
সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৯ জন সন্দেহজনক হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া ২৭ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মারা যাওয়া দুই শিশু হলো সিলেট সদর উপজেলার মনিপুরিপাড়ার দিগলাল দাশের ১০ মাস ২৯ দিন বয়সী ছেলে অবিনন্দন দাশ এবং সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার রহমতপুর গ্রামের তালেবের এক বছর ছয় মাস বয়সী মেয়ে জান্নাত। তারা দুজনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও সন্দেহজনক হামে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মারা গেছে ছয়জন এবং সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ১১২ জন।
একই সময়ে নতুন করে ২৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে মোট ৭৫৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হলো।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১১৯ জন সন্দেহজনক হামের রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৪ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫১ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৩০৩ জন সন্দেহজনক হামের রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সিলেটের সহকারী পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম বলেন, ‘পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে।’

সাবেক প্রতিমন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় পরলোকগমন করেছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৯ নম্বর মঙ্গলপুর ইউনিয়নের মোস্তফাবাদ গ্রামের নিজ বাড়িতে বার্ধক্যের কারণে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
৩ মিনিট আগে
একসময় টাঙ্গাইল শহরের সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র ছিল ঐতিহ্যবাহী ভাসানী হল। ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এখন জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে এই ভাসানী হলে নেই প্রাণচাঞ্চল্য। এই হল এক যুগের বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত। এর বারান্দায় বসছে পানের দোকান। এর চত্বর দখল করেছে ট্রাকস্ট্যান্ড। বসে মাদকের আড্ডা।
৬ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারসংলগ্ন ফটকি নদীর ওপর সেতু নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। ১৬ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দে নির্মিত সেতুটির এক পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না। অপর দিকে পাশের পুরোনো সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে দুই উপজেলার বাসিন্দারা।
৬ ঘণ্টা আগে
দুর্গম যমুনার চর। চারদিকে শুধু বালু আর বালু। মানুষের বসতি নেই, নেই কোলাহল। সেই জনমানবহীন চরেই সূর্যের আলো কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি চলছে। বগুড়া-জামালপুর সীমান্তঘেঁষা মাদারগঞ্জে যমুনা নদীর তীরবর্তী কাইজার চরে নির্মাণ করা হচ্ছে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
৬ ঘণ্টা আগে