ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন পারাপার বেড়েছে। শেষ মুহূর্তে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। আর টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫০ টাকা, যা এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৪৩ হাজার তিনটি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা।
অন্যদিকে ঢাকাগামী ২১ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ২৫০ টাকা। বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১২ হাজার ৪৩৪টি বেশি যানবাহন পার হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ঈদযাত্রায় ২৭ জুন রাত ১২টার পর থেকে ২৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে পরিবহন পারাপার হয়েছিল ৫৫ হাজার ৪৮৮টি। এতে সেতুতে টোল আদায় হয়েছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে সেতুর ওপর দিয়ে মোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ২৫০ টাকা।
যমুনা সেতুর ম্যানেজার (টোল অপারেশন) প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও সেতুর ওপর গাড়ি বিকল হওয়ায় বেশ কয়েক দফায় টোল আদায় বন্ধ ছিল। ঈদযাত্রায় উভয় পাশেই ৯টি করে বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুটি বুথ। এক দিনে যমুনা সেতু দিয়ে ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন থেকে ৪ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন পারাপার বেড়েছে। শেষ মুহূর্তে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। আর টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫০ টাকা, যা এক দিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৪৩ হাজার তিনটি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা।
অন্যদিকে ঢাকাগামী ২১ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ২৫০ টাকা। বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১২ হাজার ৪৩৪টি বেশি যানবাহন পার হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ঈদযাত্রায় ২৭ জুন রাত ১২টার পর থেকে ২৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে পরিবহন পারাপার হয়েছিল ৫৫ হাজার ৪৮৮টি। এতে সেতুতে টোল আদায় হয়েছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে সেতুর ওপর দিয়ে মোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ২৫০ টাকা।
যমুনা সেতুর ম্যানেজার (টোল অপারেশন) প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও সেতুর ওপর গাড়ি বিকল হওয়ায় বেশ কয়েক দফায় টোল আদায় বন্ধ ছিল। ঈদযাত্রায় উভয় পাশেই ৯টি করে বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুটি বুথ। এক দিনে যমুনা সেতু দিয়ে ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন থেকে ৪ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে