জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

ইংল্যান্ডপ্রবাসী তরুণীর সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর কৌশলে ভিডিও কলে মোবাইল ফোনে ছবি ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ছবি আর ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা। এমন অভিযোগে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শিব্বির আহমদ (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার ওই তরুণীর চাচা বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় শিব্বির আহমদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও অর্থ আত্মসাৎ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযুক্তকে নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত শিব্বির জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবপুর (দক্ষিণপাড়া) এলাকার রহমত আলীর ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী ওই তরুণী। অভিযুক্ত শিব্বির ওই তরুণীর বাড়িতে প্রাইভেট কারচালকের কাজ করতেন। সেই সুবাদে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের ফাঁদ পেতে সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই যুবক। কিছুদিন পর ওই তরুণী আবার ইংল্যান্ডে চলে গেলেও শিব্বিরের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলে কথা বলতেন। তখন কৌশলে ওই তরুণীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন শিব্বির। এরপর কিছুদিন যেতে না যেতে প্রকাশ পায় শিব্বিরের প্রতারণার আসল রূপ। একপর্যায়ে সে ওই তরুণীর কাছ থেকে ছবি আর ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা।
মামলার বাদী ওই তরুণীর চাচা বলেন, ‘শিব্বির কৌশলে আমার ভাতিজির ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। গত শুক্রবার সে ফোনের মাধ্যমে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করলে আমার ভাতিজি বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা আইনের আশ্রয় নেই।’
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইংল্যান্ডপ্রবাসী ওই তরুণীর চাচা মামলা দায়ের করায় শিব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। গতকাল শনিবার আসামিকে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

ইংল্যান্ডপ্রবাসী তরুণীর সঙ্গে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর কৌশলে ভিডিও কলে মোবাইল ফোনে ছবি ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ছবি আর ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা। এমন অভিযোগে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শিব্বির আহমদ (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার ওই তরুণীর চাচা বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় শিব্বির আহমদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ও অর্থ আত্মসাৎ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযুক্তকে নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত শিব্বির জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবপুর (দক্ষিণপাড়া) এলাকার রহমত আলীর ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী ওই তরুণী। অভিযুক্ত শিব্বির ওই তরুণীর বাড়িতে প্রাইভেট কারচালকের কাজ করতেন। সেই সুবাদে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের ফাঁদ পেতে সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই যুবক। কিছুদিন পর ওই তরুণী আবার ইংল্যান্ডে চলে গেলেও শিব্বিরের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলে কথা বলতেন। তখন কৌশলে ওই তরুণীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন শিব্বির। এরপর কিছুদিন যেতে না যেতে প্রকাশ পায় শিব্বিরের প্রতারণার আসল রূপ। একপর্যায়ে সে ওই তরুণীর কাছ থেকে ছবি আর ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা।
মামলার বাদী ওই তরুণীর চাচা বলেন, ‘শিব্বির কৌশলে আমার ভাতিজির ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। গত শুক্রবার সে ফোনের মাধ্যমে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করলে আমার ভাতিজি বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা আইনের আশ্রয় নেই।’
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইংল্যান্ডপ্রবাসী ওই তরুণীর চাচা মামলা দায়ের করায় শিব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। গতকাল শনিবার আসামিকে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে