
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জুলাই সনদে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে পূরণ করবে বিএনপি। তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদে যা যা সই করেছি, তার সবগুলোই পূরণ করব। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা কাজগুলো শুরু করতে যাচ্ছি। আমাদের যে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে, তা-ও পর্যায়ক্রমে কার্যকরী করা হবে।’
আজ শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় পৈতৃক বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রংপুর বিভাগে জামায়াত বেশি আসন পাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। কিন্তু দিনাজপুর জেলায় জামায়াত একটি আসনও পায়নি। বৃহত্তর দিনাজপুরের ১১টি আসনের সব কটিতে বিএনপি জয়লাভ করেছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের মানুষ অত্যন্ত সুন্দর, শান্তিপ্রিয় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এই জয় যেমন আমাদের জন্য আনন্দের, তেমনি এতে মিশে আছে গভীর বেদনা। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া থাকলে আজ এই আনন্দ আরও বহুগুণ বেড়ে যেত। যিনি সারা জীবন গণতন্ত্র ও অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছেন, সেই নেত্রী আজ আমাদের মাঝে নেই—এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয়।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ শেষে মির্জা ফখরুল স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জয় পেয়েছে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ৪১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সর্বশেষ ফলাফলে দেখা গেছে, বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে বিএনপি এবং তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
৯ মিনিট আগে
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
৩১ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
৩৭ মিনিট আগে