Ajker Patrika

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩৩ হাজার গাড়ি পারাপার, টোল আদায় ৩ কোটি টাকা

বাসস  
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩৩ হাজার গাড়ি পারাপার, টোল আদায় ৩ কোটি টাকা
যমুনা সেতু। ফাইল ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও যমুনা সেতু দিয়ে ঘরে ফিরছে উত্তরবঙ্গের মানুষ। এতে যমুনা সেতুতে বাড়তে শুরু করেছে গণপরিবহনের চাপ।যমুনা সেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে গাজীপুরের পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখী মানুষের চাপে যোগ হয়েছে বাড়তি মাত্রা।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ যানবাহন পারাপার হয়েছে, যেই সংখ্যা হলো ৩২ হাজার ৬৪৯টি। তবে, গাড়ির চাপ থাকলেও স্বস্তির খবর হলো এখন পর্যন্ত মহাসড়কে কোনো যানজট নেই। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলছে বলে জানিয়েছে তারা।

আজ রোববার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার (২৩ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৬ হাজার ৭৫৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭ হাজার ১৫০ টাকা। অপরদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৮৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ টাকা।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত যমুনা সেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঈদ এলেই অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যমুনা সেতু সংযোগ মহাসড়ক দিয়ে উত্তর অঞ্চলের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করায় এই অঞ্চলে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে উত্তরাঞ্চলগামী ঘরমুখো যাত্রী ও কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে প্রায় আট শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং পশুবাহী ট্রাকের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদকে সামনে রেখে ক্রমশই গণপরিবহনের চাপ বাড়ছে। ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত চাপ সামলাতে এবং দ্রুত টোল আদায়ে মোটরসাইকেলের জন্য দুটি করে মোট ৪টি পৃথক বুথসহ মোট ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, যানজট নিরসনে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশে জেলা পুলিশের আট শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে ধীর গতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পার্কিং ঠেকাতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এসপি আরও বলেন, এ মহাসড়কে যানবাহন বিকল হলে বা সড়কে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দ্রুত সরাতে বিভিন্ন পয়েন্টে সাতটি রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মহাসড়কে যাতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ঢুকতে না পারে সে দিকে জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে। আশা করছি সবার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হবে না।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

হাসপাতালে যাওয়ার পথেই থেমে গেল জীবন, একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫

রাশিয়ার প্রতিশোধ: কিয়েভে ভয়াবহ হামলা, ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ‘মোটামুটি চূড়ান্ত’ বলছেন ট্রাম্প, উদ্বেগে ইসরায়েল

শেরপুরে শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, সহযোগী গ্রেপ্তার

রেললাইনে খড় শুকানোয় চাকা স্লিপ করে সকালে তিন ট্রেন বিলম্ব, জানালেন মন্ত্রী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত