আব্দুর রব, মৌলভীবাজার

বাবুই আর চড়ুই নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন কবি রজনীকান্ত সেন।
অনেকের নিশ্চয়ই মনে আছে সে কবিতা, আমরা শুধু দুটো পঙ্ক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিই। বাবুইকে বলছিল চড়ুই: ‘আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে’ কিন্তু সে সুখ বুঝি সইল না চড়ুইয়ের। আজ তাদের অট্টালিকা ছেড়ে ঠাঁই হলো বিদ্যুতের তারে। কবির দেখা চড়ুই পাখিদের অট্টালিকায় মহাসুখে থাকার দিন শেষ! কিন্তু তাতে মানুষের চোখের আরাম হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা শহরের ব্যস্ততম এলাকা চৌমুহনী চত্বরের সেন্ট্রাল রোডে গেলে দেখা যাবে এক অসাধারণ দৃশ্য। সেখানে পাঁচ-ছয়টি বিদ্যুতের খুঁটিতে আশ্রয় নিয়েছে হাজারো চড়ুই পাখি।
সন্ধ্যা হলো কি না সেটা বোঝা যায় এই চড়ুইদের কিচিরমিচিরে। সন্ধ্যার একটু আগে থেকেই শোনা যায় এই ডাক। কিচিরমিচির কিচিরমিচির। পাখিদের এক তার থেকে অন্য তারে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে যে কারও ভালো লাগবে।
প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে ভিড় করেন স্রেফ এই দৃশ্য দেখবেন বলে। কেউ কেউ ছবি তোলেন, কেউ কেউ ভিডিও করে নিয়ে যান।
কোনো বাড়ি নয়, বিদ্যুতের খুঁটিই এখন চড়ুইয়ের আশ্রয়স্থল।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবাক হয়ে লক্ষ করছেন, যতই দিন যাচ্ছে এই তারে চড়ুই পাখির সংখ্যা ততই বাড়ছে। মাস দু-এক হলো চড়ুই পাখিরা এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের দেখার জন্য সন্ধ্যার পর পাখিপ্রেমীরা আসেন এখানে।
একটা অবাক করা ব্যাপার হলো, দিনের বেলা এই চড়ুইদের খুব একটা দেখা যায় না।
কেন হঠাৎ বাড়ির বাইরে চলে আসতে হলো চড়ুইদের? স্থানীয় বাসিন্দা অমিত রা বলেছেন তাঁর ভাবনার কথা। ‘আগের মতো চড়ুইরা আর বাসাবাড়িতে ঠাঁই পায় না। বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে অনেকে তাড়িয়ে দেন তাদের, ফলে পথই তাদের ঠিকানা এখন।’
পরিবেশকর্মী ও সমাজকর্মী সোনিয়া মান্নান জানান তাঁর পর্যবেক্ষণের কথা। তিনি বলেন, খড়কুটো, শুকনো ঘাস-পাতা দিয়ে কড়িকাঠে, কার্নিশে বাসা বেঁধে বসবাস করে চড়ুই পাখি। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে। সারা দিন লাফিয়ে লাফিয়ে খাবার খোঁজে। সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে ফিরে আসে নিজের বাড়িতে।
একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, মাটি থেকে শস্য খুঁটে খাচ্ছে চড়ুই। কে না জানে, এই পাখিটি পরিবেশ-সহায়ক। এদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে মানুষকেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর জাহান সরকার চড়ুই পাখি সম্পর্কে বলেন, ‘এই পাখি পরিবেশবান্ধব। প্রকৃতিতে চড়ুইয়ের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
আমাদের অসচেতনতার কারণে আমরা সেটা বুঝতে পারি না। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রকৃতি থেকে চড়ুইয়ের বিলুপ্তি ঠেকাতে হবে।’
কীভাবে বিলুপ্তি ঠেকানো যাবে? সহজ কাজ সেটা। বাসাবাড়ির বারান্দায় যদি চড়ুই পাখির বাসের উপযোগী করে দু-একটা ছোট বাক্স বেঁধে রাখা হয়, তাহলে বিলুপ্তির হাত থেকে যেমন চড়ুই বাঁচবে, তেমনি বাড়ির শিশুরাও আনন্দ পাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ছোটবেলা থেকেই শিশুরা একদিন হয়ে উঠবে প্রকৃতিপ্রেমী।

বাবুই আর চড়ুই নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন কবি রজনীকান্ত সেন।
অনেকের নিশ্চয়ই মনে আছে সে কবিতা, আমরা শুধু দুটো পঙ্ক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিই। বাবুইকে বলছিল চড়ুই: ‘আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে’ কিন্তু সে সুখ বুঝি সইল না চড়ুইয়ের। আজ তাদের অট্টালিকা ছেড়ে ঠাঁই হলো বিদ্যুতের তারে। কবির দেখা চড়ুই পাখিদের অট্টালিকায় মহাসুখে থাকার দিন শেষ! কিন্তু তাতে মানুষের চোখের আরাম হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা শহরের ব্যস্ততম এলাকা চৌমুহনী চত্বরের সেন্ট্রাল রোডে গেলে দেখা যাবে এক অসাধারণ দৃশ্য। সেখানে পাঁচ-ছয়টি বিদ্যুতের খুঁটিতে আশ্রয় নিয়েছে হাজারো চড়ুই পাখি।
সন্ধ্যা হলো কি না সেটা বোঝা যায় এই চড়ুইদের কিচিরমিচিরে। সন্ধ্যার একটু আগে থেকেই শোনা যায় এই ডাক। কিচিরমিচির কিচিরমিচির। পাখিদের এক তার থেকে অন্য তারে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে যে কারও ভালো লাগবে।
প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে ভিড় করেন স্রেফ এই দৃশ্য দেখবেন বলে। কেউ কেউ ছবি তোলেন, কেউ কেউ ভিডিও করে নিয়ে যান।
কোনো বাড়ি নয়, বিদ্যুতের খুঁটিই এখন চড়ুইয়ের আশ্রয়স্থল।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবাক হয়ে লক্ষ করছেন, যতই দিন যাচ্ছে এই তারে চড়ুই পাখির সংখ্যা ততই বাড়ছে। মাস দু-এক হলো চড়ুই পাখিরা এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের দেখার জন্য সন্ধ্যার পর পাখিপ্রেমীরা আসেন এখানে।
একটা অবাক করা ব্যাপার হলো, দিনের বেলা এই চড়ুইদের খুব একটা দেখা যায় না।
কেন হঠাৎ বাড়ির বাইরে চলে আসতে হলো চড়ুইদের? স্থানীয় বাসিন্দা অমিত রা বলেছেন তাঁর ভাবনার কথা। ‘আগের মতো চড়ুইরা আর বাসাবাড়িতে ঠাঁই পায় না। বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে অনেকে তাড়িয়ে দেন তাদের, ফলে পথই তাদের ঠিকানা এখন।’
পরিবেশকর্মী ও সমাজকর্মী সোনিয়া মান্নান জানান তাঁর পর্যবেক্ষণের কথা। তিনি বলেন, খড়কুটো, শুকনো ঘাস-পাতা দিয়ে কড়িকাঠে, কার্নিশে বাসা বেঁধে বসবাস করে চড়ুই পাখি। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের তারসহ বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে। সারা দিন লাফিয়ে লাফিয়ে খাবার খোঁজে। সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে ফিরে আসে নিজের বাড়িতে।
একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, মাটি থেকে শস্য খুঁটে খাচ্ছে চড়ুই। কে না জানে, এই পাখিটি পরিবেশ-সহায়ক। এদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে মানুষকেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর জাহান সরকার চড়ুই পাখি সম্পর্কে বলেন, ‘এই পাখি পরিবেশবান্ধব। প্রকৃতিতে চড়ুইয়ের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
আমাদের অসচেতনতার কারণে আমরা সেটা বুঝতে পারি না। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রকৃতি থেকে চড়ুইয়ের বিলুপ্তি ঠেকাতে হবে।’
কীভাবে বিলুপ্তি ঠেকানো যাবে? সহজ কাজ সেটা। বাসাবাড়ির বারান্দায় যদি চড়ুই পাখির বাসের উপযোগী করে দু-একটা ছোট বাক্স বেঁধে রাখা হয়, তাহলে বিলুপ্তির হাত থেকে যেমন চড়ুই বাঁচবে, তেমনি বাড়ির শিশুরাও আনন্দ পাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ছোটবেলা থেকেই শিশুরা একদিন হয়ে উঠবে প্রকৃতিপ্রেমী।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে