টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে। বিএনপি যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, সেটি অবাস্তব ও সংবিধানবিরোধী। আজ শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধু আকাশি ক্লাব আয়োজিত ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপির হরতাল, অবরোধ, গণসমাবেশ, গণ-অবস্থান, মানববন্ধনসহ আন্দোলন-আন্দোলন খেলা চলতে থাকবে। তবে আমি মনে করি, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
এর আগে উপজেলা হলরুমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন তিনি।
সভায় ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনকে তারা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে তারা বর্জন করে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল-অবরোধ করেছে, মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না বলে খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৯০ দিন আন্দোলনের পর ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সুবোধ বালকের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।’
ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য ছোট মনির, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে। বিএনপি যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, সেটি অবাস্তব ও সংবিধানবিরোধী। আজ শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধু আকাশি ক্লাব আয়োজিত ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিএনপির হরতাল, অবরোধ, গণসমাবেশ, গণ-অবস্থান, মানববন্ধনসহ আন্দোলন-আন্দোলন খেলা চলতে থাকবে। তবে আমি মনে করি, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
এর আগে উপজেলা হলরুমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন তিনি।
সভায় ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনকে তারা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে তারা বর্জন করে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল-অবরোধ করেছে, মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না বলে খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৯০ দিন আন্দোলনের পর ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সুবোধ বালকের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।’
ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য ছোট মনির, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে