প্রতিনিধি, ঘাটাইল

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের লাইভ স্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এলএসপি) মো. সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের মধ্যে প্রণোদনার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের কাছ থেকে টাকার ভাগ চান তিনি। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কৃষকেরা ঠিকমতো প্রণোদনার টাকা পাননি। এমন অভিযোগ থাকলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এর দায় নিতে অস্বীকার করে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইভ স্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) অধীনে ঘাটাইল উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে একজন করে লাইভ স্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এলএসপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পশু খামারিদের তালিকা তৈরি করার জন্য তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রণোদনার নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি খামারিকে দশ থেকে বিশ হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়।
মো. সেলিম মিয়া ধলাপাড়া ইউনিয়নের ৬২ জন খামারিকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে একটি তালিকা করেন। এই তালিকা করতে গিয়ে তিনি নানা ধরনের আর্থিক অনিয়ম করেছেন বলে খামারিরা অভিযোগ করেছেন।
আষাঢ়িয়াচালা গ্রামের ১০ জন তালিকাভুক্ত খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেলিম তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন হারে টাকা নিয়েছেন। তালিকা করার সময় তিনি নানা ধরনের শর্ত দেন। কারও কাছে এক হাজার টাকা আবার কারও কাছে তিনি প্রণোদনার অর্ধেক টাকা দাবি করেন। অধিকাংশ খামারি আপসে টাকা দিলেও দুজন মহিলা খামারির কাছ থেকে সেলিম প্রতারণা করে টাকা নিয়েছেন।
যারা সেলিমকে টাকা দিতে রাজি হননি তারা প্রণোদনা পাননি এমন অভিযোগ করে আষাঢ়িয়াচালা গ্রামের সদর সিকদার কাজী মোস্তফা, জাহিদ হাসান, রফিকুল ইসলাম, আবদুল কাদের। তাঁরা এক হাজার করে টাকা দিয়ে প্রণোদনার ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার পর্যন্ত টাকা পেয়েছেন। তবে রিনা খাতুন ও কোহিনুর বেগম এর কাছ থেকে প্রতারণা করে প্রণোদনার অর্ধেক টাকা নিয়েছেন। তাঁরা দুজন ১৬ হাজার করে পেয়েছেন। সেলিম প্রত্যেকের কাছ থেকে আট হাজার করে রেখে দিয়েছেন। অর্ধেক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় জহুরা বেগম ও শিরিনা আক্তারের ভাগ্যে প্রণোদনার টাকা জোটেনি।
খামারিরা বলেন, আমরা প্রণোদনার টাকার কথা জানতাম না। সেলিম আমাদের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তাই দু-এক হাজার টাকা দিতে আমাদের আপত্তি ছিল না। কিন্তু সে কারও কারও অর্ধেক টাকা মেরে দিয়েছে। আবার অর্ধেক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অনেক খামারিকে সে তালিকাভুক্ত করেনি। মূলত জহুরা বেগম ও শিরিনা আক্তারকে টাকা না দেওয়ার কারণে এই বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।
ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, সেলিম মিয়া খামারিদের কাছে থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। আমি তাঁকে টাকা ফেরত দিতে বলেছি।
ধলাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এজাহারুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি সত্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে যে পাঁচজনের নাম দিয়েছিলাম সেলিম তাঁদের কাছ থেকেও এক হাজার করে টাকা নিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ধলাপাড়া ইউনিয়নের এলএসপি মো. সেলিম মিয়া টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আজ আছরের নামাজের পর চেয়ারম্যান বাড়িতে বসে ঘটনা মিটমাট করে দেবেন। আমি যত টাকা নিয়েছিলাম সব টাকা ফেরত দেব।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. বাহাউদ্দীন সরোয়ার রিজভী বলেন, ধলাপাড়া ইউনিয়নে খামারিদের প্রণোদনার তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্ব ছিল এলএসপি মো. সেলিম মিয়ার ওপর। সে যদি আর্থিক অনিয়ম ও প্রতারণা করে থাকে তবে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অনিয়মের সঙ্গে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের লাইভ স্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এলএসপি) মো. সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের মধ্যে প্রণোদনার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের কাছ থেকে টাকার ভাগ চান তিনি। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কৃষকেরা ঠিকমতো প্রণোদনার টাকা পাননি। এমন অভিযোগ থাকলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এর দায় নিতে অস্বীকার করে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইভ স্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) অধীনে ঘাটাইল উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে একজন করে লাইভ স্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এলএসপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পশু খামারিদের তালিকা তৈরি করার জন্য তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রণোদনার নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি খামারিকে দশ থেকে বিশ হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়।
মো. সেলিম মিয়া ধলাপাড়া ইউনিয়নের ৬২ জন খামারিকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে একটি তালিকা করেন। এই তালিকা করতে গিয়ে তিনি নানা ধরনের আর্থিক অনিয়ম করেছেন বলে খামারিরা অভিযোগ করেছেন।
আষাঢ়িয়াচালা গ্রামের ১০ জন তালিকাভুক্ত খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেলিম তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন হারে টাকা নিয়েছেন। তালিকা করার সময় তিনি নানা ধরনের শর্ত দেন। কারও কাছে এক হাজার টাকা আবার কারও কাছে তিনি প্রণোদনার অর্ধেক টাকা দাবি করেন। অধিকাংশ খামারি আপসে টাকা দিলেও দুজন মহিলা খামারির কাছ থেকে সেলিম প্রতারণা করে টাকা নিয়েছেন।
যারা সেলিমকে টাকা দিতে রাজি হননি তারা প্রণোদনা পাননি এমন অভিযোগ করে আষাঢ়িয়াচালা গ্রামের সদর সিকদার কাজী মোস্তফা, জাহিদ হাসান, রফিকুল ইসলাম, আবদুল কাদের। তাঁরা এক হাজার করে টাকা দিয়ে প্রণোদনার ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার পর্যন্ত টাকা পেয়েছেন। তবে রিনা খাতুন ও কোহিনুর বেগম এর কাছ থেকে প্রতারণা করে প্রণোদনার অর্ধেক টাকা নিয়েছেন। তাঁরা দুজন ১৬ হাজার করে পেয়েছেন। সেলিম প্রত্যেকের কাছ থেকে আট হাজার করে রেখে দিয়েছেন। অর্ধেক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় জহুরা বেগম ও শিরিনা আক্তারের ভাগ্যে প্রণোদনার টাকা জোটেনি।
খামারিরা বলেন, আমরা প্রণোদনার টাকার কথা জানতাম না। সেলিম আমাদের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তাই দু-এক হাজার টাকা দিতে আমাদের আপত্তি ছিল না। কিন্তু সে কারও কারও অর্ধেক টাকা মেরে দিয়েছে। আবার অর্ধেক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অনেক খামারিকে সে তালিকাভুক্ত করেনি। মূলত জহুরা বেগম ও শিরিনা আক্তারকে টাকা না দেওয়ার কারণে এই বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।
ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, সেলিম মিয়া খামারিদের কাছে থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। আমি তাঁকে টাকা ফেরত দিতে বলেছি।
ধলাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এজাহারুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি সত্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে যে পাঁচজনের নাম দিয়েছিলাম সেলিম তাঁদের কাছ থেকেও এক হাজার করে টাকা নিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ধলাপাড়া ইউনিয়নের এলএসপি মো. সেলিম মিয়া টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আজ আছরের নামাজের পর চেয়ারম্যান বাড়িতে বসে ঘটনা মিটমাট করে দেবেন। আমি যত টাকা নিয়েছিলাম সব টাকা ফেরত দেব।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. বাহাউদ্দীন সরোয়ার রিজভী বলেন, ধলাপাড়া ইউনিয়নে খামারিদের প্রণোদনার তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্ব ছিল এলএসপি মো. সেলিম মিয়ার ওপর। সে যদি আর্থিক অনিয়ম ও প্রতারণা করে থাকে তবে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অনিয়মের সঙ্গে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে