সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) ও আমির উদ্দিন (৩০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ও ছাতক উপজেলার হায়দরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন গ্রামের পাশে হাওরে গরু আনতে যান। এ সময় হঠাৎ করে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। সেখান থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গ্রামের অন্য কয়েকজন কৃষক ও যুবক দেখে দৌড়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে পাশের উপজেলার কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসকেরা দেলোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম আলী। তিনি বলেন, বজ্রপাতে এক যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। নিহত যুবকের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অন্যদিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার হায়দরপুর গ্রামে বজ্রপাতে আমির উদ্দিন (৩০) নামের আরও এক হাঁসের খামারির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের হায়দরপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের জমি থেকে হাঁস আনতে যান আমির উদ্দিন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে গ্রামের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বজ্রপাতে আমির উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান আকন্দ।

সুনামগঞ্জের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) ও আমির উদ্দিন (৩০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ও ছাতক উপজেলার হায়দরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন গ্রামের পাশে হাওরে গরু আনতে যান। এ সময় হঠাৎ করে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। সেখান থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গ্রামের অন্য কয়েকজন কৃষক ও যুবক দেখে দৌড়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে পাশের উপজেলার কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসকেরা দেলোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম আলী। তিনি বলেন, বজ্রপাতে এক যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। নিহত যুবকের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অন্যদিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার হায়দরপুর গ্রামে বজ্রপাতে আমির উদ্দিন (৩০) নামের আরও এক হাঁসের খামারির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের হায়দরপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের জমি থেকে হাঁস আনতে যান আমির উদ্দিন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে গ্রামের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বজ্রপাতে আমির উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান আকন্দ।

চট্টগ্রামের কক্সবাজারে রহিদ বড়ুয়া (১৯) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিজিবি ক্যাম্পের পশ্চিমপাড়ায় বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
৩৮ মিনিট আগে
অনেকটা পাগলের মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী, এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। এসব খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক...
৩৮ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মেডলার গ্রুপ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানা যা
১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। গুমের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিন শুরু
১ ঘণ্টা আগে