সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাড়ির সামনে পালিত ঘোড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের থালেরবন্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) এবং একই গ্রামের মৃত নৈমুল্লাহর ছেলে আব্দুল আওয়াল (৫৫)।
পুলিশ বলছে, সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে থলেরবন্দ গ্রামে আশিক মিয়ার বাড়ির সামনে শের আলী তাঁর পালিত একটি ঘোড়া বেঁধে রাখেন। একসময় ওই ঘোড়ার লাথিতে আশিক মিয়ার ছেলে আঘাত পান। এ নিয়ে আশিক আলীর ভাই সাহার আলী বাড়ির সামনে ঘোড়া বেঁধে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শের আলীর লোকজন তাঁকে মারধর করে। এরই জের ধরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর করে।
এ সময় মারামারিতে উভয় পক্ষের প্রায় সাত থেকে আট জন আহত হয়। সংঘর্ষে আশিক আলীর পক্ষের নুর মোহাম্মদ লাঠির আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হন এবং শের আলীর পক্ষের আব্দুল আওয়াল ইট-পাটকেলের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আব্দুল আওয়ালকে ভর্তি করা হয়। অবস্থা বেশি গুরুতর হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকেরা নুর মোহাম্মদকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় নুর মোহাম্মদের।
এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আশিক আলীর পক্ষের দুজন এবং শের আলীর পক্ষের চারজনকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুক্তাদির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে।’

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাড়ির সামনে পালিত ঘোড়া বাঁধাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের থালেরবন্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) এবং একই গ্রামের মৃত নৈমুল্লাহর ছেলে আব্দুল আওয়াল (৫৫)।
পুলিশ বলছে, সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে থলেরবন্দ গ্রামে আশিক মিয়ার বাড়ির সামনে শের আলী তাঁর পালিত একটি ঘোড়া বেঁধে রাখেন। একসময় ওই ঘোড়ার লাথিতে আশিক মিয়ার ছেলে আঘাত পান। এ নিয়ে আশিক আলীর ভাই সাহার আলী বাড়ির সামনে ঘোড়া বেঁধে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শের আলীর লোকজন তাঁকে মারধর করে। এরই জের ধরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর করে।
এ সময় মারামারিতে উভয় পক্ষের প্রায় সাত থেকে আট জন আহত হয়। সংঘর্ষে আশিক আলীর পক্ষের নুর মোহাম্মদ লাঠির আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হন এবং শের আলীর পক্ষের আব্দুল আওয়াল ইট-পাটকেলের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আব্দুল আওয়ালকে ভর্তি করা হয়। অবস্থা বেশি গুরুতর হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকেরা নুর মোহাম্মদকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় নুর মোহাম্মদের।
এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আশিক আলীর পক্ষের দুজন এবং শের আলীর পক্ষের চারজনকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুক্তাদির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে।’

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে