নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

২০ সপ্তাহের বকেয়া বেতনসহ ১১ দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিলেটের চা-শ্রমিকেরা। আজ রোববার নগরীর আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কের মালনীছড়া এলাকায় এই বিক্ষোভ করেন তাঁরা। তিন ঘণ্টা পর প্রশাসনের আশ্বাস ও দাবি আদায়ে লিখিত দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে অবরোধ প্রত্যাহার করেন চা-শ্রমিকেরা।
পরে চা–শ্রমিকদের পাঁচজন প্রতিনিধি আলোচনার জন্য উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে যান। এ সময় বাকি শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে গিয়ে পার্শ্ববর্তী মালনীছড়া চা-বাগানে অবস্থান নেন। লিখিত প্রতিশ্রুতি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে জানান তাঁরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ চা–শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা ও চা–বাগান রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক রঞ্জিত নায়েক রঞ্জু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে হবে। এখনো উপজেলা অফিসে আলোচনা চলছে।’
এদিকে দুপুর থেকে শুরু হওয়া অবরোধের ফলে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে শ্রমিক নেতা অজিত রায় বলেন, ‘৫ মাস ধরে আমাদের বেতন বন্ধ, রেশন বন্ধ। আমাদের একটাই কথা, আমাদের সমস্যা সমাধান করতে হবে। অন্যথায় আমরা রাস্তা ছাড়ব না। আপনারা আমাদের রাস্তায় নামিয়েছেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে জানিয়ে আসছি আমাদের সমস্যাগুলো। কারও কোনো পদক্ষেপ নেই।’
অজিত রায় আরও বলেন, ‘কতগুলো মানুষ না খেয়ে রয়েছে, কার্ড নিয়ে গেলেও তাদের রেশন দেওয়া হয়নি। তাদের দুর্বিষহ জীবন আপনারা তো দেখেন নাই। আপনারা আমাদের নির্দিষ্ট করে লিখিত আকারে জানান, কবে আপনারা এ সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।’

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়্যাৎ বলেন, ‘আমরা আপনাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের বকেয়া বেতনসহ যা দাবি আছে, তা যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূরণ হয়, তার জন্য আমরা কাজ করছি।’
প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত দেওয়ার বিষয়ে ইউএনও বলেন, ‘আপনারা অনেক দিন ধৈর্য ধারণ করেছেন। আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী আজকেই আমরা লিখিতভাবে জানাব যে কবে আমরা এ সমস্যা সমাধান করতে পারব। এখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তো আর লিখিত দেওয়া সম্ভব না। আপনারা পাঁচজন প্রতিনিধি পঞ্চায়েতসহ আমার অফিসে চলেন। আমরা লিখিতভাবে জানাব।’ এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে বলে জানান ইউএনও।

২০ সপ্তাহের বকেয়া বেতনসহ ১১ দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিলেটের চা-শ্রমিকেরা। আজ রোববার নগরীর আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কের মালনীছড়া এলাকায় এই বিক্ষোভ করেন তাঁরা। তিন ঘণ্টা পর প্রশাসনের আশ্বাস ও দাবি আদায়ে লিখিত দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে অবরোধ প্রত্যাহার করেন চা-শ্রমিকেরা।
পরে চা–শ্রমিকদের পাঁচজন প্রতিনিধি আলোচনার জন্য উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে যান। এ সময় বাকি শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে গিয়ে পার্শ্ববর্তী মালনীছড়া চা-বাগানে অবস্থান নেন। লিখিত প্রতিশ্রুতি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে জানান তাঁরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ চা–শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা ও চা–বাগান রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক রঞ্জিত নায়েক রঞ্জু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে হবে। এখনো উপজেলা অফিসে আলোচনা চলছে।’
এদিকে দুপুর থেকে শুরু হওয়া অবরোধের ফলে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে শ্রমিক নেতা অজিত রায় বলেন, ‘৫ মাস ধরে আমাদের বেতন বন্ধ, রেশন বন্ধ। আমাদের একটাই কথা, আমাদের সমস্যা সমাধান করতে হবে। অন্যথায় আমরা রাস্তা ছাড়ব না। আপনারা আমাদের রাস্তায় নামিয়েছেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে জানিয়ে আসছি আমাদের সমস্যাগুলো। কারও কোনো পদক্ষেপ নেই।’
অজিত রায় আরও বলেন, ‘কতগুলো মানুষ না খেয়ে রয়েছে, কার্ড নিয়ে গেলেও তাদের রেশন দেওয়া হয়নি। তাদের দুর্বিষহ জীবন আপনারা তো দেখেন নাই। আপনারা আমাদের নির্দিষ্ট করে লিখিত আকারে জানান, কবে আপনারা এ সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।’

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়্যাৎ বলেন, ‘আমরা আপনাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের বকেয়া বেতনসহ যা দাবি আছে, তা যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূরণ হয়, তার জন্য আমরা কাজ করছি।’
প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত দেওয়ার বিষয়ে ইউএনও বলেন, ‘আপনারা অনেক দিন ধৈর্য ধারণ করেছেন। আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী আজকেই আমরা লিখিতভাবে জানাব যে কবে আমরা এ সমস্যা সমাধান করতে পারব। এখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তো আর লিখিত দেওয়া সম্ভব না। আপনারা পাঁচজন প্রতিনিধি পঞ্চায়েতসহ আমার অফিসে চলেন। আমরা লিখিতভাবে জানাব।’ এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে বলে জানান ইউএনও।

প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই অসহায় বৃদ্ধা বসবাস করেন নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে। কামারকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ঘেঁষা একটি ছোট, জীর্ণ ঘরই তাঁর একমাত্র আশ্রয়। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার দিনে দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে যায়। জীবনের শেষ বয়সে তাঁর ভরসা বলতে একমাত্র ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
৭ ঘণ্টা আগে