শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক রবিউল আকরাম। রোববার দিবাগত রাত ১২টায় শাল্লা থানায় এই জিডি করেন তিনি।
জিডি সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটি আবাসিক চিকিৎসকের মোবাইলে ফোন দিয়ে শাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার নানা ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। এমনকি শাল্লা হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিনা আক্তারের পক্ষ নিয়ে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
এর মধ্যে এই হুমকি দেওয়ার একটি অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। অডিও রেকর্ডে চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তাকে শাসিয়ে বলেন, ‘ওই মহিলাকে আমরা চাচ্ছি। আপনি কেন বেশি বাড়াবাড়ি করছেন। আপনার যদি ভালো না লাগে শাল্লা থেকে চলে যান। তবুও ওই মহিলার বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না। আর যদি বলেন তাহলে কাল আসছি হাসপাতালে আপনাকে দেখে নেব।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিনা আক্তার শাল্লায় যোগদানের পর থেকেই নানা বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। কোভিড ১৯ স্বেচ্ছাসেবীদের ৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের তদন্ত করে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় সত্যতা পান। এরপর থেকেই হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোনো কারণ ছাড়াই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন সেলিনা। আর এসবের প্রতিবাদ করাতেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে শাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারকে দিয়ে এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানান ডা. রবিউল আকরাম।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ডা. রবিউল আকরাম জিডি করেছেন। জিডিটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক রবিউল আকরাম। রোববার দিবাগত রাত ১২টায় শাল্লা থানায় এই জিডি করেন তিনি।
জিডি সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটি আবাসিক চিকিৎসকের মোবাইলে ফোন দিয়ে শাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার নানা ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। এমনকি শাল্লা হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিনা আক্তারের পক্ষ নিয়ে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
এর মধ্যে এই হুমকি দেওয়ার একটি অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। অডিও রেকর্ডে চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তাকে শাসিয়ে বলেন, ‘ওই মহিলাকে আমরা চাচ্ছি। আপনি কেন বেশি বাড়াবাড়ি করছেন। আপনার যদি ভালো না লাগে শাল্লা থেকে চলে যান। তবুও ওই মহিলার বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না। আর যদি বলেন তাহলে কাল আসছি হাসপাতালে আপনাকে দেখে নেব।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিনা আক্তার শাল্লায় যোগদানের পর থেকেই নানা বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। কোভিড ১৯ স্বেচ্ছাসেবীদের ৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের তদন্ত করে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় সত্যতা পান। এরপর থেকেই হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোনো কারণ ছাড়াই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন সেলিনা। আর এসবের প্রতিবাদ করাতেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে শাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারকে দিয়ে এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানান ডা. রবিউল আকরাম।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ডা. রবিউল আকরাম জিডি করেছেন। জিডিটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে