সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

‘আমি ইচ্ছা করলেই ফুড়ুৎ কইরা গণভবনে যাইতে পারি, কিন্তু বঙ্গবীর চাইলেও তা পারেন না।’ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয় এই মন্তব্য করেছেন। গতকাল সোমবার রাতে সখীপুর উপজেলার বানিয়ারছিট এলাকায় এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম) তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়কে উদ্দেশ করে বলেন, ‘জয় বাবা, তুমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারো নাই।’
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রোববার অনুপম শাহজাহান জয় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ সময় সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার, বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার জয়ের সফরসঙ্গী ছিলেন। এই ছবি ফেসবুকে দেখার পর হঠাৎ ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগের প্রচারে নতুন করে গতি পায়। নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা বেশ উজ্জীবিত হয়।
এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে সখীপুর উপজেলার লাঙ্গুলিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে পথসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘জয় নাকি প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দেখা করেছে। আমি তো ইচ্ছা করলে এখনই পারি। কিন্তু একটা কথা বলি, জয় বাবা, তুমি দেখা করতে পারো নাই। এখন তোমার সঙ্গে দেখা করার মতো সময় প্রধানমন্ত্রীর নাই।’
এ মন্তব্যের জবাবে সোমবার রাতে সখীপুর উপজেলার বানিয়ারছিট এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্য করে অনুপম শাহজাহান জয় বলেন, ‘বঙ্গবীর প্রধানমন্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বাবাকেও (প্রয়াত সংসদ সদস্য শওকত মমেন শাহজাহান) ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। সেই হিসেবে আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা। ভাতিজারা ইচ্ছা করলেই ফুড়ুৎ কইরা গণভবনে যেতে পারে, কিন্তু ভাইয়েরা পারে না।’
এ সময় কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্য করে জয় আরও বলেন, ‘আপনি অনেক দিন গণভবনে ঢুকতে চেয়েছেন, কিন্তু আপনাকে ঢুকতে দেয়নি।’

‘আমি ইচ্ছা করলেই ফুড়ুৎ কইরা গণভবনে যাইতে পারি, কিন্তু বঙ্গবীর চাইলেও তা পারেন না।’ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয় এই মন্তব্য করেছেন। গতকাল সোমবার রাতে সখীপুর উপজেলার বানিয়ারছিট এলাকায় এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম) তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়কে উদ্দেশ করে বলেন, ‘জয় বাবা, তুমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারো নাই।’
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রোববার অনুপম শাহজাহান জয় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ সময় সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার, বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার জয়ের সফরসঙ্গী ছিলেন। এই ছবি ফেসবুকে দেখার পর হঠাৎ ঝিমিয়ে পড়া আওয়ামী লীগের প্রচারে নতুন করে গতি পায়। নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা বেশ উজ্জীবিত হয়।
এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে সখীপুর উপজেলার লাঙ্গুলিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে পথসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘জয় নাকি প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দেখা করেছে। আমি তো ইচ্ছা করলে এখনই পারি। কিন্তু একটা কথা বলি, জয় বাবা, তুমি দেখা করতে পারো নাই। এখন তোমার সঙ্গে দেখা করার মতো সময় প্রধানমন্ত্রীর নাই।’
এ মন্তব্যের জবাবে সোমবার রাতে সখীপুর উপজেলার বানিয়ারছিট এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্য করে অনুপম শাহজাহান জয় বলেন, ‘বঙ্গবীর প্রধানমন্ত্রীকে বোন বলে সম্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বাবাকেও (প্রয়াত সংসদ সদস্য শওকত মমেন শাহজাহান) ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। সেই হিসেবে আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা। ভাতিজারা ইচ্ছা করলেই ফুড়ুৎ কইরা গণভবনে যেতে পারে, কিন্তু ভাইয়েরা পারে না।’
এ সময় কাদের সিদ্দিকীকে উদ্দেশ্য করে জয় আরও বলেন, ‘আপনি অনেক দিন গণভবনে ঢুকতে চেয়েছেন, কিন্তু আপনাকে ঢুকতে দেয়নি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে