জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের মানুষের বেশির ভাগ হাওরের ফসলের ওপর নির্ভরশীল। পাহাড়ি ঢলে ফসলহানির আশঙ্কায় কাটে তাঁদের দিন। এখন বেধেছে আরেক নতুন বিপত্তি। পাহাড়ি ঢলে আসছে বিপুল পরিমাণ বালু। এই বালু জমছে কৃষিজমিতে। এতে উর্বরা শক্তি হারাবে ভূমি। ফসল উৎপাদন যাবে কমে। এ যেন হাওরের মানুষে জন্য এক নতুন হুমকি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এন্ড্রু সলমার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ২০০৭ সাল থেকে পাহাড়ি বালু আসছে। তবে সবচেয়ে বেশি আসছে এ বছর। এসব বালু-পাথর হাওরে যাচ্ছে। এভাবে বালু আসতে থাকলে ভবিষ্যতে তা হাওরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
হাওর অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জ। জেলার ২৭ লাখ জনগোষ্ঠীর ৭৫ শতাংশ মানুষ বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। এক ফসলের ওপর নির্ভরশীল জেলার মানুষ বোরো মৌসুমে দুশ্চিন্তায় থাকেন ফসলডুবি নিয়ে। আর এই ফসলডুবি থেকে রক্ষায় সরকার প্রতিবছর প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করে। ২০১৭ সালে ভয়াবহ বন্যার কারণে এবং ঠিকাদারদের বাঁধ নির্মাণের অনিয়মের ফলে শতভাগ ফসল তলিয়ে যায় পানিতে। এরপর বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষায় সরকারের নানামুখী তৎপরতায় বন্যায় ফসল হানির দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।
তার পরও চলতি বছরের আগস্টেই তিন দফা পাহাড়ি ঢলে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের কৃষিব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত মাসের প্রথম ও তৃতীয় সপ্তাহে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল তীব্র স্রোত হয়ে ওই এলাকা দিয়ে নামে। এতে চানপুর ও রজনী লাইনের প্রায় ৫০০ মিটার পাকা সড়ক সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে এখন খালে রূপ নিয়েছে।
তাহিরপুর সীমান্তে ঢলের সঙ্গে বালু-পাথর এসে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভারতের খাসিয়া পাহাড় থেকে এসব বালু ও পাথর আসা বন্ধ না হলে অচিরেই টাঙ্গুয়ার হাওরসহ এলাকার বিস্তৃত জলাভূমি ও হাওর ভরাট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বিভিন্ন সময় পাহাড়ি ঢলে আসা বালু জমে ওইসব এলাকার প্রায় ৭৫০ হেক্টর কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়েছে।
এ বছর কৃষিজমিতে বেশি বালু জমেছে তাহিরপুরে দক্ষণ বড়দল ইউনিয়নের চানপুর ও রজনী লাইন এলাকা, দক্ষিণ শ্রীপুর এলাকার লাকমাছাড়া এবং বাঁধাঘাট ইউনিয়নের লাউড়ের গড় এলাকায়।
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি সুখেন্দু সেন বলেন, পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে ভারতের খাসিয়া ও মেঘালয় থেকে বালু-পাথর এসে নদীগুলো তার নিজস্ব প্রাণ হারাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে হাওরে। জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীগুলো খনন করা হলে হাওরে পানির চাপ কমবে। অন্যথায় পাহাড়ি ঢল এলে নদী উপচে সহজে হাওরে পানি প্রবেশ করবে। এতে ফসলহানিসহ জমিতে বালু জমে দীর্ঘমেয়াদ উৎপাদন কমে যাবে।
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘পাহাড়ি বালু-পাথর ঢলের সঙ্গে আসবেই। তবে আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে ছড়াগুলো খনন করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

সুনামগঞ্জের মানুষের বেশির ভাগ হাওরের ফসলের ওপর নির্ভরশীল। পাহাড়ি ঢলে ফসলহানির আশঙ্কায় কাটে তাঁদের দিন। এখন বেধেছে আরেক নতুন বিপত্তি। পাহাড়ি ঢলে আসছে বিপুল পরিমাণ বালু। এই বালু জমছে কৃষিজমিতে। এতে উর্বরা শক্তি হারাবে ভূমি। ফসল উৎপাদন যাবে কমে। এ যেন হাওরের মানুষে জন্য এক নতুন হুমকি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এন্ড্রু সলমার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ২০০৭ সাল থেকে পাহাড়ি বালু আসছে। তবে সবচেয়ে বেশি আসছে এ বছর। এসব বালু-পাথর হাওরে যাচ্ছে। এভাবে বালু আসতে থাকলে ভবিষ্যতে তা হাওরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
হাওর অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জ। জেলার ২৭ লাখ জনগোষ্ঠীর ৭৫ শতাংশ মানুষ বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। এক ফসলের ওপর নির্ভরশীল জেলার মানুষ বোরো মৌসুমে দুশ্চিন্তায় থাকেন ফসলডুবি নিয়ে। আর এই ফসলডুবি থেকে রক্ষায় সরকার প্রতিবছর প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ করে। ২০১৭ সালে ভয়াবহ বন্যার কারণে এবং ঠিকাদারদের বাঁধ নির্মাণের অনিয়মের ফলে শতভাগ ফসল তলিয়ে যায় পানিতে। এরপর বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষায় সরকারের নানামুখী তৎপরতায় বন্যায় ফসল হানির দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।
তার পরও চলতি বছরের আগস্টেই তিন দফা পাহাড়ি ঢলে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের কৃষিব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত মাসের প্রথম ও তৃতীয় সপ্তাহে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢল তীব্র স্রোত হয়ে ওই এলাকা দিয়ে নামে। এতে চানপুর ও রজনী লাইনের প্রায় ৫০০ মিটার পাকা সড়ক সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে এখন খালে রূপ নিয়েছে।
তাহিরপুর সীমান্তে ঢলের সঙ্গে বালু-পাথর এসে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভারতের খাসিয়া পাহাড় থেকে এসব বালু ও পাথর আসা বন্ধ না হলে অচিরেই টাঙ্গুয়ার হাওরসহ এলাকার বিস্তৃত জলাভূমি ও হাওর ভরাট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বিভিন্ন সময় পাহাড়ি ঢলে আসা বালু জমে ওইসব এলাকার প্রায় ৭৫০ হেক্টর কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়েছে।
এ বছর কৃষিজমিতে বেশি বালু জমেছে তাহিরপুরে দক্ষণ বড়দল ইউনিয়নের চানপুর ও রজনী লাইন এলাকা, দক্ষিণ শ্রীপুর এলাকার লাকমাছাড়া এবং বাঁধাঘাট ইউনিয়নের লাউড়ের গড় এলাকায়।
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি সুখেন্দু সেন বলেন, পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে ভারতের খাসিয়া ও মেঘালয় থেকে বালু-পাথর এসে নদীগুলো তার নিজস্ব প্রাণ হারাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে হাওরে। জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীগুলো খনন করা হলে হাওরে পানির চাপ কমবে। অন্যথায় পাহাড়ি ঢল এলে নদী উপচে সহজে হাওরে পানি প্রবেশ করবে। এতে ফসলহানিসহ জমিতে বালু জমে দীর্ঘমেয়াদ উৎপাদন কমে যাবে।
জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘পাহাড়ি বালু-পাথর ঢলের সঙ্গে আসবেই। তবে আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে ছড়াগুলো খনন করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে