জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘তোমাদের ডাকে কুত্তাও রাস্তা থেকে লড়ে না। তোমরা বললে পশুপাখি কেউও পাত্তা দেয় না। বিএনপির যদি ক্ষমতা থাকত, মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকত, জনগণ যদি বিএনপিকে ভালোবাসত তাহলে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকা সম্ভব হতো না। বিএনপি জানে নির্বাচনে তারা জয়ী হতে পারবে না। তাই তারা বলে হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা নির্বাচনে নাই। এই কথায় আর কাজ হবে না। খেলার মাঠে নামো, খেলো আর জিতে বিজয়ী হও।
আজ রোববার বিকেলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভালোবাসার প্রধানমন্ত্রী। তিনি জনগণের সুবিধা-অসুবিধা বোঝেন। তাই সবার কাছে অনুরোধ, উল্টাপাল্টা করা যাবে না। উন্নয়নের স্বার্থে অতীতের মতো আগামীতেও নৌকা মার্কার সঙ্গে থাকুন। যথাসময়ে দেশে নির্বাচন হবে। কেউ অংশ না নিলে নির্বাচন থেমে থাকবে না। তবে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে সবার উচিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সিদ্দিক আহমেদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হোসেন লালন, সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশীষ ধর, সুনামগঞ্জের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে জগন্নাথপুর পৌরসভার নলজুর নদীর ওপর প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন আর্চ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘তোমাদের ডাকে কুত্তাও রাস্তা থেকে লড়ে না। তোমরা বললে পশুপাখি কেউও পাত্তা দেয় না। বিএনপির যদি ক্ষমতা থাকত, মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকত, জনগণ যদি বিএনপিকে ভালোবাসত তাহলে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকা সম্ভব হতো না। বিএনপি জানে নির্বাচনে তারা জয়ী হতে পারবে না। তাই তারা বলে হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা নির্বাচনে নাই। এই কথায় আর কাজ হবে না। খেলার মাঠে নামো, খেলো আর জিতে বিজয়ী হও।
আজ রোববার বিকেলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভালোবাসার প্রধানমন্ত্রী। তিনি জনগণের সুবিধা-অসুবিধা বোঝেন। তাই সবার কাছে অনুরোধ, উল্টাপাল্টা করা যাবে না। উন্নয়নের স্বার্থে অতীতের মতো আগামীতেও নৌকা মার্কার সঙ্গে থাকুন। যথাসময়ে দেশে নির্বাচন হবে। কেউ অংশ না নিলে নির্বাচন থেমে থাকবে না। তবে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে সবার উচিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সিদ্দিক আহমেদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হোসেন লালন, সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশীষ ধর, সুনামগঞ্জের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে জগন্নাথপুর পৌরসভার নলজুর নদীর ওপর প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন আর্চ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে