সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিন (৬) হত্যার ঘটনায় দুই মূলহোতা শামীমা বেগম মার্জিয়ার নানি ও আলিফজান বেগমের মা কুতুবজান বিবি (৮৫) মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ছাউরা গ্রামে ছোটভাইয়ের বাড়িতে মারা যান তিনি।
গত রোববার (১০ নভেম্বর) মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ কুতুবজানকে আটক করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই দিন বিকেলে মেম্বারের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. সম্রাট তালুকদার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, কানাইঘাটের আলোচিত মুনতাহা হত্যার ১ নম্বর আসামি কুতুবজান বিবি ইন্তেকাল করেছেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, কুতুবজান বিবি এই মামলার আসামি নয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কুতুবজান বিবির নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে রোববার ভোরে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি বিছনাচারিত ছিলেন। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা না থাকায় তাঁকে ওইদিন বিকেলে স্থানীয় মেম্বারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে মারা গেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলোচিত মুনতাহা হত্যা মামলার সব গ্রেপ্তারকৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতের রিমান্ডের নির্দেশ মোতাবেক বর্তমানে কানাইঘাট থানা হাজতে আছেন।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনার বয়স প্রায় ৯০ বছর হবে। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ রোববার রাতে আমার জিম্মায় উনাকে ছেড়ে দেয়। পরে আমি খোঁজ নিয়ে ভাইদের কাছে দেই। যোহরের নামাজের পরে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।’
আরও পড়ৃন:

সিলেটের শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিন (৬) হত্যার ঘটনায় দুই মূলহোতা শামীমা বেগম মার্জিয়ার নানি ও আলিফজান বেগমের মা কুতুবজান বিবি (৮৫) মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ছাউরা গ্রামে ছোটভাইয়ের বাড়িতে মারা যান তিনি।
গত রোববার (১০ নভেম্বর) মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ কুতুবজানকে আটক করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই দিন বিকেলে মেম্বারের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. সম্রাট তালুকদার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, কানাইঘাটের আলোচিত মুনতাহা হত্যার ১ নম্বর আসামি কুতুবজান বিবি ইন্তেকাল করেছেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, কুতুবজান বিবি এই মামলার আসামি নয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কুতুবজান বিবির নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে রোববার ভোরে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি বিছনাচারিত ছিলেন। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা না থাকায় তাঁকে ওইদিন বিকেলে স্থানীয় মেম্বারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে মারা গেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আলোচিত মুনতাহা হত্যা মামলার সব গ্রেপ্তারকৃত আসামি বিজ্ঞ আদালতের রিমান্ডের নির্দেশ মোতাবেক বর্তমানে কানাইঘাট থানা হাজতে আছেন।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনার বয়স প্রায় ৯০ বছর হবে। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ রোববার রাতে আমার জিম্মায় উনাকে ছেড়ে দেয়। পরে আমি খোঁজ নিয়ে ভাইদের কাছে দেই। যোহরের নামাজের পরে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।’
আরও পড়ৃন:

পাবনার সুজানগরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে সাগর শেখ ওরফে মাসুদ রানা (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার তাঁতিবন্ধ ইউনিয়নের রেলস্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
সিআইডির প্রধান জানান, পাচার চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়ে বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেয়। পরে তাঁদেরকে অবৈধভাবে লিবিয়া পাঠানো হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ডিঙি নৌকায় তোলা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানী থেকে টেলিগ্রামভিত্তিক প্রতারণা চক্রের পাঁচ চীনা নাগরিকসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বসুন্ধরা ও উত্তরা পশ্চিম এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে