সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে ও ভারতের মেঘালয়ে অতিবৃষ্টির কারণে উজান থেকে ঢল নামছে। এতে সীমান্তবর্তী জাদুকাটা ও ধোপাজান নদী দিয়ে বিভিন্ন হাওরে ঢলের পানি প্রবেশ করছে। এ কারণে বালু-পাথর তোলার শ্রমিকেরা বিপাকে পড়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, পানি বাড়া অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
পাউবো থেকে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আজ বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড হয়েছে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ৯১ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
এদিকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি বাড়া অব্যাহত ছিল। আগামী ৭২ ঘণ্টা ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পাউবো।
সুনামগঞ্জে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ‘সীমান্তবর্তী জাদুকাটা ও ধোপাজান নদী বেয়ে ঢলের পানি বিভিন্ন হাওরে প্রবেশ করছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে যদি ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত বৃষ্টিপাত হয়। তাহলে আমাদের এই অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।’
আজ সকালে জেলার তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে ঢল আসায় নদী তীরবর্তী শাহিদাবাদ গ্রামের কিছু অংশ ভাঙনের কবলে পড়ে। এভাবে ঢল অব্যাহত থাকলে আরও ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
তাহিরপুরের শাহিদাবাদ গ্রামের এরাশদ মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ ঢলের পানি এসে আমাদের গ্রামের কিছু অংশ ভাঙনের কবলে পড়েছে। জাদুকাটা নদীতে ঢলের পানি আসায় নদীতে বালু-পাথর তোলার সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। নদীতে ঢল থাকায় ঝুঁকি নিয়ে কেউই কাজে যাচ্ছেন না।’
তাহিরপুরের লাউড়ের গড় গ্রামের বালুশ্রমিক মাসুক মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ কইরা ঢল আইছে। আমরা কাজে যেতে পারছি না। নদীতে স্রোত বেশি। এই অবস্থায় আমরা কাজ কর্মহীন আছি।’
ঢলের পানি হাওরে ঢুকছে বলে জানান পাউবোর আরেক নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘এখন যেহেতু হাওর ফাঁকা আছে সেহেতু ঢলের পানি হাওরের দিকে যাবে। তবে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।’

সুনামগঞ্জে ও ভারতের মেঘালয়ে অতিবৃষ্টির কারণে উজান থেকে ঢল নামছে। এতে সীমান্তবর্তী জাদুকাটা ও ধোপাজান নদী দিয়ে বিভিন্ন হাওরে ঢলের পানি প্রবেশ করছে। এ কারণে বালু-পাথর তোলার শ্রমিকেরা বিপাকে পড়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, পানি বাড়া অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
পাউবো থেকে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আজ বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড হয়েছে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ৯১ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
এদিকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি বাড়া অব্যাহত ছিল। আগামী ৭২ ঘণ্টা ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পাউবো।
সুনামগঞ্জে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ‘সীমান্তবর্তী জাদুকাটা ও ধোপাজান নদী বেয়ে ঢলের পানি বিভিন্ন হাওরে প্রবেশ করছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে যদি ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত বৃষ্টিপাত হয়। তাহলে আমাদের এই অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।’
আজ সকালে জেলার তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে ঢল আসায় নদী তীরবর্তী শাহিদাবাদ গ্রামের কিছু অংশ ভাঙনের কবলে পড়ে। এভাবে ঢল অব্যাহত থাকলে আরও ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
তাহিরপুরের শাহিদাবাদ গ্রামের এরাশদ মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ ঢলের পানি এসে আমাদের গ্রামের কিছু অংশ ভাঙনের কবলে পড়েছে। জাদুকাটা নদীতে ঢলের পানি আসায় নদীতে বালু-পাথর তোলার সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। নদীতে ঢল থাকায় ঝুঁকি নিয়ে কেউই কাজে যাচ্ছেন না।’
তাহিরপুরের লাউড়ের গড় গ্রামের বালুশ্রমিক মাসুক মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ কইরা ঢল আইছে। আমরা কাজে যেতে পারছি না। নদীতে স্রোত বেশি। এই অবস্থায় আমরা কাজ কর্মহীন আছি।’
ঢলের পানি হাওরে ঢুকছে বলে জানান পাউবোর আরেক নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘এখন যেহেতু হাওর ফাঁকা আছে সেহেতু ঢলের পানি হাওরের দিকে যাবে। তবে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে