
দেশে ড্রাগন ফল চাষ হওয়ায় দাম এখন হাতের নাগালে। প্রকার ভেদে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে পাওয়া যায় এই ফলটি। তবে কখনো কি শুনেছেন দুটি ড্রাগন ফলের দাম ৪৫ হাজার টাকা! বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও সত্য। এমনই এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যে রাতে কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নের পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এই মাহফিলে একজনের দান করা দুটি ড্রাগন ফল ৪৫ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি হয়।
স্থানীয়রা জানান, পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসা ওয়াজ মাহফিলে লিপু সুলতানা চৌধুরী নামে একজন দুটি ড্রাগন ফল মাদ্রাসায় দান করেন। মধ্য রাতে মাহফিলের শেষ বক্তা শায়খুল হাদীস মুফতি মুশাহিদ আলী ক্বাসেমী ড্রাগন ফল দুটি প্রকাশ্যে নিলামে তোলেন। নিলামের একপর্যায়ে সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে ফল দুটি কেনেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আলমগীর চৌধুরী।
ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে অংশ গ্রহণকারী শ্রোতারা বলেন, মাহফিল শেষে দোয়ার আগে ড্রাগন ফল দুটি নিলামে তোলা হয়। ২ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। যারাই নিলামে অংশ গ্রহণ করেছেন সবার উদ্দেশ্য হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা।
পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাদ্রাসার ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী টিপু সুলতান চৌধুরী দুটি ড্রাগন ফল দান করেন। পরে এই দুটি ফল নিলামে তোলা হলে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। মূলত এই ফল এত দামে বিক্রি হওয়ার কারণ হলো মাদ্রাসায় সহযোগিতা করা। যিনি ফল কিনেছেন তিনি হলেন আমদের মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি যুক্তরাজ্যপ্রবাসী।
ড্রাগন ফল, মাদ্রাসা, মাহফিল, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট বিভাগ, জেলার খবর

দেশে ড্রাগন ফল চাষ হওয়ায় দাম এখন হাতের নাগালে। প্রকার ভেদে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে পাওয়া যায় এই ফলটি। তবে কখনো কি শুনেছেন দুটি ড্রাগন ফলের দাম ৪৫ হাজার টাকা! বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও সত্য। এমনই এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে।
গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যে রাতে কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নের পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এই মাহফিলে একজনের দান করা দুটি ড্রাগন ফল ৪৫ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি হয়।
স্থানীয়রা জানান, পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসা ওয়াজ মাহফিলে লিপু সুলতানা চৌধুরী নামে একজন দুটি ড্রাগন ফল মাদ্রাসায় দান করেন। মধ্য রাতে মাহফিলের শেষ বক্তা শায়খুল হাদীস মুফতি মুশাহিদ আলী ক্বাসেমী ড্রাগন ফল দুটি প্রকাশ্যে নিলামে তোলেন। নিলামের একপর্যায়ে সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে ফল দুটি কেনেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আলমগীর চৌধুরী।
ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে অংশ গ্রহণকারী শ্রোতারা বলেন, মাহফিল শেষে দোয়ার আগে ড্রাগন ফল দুটি নিলামে তোলা হয়। ২ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। যারাই নিলামে অংশ গ্রহণ করেছেন সবার উদ্দেশ্য হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা।
পতনঊষার ইসলামিয়া মালিকিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাদ্রাসার ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী টিপু সুলতান চৌধুরী দুটি ড্রাগন ফল দান করেন। পরে এই দুটি ফল নিলামে তোলা হলে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। মূলত এই ফল এত দামে বিক্রি হওয়ার কারণ হলো মাদ্রাসায় সহযোগিতা করা। যিনি ফল কিনেছেন তিনি হলেন আমদের মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি যুক্তরাজ্যপ্রবাসী।
ড্রাগন ফল, মাদ্রাসা, মাহফিল, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট বিভাগ, জেলার খবর

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে