শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নুর মো. বায়েজীদ নামে এক ছাত্রলীগের কর্মীকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে প্রক্টরদের উপস্থিততে তাঁকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
আটক নুর মো. বায়েজীদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ শাবিপ্রবি শাখার সক্রিয় কর্মী ও পদপ্রত্যাশী ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, আটক ছাত্রলীগ কর্মী বিগত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। তবে ১৫ জুলাই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়। এতে করে ছাত্রলীগের তোপের মুখে পড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শাবিপ্রবি শাখার সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছি। আটক শিক্ষার্থী আমাদের আন্দোলনে প্রথম দিকে সক্রিয় থাকলেও পরবর্তীতে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়। এর প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে অনেকে আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে বিরোধিতা করায় তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করেছি। তাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।’
এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের টিম হাজির হয়ে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে যথোপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি শিক্ষার্থীরা একজনকে আটক করেছে। পরবর্তীতে আমরা সেখানে সহকারী প্রক্টরদের পাঠাই। প্রক্টর ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নুর মো. বায়েজীদ নামে এক ছাত্রলীগের কর্মীকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে প্রক্টরদের উপস্থিততে তাঁকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
আটক নুর মো. বায়েজীদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ শাবিপ্রবি শাখার সক্রিয় কর্মী ও পদপ্রত্যাশী ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, আটক ছাত্রলীগ কর্মী বিগত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। তবে ১৫ জুলাই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়। এতে করে ছাত্রলীগের তোপের মুখে পড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শাবিপ্রবি শাখার সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছি। আটক শিক্ষার্থী আমাদের আন্দোলনে প্রথম দিকে সক্রিয় থাকলেও পরবর্তীতে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়। এর প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে অনেকে আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে বিরোধিতা করায় তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করেছি। তাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।’
এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের টিম হাজির হয়ে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে যথোপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি শিক্ষার্থীরা একজনকে আটক করেছে। পরবর্তীতে আমরা সেখানে সহকারী প্রক্টরদের পাঠাই। প্রক্টর ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
১৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩৭ মিনিট আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে