রসিদ দিলেও অতিরিক্ত নেওয়া টাকার কোনো হিসাব দিচ্ছেন না।
সদর উপজেলার কৃষক মনসুর আলী বলেন, ‘টিএসপি সার কিনেছি ১ হাজার ৮২০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা। এ কথা বললে বিক্রেতারা বলেন, কিনতে না চাইলে চলে যান।’ একই এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ডিএপি ১০৫০ টাকার কথা, অথচ আমাকে কিনতে হয়েছে ১৫০০ টাকায়। দোকানে দামের রসিদ নেই, শুধু মুখের হিসাব।’
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই মাসে জেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে টিএসপি ১,৪০৬ টন ডিএপি ২,৬৯৩ টন, এমওপি ৩,১৩৬ টন ও ইউরিয়া ৬,৫৮৭ টন। জেলার পাঁচ উপজেলায় বিসিআইসির ৬২ জন এবং বিএডিসির ১৪৮ জন ডিলারের মাধ্যমে এই সার বিতরণ করা হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ডিলাররা সার তুলেছেন টিএসপি ১,২২১ টন, ডিএপি ২,৬২৭ টন, এমওপি ৩,০৮৪ টন ও ইউরিয়া ৬,১২৪ টন।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কাঁদোসুখা গ্রামের কৃষক আবদুর রহমান বলেন, ‘ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে যখন সার আসে, আগে থেকেই কিছু খুচরা ব্যবসায়ী তা কিনে নেন। আমাদের হাতে পড়ে না। পরে সেই সারই দোকান থেকে কিনতে হয় অতিরিক্ত দামে।’
তবে জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বরাদ্দের সারের একটি অংশ পাচার হয়ে যাচ্ছে পঞ্চগড়ের চা-বাগানে। ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি—সব ধরনের সারই ওই জেলায় পাচার হচ্ছে নিয়মিত। এতে স্থানীয় কৃষকেরা সংকটে পড়ছেন। সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকায় সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে ৯৪৭ বস্তা সার উদ্ধার করেছে সদর উপজেলা কৃষি অফিস ও যৌথ বাহিনী। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১১ লাখ টাকা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সার মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব মো. মাজেদুল ইসলাম বলেন, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার মজুত রয়েছে। তবে পাশের জেলা পঞ্চগড়ের কিছু ব্যবসায়ী ও চা-চাষিরা এখান থেকে সার নিয়ে যাওয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা—এমন অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা। বাজারে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অধিকাংশ দোকানে এসব সার মিলছে না নির্ধারিত দামে। অনেকে রসিদ না দিয়েই বাড়তি মূল্য নিচ্ছেন।
সরেজমিনে কয়েকটি উপজেলায় ঘুরে দেখা গেছে, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা সার দিচ্ছেন ‘সীমিত মজুতের’ কথা বলে অনাগ্রহ নিয়ে। আবার বেশি দামে কিনলে সার মিলছে সহজেই। তবে সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন অনেক বিক্রেতা। অনেকেই রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। কেউ কেউ সরকারনির্ধারিত দামের রসিদ দিলেও অতিরিক্ত নেওয়া টাকার কোনো হিসাব দিচ্ছেন না।
সদর উপজেলার কৃষক মনসুর আলী বলেন, ‘টিএসপি সার কিনেছি ১ হাজার ৮২০ টাকায়, অথচ সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা। এ কথা বললে বিক্রেতারা বলেন, কিনতে না চাইলে চলে যান।’ একই এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ডিএপি ১০৫০ টাকার কথা, অথচ আমাকে কিনতে হয়েছে ১৫০০ টাকায়। দোকানে দামের রসিদ নেই, শুধু মুখের হিসাব।’
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই মাসে জেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে টিএসপি ১,৪০৬ টন ডিএপি ২,৬৯৩ টন, এমওপি ৩,১৩৬ টন ও ইউরিয়া ৬,৫৮৭ টন। জেলার পাঁচ উপজেলায় বিসিআইসির ৬২ জন এবং বিএডিসির ১৪৮ জন ডিলারের মাধ্যমে এই সার বিতরণ করা হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ডিলাররা সার তুলেছেন টিএসপি ১,২২১ টন, ডিএপি ২,৬২৭ টন, এমওপি ৩,০৮৪ টন ও ইউরিয়া ৬,১২৪ টন।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কাঁদোসুখা গ্রামের কৃষক আবদুর রহমান বলেন, ‘ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে যখন সার আসে, আগে থেকেই কিছু খুচরা ব্যবসায়ী তা কিনে নেন। আমাদের হাতে পড়ে না। পরে সেই সারই দোকান থেকে কিনতে হয় অতিরিক্ত দামে।’
তবে জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বরাদ্দের সারের একটি অংশ পাচার হয়ে যাচ্ছে পঞ্চগড়ের চা-বাগানে। ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি—সব ধরনের সারই ওই জেলায় পাচার হচ্ছে নিয়মিত। এতে স্থানীয় কৃষকেরা সংকটে পড়ছেন। সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকায় সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে ৯৪৭ বস্তা সার উদ্ধার করেছে সদর উপজেলা কৃষি অফিস ও যৌথ বাহিনী। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১১ লাখ টাকা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও সার মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব মো. মাজেদুল ইসলাম বলেন, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার মজুত রয়েছে। তবে পাশের জেলা পঞ্চগড়ের কিছু ব্যবসায়ী ও চা-চাষিরা এখান থেকে সার নিয়ে যাওয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে