নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটের জৈন্তাপুর সড়ক দুর্ঘটনায় চার ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যুর পর চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মো. সালাহ উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে স্থানীয় অজ্ঞাত ৩০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার থানায় মামলা করেছেন। আজ রোববার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শনে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের ও বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) তিন সদস্যের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ ছাড়া সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হারুন অর রশিদ দু’জন সহকারী সার্জন, দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে গোয়াইনঘাট থেকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সংযুক্ত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের চার কর্মী আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। তাৎক্ষণিক সেখানে কর্তব্যরত কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। তবে একজন এক্স-রে অপারেটর ছিলেন।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীসহ এলাকার লোকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে আসে। আহত ছাত্রলীগ কর্মীদের নিকটাত্মীয়রাও আসেন। তাঁরা বলেন, রোগীদের নিয়ে আসার পর দায়িত্বরত চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। এক্স-রে অপারেটর সত্তার মিয়া তখন কর্তব্যরত ডাক্তার হিল্লোল শাহকে ফোন কল করে ডেকে আনেন। আহতদের অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়নি। টিএইচও সালাহ উদ্দিন মিয়াকে একাধিক নেতা–কর্মী কল দিলেও তিনি আসেননি।
ওই চার ছাত্রলীগ কর্মীর স্বজন ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা বলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাতে দেরি করা এবং চালক না থাকার অজুহাতে আহতদের সিলেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না দেওয়ায় স্থানীয় নেতা–কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ ছাড়া অন্যান্য সময়ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা না পাওয়ার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশও ঘটে এ সময়। একপর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা চালান তাঁরা। ওই সময় কে বা কারা জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও সালাহ উদ্দিন মিয়ার গাড়িতে আগুন দেয়। খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা–পুলিশ ধীর গতিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছার কারণে উত্তেজিত জনতা হামলা ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়।
এদিকে মামলা হওয়ার কারণে এখন কেউ আর এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না। অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। তাঁরা এখন হয়রানির ভয় করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি আজকের পত্রিকাকে বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কোনো বিভাগেই সাধারণত চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। এই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেন। কারও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানাও আছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাহউদ্দিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোয়া ১২টায় আমি ডা. হিল্লোল সাহার ফোন পেয়ে থানায় ফোন করি এবং নিচে নেমে আসি। আর কেউ আমাকে ফোন করেননি। আশপাশের তিন উপজেলার রোগীদের সেবা দেয় জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।’ এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তার প্রশ্ন, ‘সেবার মান ভালো না হলে মানুষ কেন আসে?’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (কো–অর্ডিনেশন) ডা. আবু সৈয়দ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন স্বাক্ষরিত আদেশে আজ সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জৈন্তাপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তিন সদস্যের টিম।
এ ছাড়া নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পরিদর্শনে আসেন অতিরিক্ত সচিব স্বাস্থ্য বিভাগ (নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অনুবিভাগ) এনামুল হাবিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উপপরিচালক (পারসোনাল) ডা. মো. বদ্দিউজ্জামান।
পরিদর্শনে যান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যের তদন্ত টিম। এ দলে ছিলেন—বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীমের ৩ সদস্যের টিম এবং সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হারুন অর রশিদ, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, সিলেটের অ্যাডিশনাল এসপি (ট্রাফিক) রফিকুল ইসলাম, জৈন্তাপুর কানাইঘাট সার্কেল এএসপি অলক শর্মা প্রমুখ।
পরিদর্শনকারী ও তদন্ত টিমের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যক্তি, চিকিৎসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পৃথক পৃথক ভাবে ঘটনার বর্ণনা শোনেন।
অতিরিক্ত সচিব এনামুল হাবিব বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আমি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত টিম প্রতিবেদন দেবে। যে কোনো পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা চালু রাখতে হবে।’
তদন্ত দলের সদস্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের তদন্ত আজ হতে শুরু হয়েছে পরবর্তীতে জানানো হবে।’
সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত জানান, স্বাস্থ্য সেবা যেন ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলছে।’
এলাকায় হয়রানির আতঙ্কের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জৈন্তাপুর-কানাইঘাট সার্কেল এএসপি অলক শর্মা বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকাবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীদের আইনে আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

সিলেটের জৈন্তাপুর সড়ক দুর্ঘটনায় চার ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যুর পর চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মো. সালাহ উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে স্থানীয় অজ্ঞাত ৩০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার থানায় মামলা করেছেন। আজ রোববার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শনে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের ও বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) তিন সদস্যের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ ছাড়া সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হারুন অর রশিদ দু’জন সহকারী সার্জন, দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে গোয়াইনঘাট থেকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সংযুক্ত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের চার কর্মী আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। তাৎক্ষণিক সেখানে কর্তব্যরত কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। তবে একজন এক্স-রে অপারেটর ছিলেন।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীসহ এলাকার লোকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে আসে। আহত ছাত্রলীগ কর্মীদের নিকটাত্মীয়রাও আসেন। তাঁরা বলেন, রোগীদের নিয়ে আসার পর দায়িত্বরত চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। এক্স-রে অপারেটর সত্তার মিয়া তখন কর্তব্যরত ডাক্তার হিল্লোল শাহকে ফোন কল করে ডেকে আনেন। আহতদের অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়নি। টিএইচও সালাহ উদ্দিন মিয়াকে একাধিক নেতা–কর্মী কল দিলেও তিনি আসেননি।
ওই চার ছাত্রলীগ কর্মীর স্বজন ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা বলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাতে দেরি করা এবং চালক না থাকার অজুহাতে আহতদের সিলেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না দেওয়ায় স্থানীয় নেতা–কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ ছাড়া অন্যান্য সময়ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা না পাওয়ার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশও ঘটে এ সময়। একপর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা চালান তাঁরা। ওই সময় কে বা কারা জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও সালাহ উদ্দিন মিয়ার গাড়িতে আগুন দেয়। খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা–পুলিশ ধীর গতিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছার কারণে উত্তেজিত জনতা হামলা ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়।
এদিকে মামলা হওয়ার কারণে এখন কেউ আর এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না। অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। তাঁরা এখন হয়রানির ভয় করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি আজকের পত্রিকাকে বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কোনো বিভাগেই সাধারণত চিকিৎসককে পাওয়া যায় না। এই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেন। কারও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানাও আছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাহউদ্দিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোয়া ১২টায় আমি ডা. হিল্লোল সাহার ফোন পেয়ে থানায় ফোন করি এবং নিচে নেমে আসি। আর কেউ আমাকে ফোন করেননি। আশপাশের তিন উপজেলার রোগীদের সেবা দেয় জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।’ এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তার প্রশ্ন, ‘সেবার মান ভালো না হলে মানুষ কেন আসে?’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (কো–অর্ডিনেশন) ডা. আবু সৈয়দ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন স্বাক্ষরিত আদেশে আজ সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জৈন্তাপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তিন সদস্যের টিম।
এ ছাড়া নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পরিদর্শনে আসেন অতিরিক্ত সচিব স্বাস্থ্য বিভাগ (নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অনুবিভাগ) এনামুল হাবিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উপপরিচালক (পারসোনাল) ডা. মো. বদ্দিউজ্জামান।
পরিদর্শনে যান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যের তদন্ত টিম। এ দলে ছিলেন—বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীমের ৩ সদস্যের টিম এবং সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হারুন অর রশিদ, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, সিলেটের অ্যাডিশনাল এসপি (ট্রাফিক) রফিকুল ইসলাম, জৈন্তাপুর কানাইঘাট সার্কেল এএসপি অলক শর্মা প্রমুখ।
পরিদর্শনকারী ও তদন্ত টিমের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যক্তি, চিকিৎসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পৃথক পৃথক ভাবে ঘটনার বর্ণনা শোনেন।
অতিরিক্ত সচিব এনামুল হাবিব বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আমি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত টিম প্রতিবেদন দেবে। যে কোনো পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা চালু রাখতে হবে।’
তদন্ত দলের সদস্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের তদন্ত আজ হতে শুরু হয়েছে পরবর্তীতে জানানো হবে।’
সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত জানান, স্বাস্থ্য সেবা যেন ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলছে।’
এলাকায় হয়রানির আতঙ্কের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জৈন্তাপুর-কানাইঘাট সার্কেল এএসপি অলক শর্মা বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকাবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীদের আইনে আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

জীবনে কোনো ইবাদত না করেও কেউ যদি বিড়ি (সিগারেট) টেনে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দেয় আর তা আল্লাহ কবুল করেন, তাহলে তার পেছনের সব গুনাহ মাফ—এমন মন্তব্য করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।
১২ মিনিট আগে
খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর প্রকল্পের জমি ভরাটের কাজে পাহাড় কাটার অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে তদন্ত কমিটি। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী রামগড় আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল (স্থলবন্দর) এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
১৪ মিনিট আগে
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির নাম হিরাজ মিয়া (৫৫)।
২১ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের একটি আবাসিক হোটেলের লিফটে আটকে পড়া বরসহ ১০ জনকে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকার খান টাওয়ারে অবস্থিত হোটেল শেরাটনের নিচতলার একটি দেয়াল ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
২৪ মিনিট আগে