প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যখন সার দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, ঠিক তখন থেকেই সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার মানুষজনের মাঝে টিকা নেওয়ার বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি। এর মধ্যে উপজেলার হাওর পাড়ের গ্রামগুলোর লোকজনের মধ্যেই টিকা নিয়ে অনাগ্রহীর সংখ্যা বেশি।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা চিকিৎসক মির্জা রিয়াদ হাসান জানান, হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার মানুষজনের মাঝে টিকা গ্রহণ নিয়ে নানা সংশয় কাজ করছে। তাই করোনা টীকাদান কর্মসূচির প্রথম ধাপে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৭০০ লোক টিকা গ্রহণ করে। টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে ১২ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১ হাজার ২০৭ জন লোক টিকা গ্রহণ করেন।
উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী গ্রাম ভবানীপুর গ্রামের চল্লিশোর্ধ্ব বয়সী কৃষক সঞ্জয় তালুকদার জানান, ভবানীপুর গ্রাম থেকে মাত্র ৪-৫ জন লোক করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন। গ্রামের লোকজন করোনার টিকা কেন নিচ্ছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষক সঞ্জয় বলেন, গ্রামের মানুষ করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কেই তেমন কিছু জানে না, যে কয়েকজন জানে তাদের মধ্যে করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে কি থেকে কি হয় এই ভয় কাজ করে।
গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নীহার রঞ্জন তালুকদার জানান, উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রাম রামসিংহপুর, এই গ্রামের দুই একটি পরিবার ছাড়া অন্য কোনো পরিবারের লোকজন করোনার টিকা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, এ ইউনিয়নের অনেক গ্রামের মানুষ করোনা সম্পর্কেই কিছু জানে না যার ফলে করোনার টিকা নিতেও তাদের মাঝে কোন আগ্রহ নেই।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহমেদ হোসেন শাফী জানান, করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে এখানকার লোকজনের মাঝে অনীহা রয়েছে। তবে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হলে টিকা নিতে লোকজন আগ্রহী হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান কবির বলেন, তাহিরপুর উপজেলার হাওর পাড়ের গ্রামগুলোতে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে মাইকিং প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকায় সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্যও আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেই লোকজনের মাঝে টিকা গ্রহণে আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যখন সার দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, ঠিক তখন থেকেই সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার মানুষজনের মাঝে টিকা নেওয়ার বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি। এর মধ্যে উপজেলার হাওর পাড়ের গ্রামগুলোর লোকজনের মধ্যেই টিকা নিয়ে অনাগ্রহীর সংখ্যা বেশি।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা চিকিৎসক মির্জা রিয়াদ হাসান জানান, হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলার মানুষজনের মাঝে টিকা গ্রহণ নিয়ে নানা সংশয় কাজ করছে। তাই করোনা টীকাদান কর্মসূচির প্রথম ধাপে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৭০০ লোক টিকা গ্রহণ করে। টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে ১২ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১ হাজার ২০৭ জন লোক টিকা গ্রহণ করেন।
উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী গ্রাম ভবানীপুর গ্রামের চল্লিশোর্ধ্ব বয়সী কৃষক সঞ্জয় তালুকদার জানান, ভবানীপুর গ্রাম থেকে মাত্র ৪-৫ জন লোক করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন। গ্রামের লোকজন করোনার টিকা কেন নিচ্ছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষক সঞ্জয় বলেন, গ্রামের মানুষ করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কেই তেমন কিছু জানে না, যে কয়েকজন জানে তাদের মধ্যে করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে কি থেকে কি হয় এই ভয় কাজ করে।
গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নীহার রঞ্জন তালুকদার জানান, উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রাম রামসিংহপুর, এই গ্রামের দুই একটি পরিবার ছাড়া অন্য কোনো পরিবারের লোকজন করোনার টিকা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, এ ইউনিয়নের অনেক গ্রামের মানুষ করোনা সম্পর্কেই কিছু জানে না যার ফলে করোনার টিকা নিতেও তাদের মাঝে কোন আগ্রহ নেই।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহমেদ হোসেন শাফী জানান, করোনার টিকা গ্রহণ নিয়ে এখানকার লোকজনের মাঝে অনীহা রয়েছে। তবে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হলে টিকা নিতে লোকজন আগ্রহী হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান কবির বলেন, তাহিরপুর উপজেলার হাওর পাড়ের গ্রামগুলোতে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে মাইকিং প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকায় সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্যও আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেই লোকজনের মাঝে টিকা গ্রহণে আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে