সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে মো. শামীম তালুকদার লাবুকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শামীম তালুকদার লাবু সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য জান্নাত আরা তালুকদার হেনরীর স্বামী।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মু: শওকত আলী সেলিম (হেলিকপ্টার) ৩৪ ভোট, মো. আব্দুর রহমান (মোটর সাইকেল) ২ ভোট, মো. আব্দুর রহমান (চশমা) ৫ ভোট, মো. মকবুল হোসেন মুকুল (ঘোড়া) ৫০৬ ভোট ও মো. শামীম তালুকদার লাবু (জিপ গাড়ি) ৬৩৪ ভোট পেয়েছেন।
মোট ১১৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৯১ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে শামীম তালুকদার লাবু তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মকবুল হোসেন মুকুলকে ১২৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস নৌকার প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মমিন মন্ডলের কাছে পরাজিত হন।
পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেন। আজ ৯ মার্চ এই নির্বাচনে মো. শামীম তালুকদার লাবু (জিপ গাড়ি) বিজয়ী হন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ভাষা সৈনিক প্রয়াত মোতার হোসেন তালুকদারের ছেলে।

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে মো. শামীম তালুকদার লাবুকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শামীম তালুকদার লাবু সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য জান্নাত আরা তালুকদার হেনরীর স্বামী।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মু: শওকত আলী সেলিম (হেলিকপ্টার) ৩৪ ভোট, মো. আব্দুর রহমান (মোটর সাইকেল) ২ ভোট, মো. আব্দুর রহমান (চশমা) ৫ ভোট, মো. মকবুল হোসেন মুকুল (ঘোড়া) ৫০৬ ভোট ও মো. শামীম তালুকদার লাবু (জিপ গাড়ি) ৬৩৪ ভোট পেয়েছেন।
মোট ১১৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৯১ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে শামীম তালুকদার লাবু তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মকবুল হোসেন মুকুলকে ১২৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস নৌকার প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মমিন মন্ডলের কাছে পরাজিত হন।
পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেন। আজ ৯ মার্চ এই নির্বাচনে মো. শামীম তালুকদার লাবু (জিপ গাড়ি) বিজয়ী হন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ভাষা সৈনিক প্রয়াত মোতার হোসেন তালুকদারের ছেলে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে