বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে পাকা করার জন্য চার বছর আগে একটি রাস্তার আধা কিলোমিটার অংশ খোঁড়া হয়। রাস্তা পাকা হচ্ছে, তাই এলাকাবাসীর কাছ থেকে মিষ্টি খেতে ৬৫ হাজার টাকাও নিয়েছিল উপজেলা প্রকৌশল অফিস। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তায় সামান্য বালু ও খোয়া ফেলে বিল তুলে পালিয়েছে। তবে এসব কোনো তথ্যই জানা নেই বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলীর।
এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিনের দাবির মুখে উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের বেংরোল জিয়াবাড়ী গ্রামের হায়দার আলীর মোড় থেকে তাহেরের বাড়ি পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কাজের অংশ হিসেবে ওই রাস্তার মাটি খোঁড়া হয়। তখন মিষ্টি খেতে দুই দফায় ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকৌশলী ও তাঁর লোকজন। এসব টাকা গ্রামবাসীর কাছ থেকে সংগ্রহ করে দিয়েছিলেন আব্দুল কাদের নামের এক ব্যক্তি। রাস্তা পাকা না হওয়ায় টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে গ্রামের লোকজন।
আব্দুল কাদের বলেন, ‘গ্রামবাসীর কাছ থেকে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ করে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা, পরে আরও ১৫ হাজার টাকা তুলে ইঞ্জিনিয়ার অফিসে দিয়েছি। কাজ না হওয়ায় গ্রামের লোকজন এখন আমার কাছে টাকা ফেরত চাইছে। কয়েক দিন আগে টাকা ফেরত না দেওয়ায় বাড়িতে ঢিল ছুড়েছে গ্রামের লোকজন। লজ্জায় হাট-বাজারে যেতে পারছি না।’
সাজু নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘শুনেছিলাম প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল এই রাস্তা নির্মাণে। তাড়াহুড়ো করে রাস্তা খুঁড়ল ঠিকাদার। মনে করেছিলাম দীর্ঘদিন পরে হলেও রাস্তা পাকা হচ্ছে, দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে গ্রামবাসী। এখন উল্টো দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এলজিইডি অফিসে খবর নিয়ে শুনেছি, ঠিকাদার বিল তুলে নিয়ে পালিয়েছে।’
বেংরোল জিয়াবাড়ী গ্রামের মনসুর আলম বলেন, এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেশী বেলালের বাড়িতে আগুন লেগেছিল। রাস্তা খুঁড়ে রাখার কারণে ফায়ার সার্ভিস সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। তা ছাড়া বর্ষার সময় কাদাপানিতে এই এলাকায় কেউ আসতে চায় না।
কলেজছাত্র আল আমিন বলেন, ‘বর্ষার সময় গাড়ি আসতে চায় না। কলেজে ইজিবাইকে যেতে চাইলে ভাড়া বেশি চায়। এই ভোগান্তি থেকে সবাই মুক্তি চায়।’
রাস্তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম, বরাদ্দসহ যাবতীয় তথ্যের জন্য একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হয়। তখন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম এ জন্য সময় চান। সাত দিন পর গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁর কাছে গেলে তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, ‘চার বছর আগের রাস্তার কাজ, এখন খবর নিতে আসছেন কেন? এমন তো হতে পারে ঠিকাদার ভুল করে ওই রাস্তার কাজ শুরু করেছিলেন। আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। এর বেশি কিছু জানি না।’
তবে ৬৫ হাজার টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য কে নিয়েছে, জানতে চাইলে জবাব দিতে অনীহা প্রকাশ করেন সাইফুল ইসলাম।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডির ঠাকুরগাঁও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাস্তা খুঁড়ে রাখবে ঠিকাদার, চার বছর ভোগান্তিতে থাকবে মানুষ, এটা হতে পারে না। সংবাদ প্রকাশ করেন, আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে পাকা করার জন্য চার বছর আগে একটি রাস্তার আধা কিলোমিটার অংশ খোঁড়া হয়। রাস্তা পাকা হচ্ছে, তাই এলাকাবাসীর কাছ থেকে মিষ্টি খেতে ৬৫ হাজার টাকাও নিয়েছিল উপজেলা প্রকৌশল অফিস। গ্রামবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তায় সামান্য বালু ও খোয়া ফেলে বিল তুলে পালিয়েছে। তবে এসব কোনো তথ্যই জানা নেই বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলীর।
এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিনের দাবির মুখে উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের বেংরোল জিয়াবাড়ী গ্রামের হায়দার আলীর মোড় থেকে তাহেরের বাড়ি পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কাজের অংশ হিসেবে ওই রাস্তার মাটি খোঁড়া হয়। তখন মিষ্টি খেতে দুই দফায় ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকৌশলী ও তাঁর লোকজন। এসব টাকা গ্রামবাসীর কাছ থেকে সংগ্রহ করে দিয়েছিলেন আব্দুল কাদের নামের এক ব্যক্তি। রাস্তা পাকা না হওয়ায় টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে গ্রামের লোকজন।
আব্দুল কাদের বলেন, ‘গ্রামবাসীর কাছ থেকে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ করে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা, পরে আরও ১৫ হাজার টাকা তুলে ইঞ্জিনিয়ার অফিসে দিয়েছি। কাজ না হওয়ায় গ্রামের লোকজন এখন আমার কাছে টাকা ফেরত চাইছে। কয়েক দিন আগে টাকা ফেরত না দেওয়ায় বাড়িতে ঢিল ছুড়েছে গ্রামের লোকজন। লজ্জায় হাট-বাজারে যেতে পারছি না।’
সাজু নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘শুনেছিলাম প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল এই রাস্তা নির্মাণে। তাড়াহুড়ো করে রাস্তা খুঁড়ল ঠিকাদার। মনে করেছিলাম দীর্ঘদিন পরে হলেও রাস্তা পাকা হচ্ছে, দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে গ্রামবাসী। এখন উল্টো দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এলজিইডি অফিসে খবর নিয়ে শুনেছি, ঠিকাদার বিল তুলে নিয়ে পালিয়েছে।’
বেংরোল জিয়াবাড়ী গ্রামের মনসুর আলম বলেন, এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেশী বেলালের বাড়িতে আগুন লেগেছিল। রাস্তা খুঁড়ে রাখার কারণে ফায়ার সার্ভিস সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। তা ছাড়া বর্ষার সময় কাদাপানিতে এই এলাকায় কেউ আসতে চায় না।
কলেজছাত্র আল আমিন বলেন, ‘বর্ষার সময় গাড়ি আসতে চায় না। কলেজে ইজিবাইকে যেতে চাইলে ভাড়া বেশি চায়। এই ভোগান্তি থেকে সবাই মুক্তি চায়।’
রাস্তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম, বরাদ্দসহ যাবতীয় তথ্যের জন্য একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হয়। তখন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম এ জন্য সময় চান। সাত দিন পর গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁর কাছে গেলে তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, ‘চার বছর আগের রাস্তার কাজ, এখন খবর নিতে আসছেন কেন? এমন তো হতে পারে ঠিকাদার ভুল করে ওই রাস্তার কাজ শুরু করেছিলেন। আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। এর বেশি কিছু জানি না।’
তবে ৬৫ হাজার টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য কে নিয়েছে, জানতে চাইলে জবাব দিতে অনীহা প্রকাশ করেন সাইফুল ইসলাম।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডির ঠাকুরগাঁও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাস্তা খুঁড়ে রাখবে ঠিকাদার, চার বছর ভোগান্তিতে থাকবে মানুষ, এটা হতে পারে না। সংবাদ প্রকাশ করেন, আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৮ ঘণ্টা আগে