সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খানসহ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপি-জামায়াতের ১০৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগে গঠন করেছেন আদালত। সরকারি কাজে বাধা, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পাশাপাশি ১০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক তানবীর আহমেদ এ অভিযোগ গঠন করেন। আদালতের এপিপি রফিকুল ইসলাম ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল আজাদ, উল্লাপাড়া পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম বাবলু, জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম প্রধান, সাইদুর রহমান, তৈয়ব আলী।
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাতে মানবতা বিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হয়। এ ঘটনায় উল্লাপাড়া উপজেলার বিএনপি ও জামায়াতের ২ থেকে ৩ হাজার নেতা-কর্মী নাশকতা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ঢাকা-নগরবাড়ি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় উল্লাপাড়ার শ্রীখোলা বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালান। ককটেল ও পেট্রল বোমার বিস্ফোরণসহ ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করেন।
এ ঘটনায় উল্লাপাড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক সবুজ রানা বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল (বর্তমান সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল) রফিকুল ইসলাম খানসহ বিএনপি-জামায়াতের ৭৭ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে বিএনপি-জামায়াতের ১০৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে ২০১৫ সালের ২০ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজ এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খানসহ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপি-জামায়াতের ১০৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগে গঠন করেছেন আদালত। সরকারি কাজে বাধা, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পাশাপাশি ১০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আজ সোমবার বেলা ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক তানবীর আহমেদ এ অভিযোগ গঠন করেন। আদালতের এপিপি রফিকুল ইসলাম ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল আজাদ, উল্লাপাড়া পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম বাবলু, জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম প্রধান, সাইদুর রহমান, তৈয়ব আলী।
মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাতে মানবতা বিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হয়। এ ঘটনায় উল্লাপাড়া উপজেলার বিএনপি ও জামায়াতের ২ থেকে ৩ হাজার নেতা-কর্মী নাশকতা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ঢাকা-নগরবাড়ি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় উল্লাপাড়ার শ্রীখোলা বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালান। ককটেল ও পেট্রল বোমার বিস্ফোরণসহ ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করেন।
এ ঘটনায় উল্লাপাড়া মডেল থানার উপপরিদর্শক সবুজ রানা বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল (বর্তমান সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল) রফিকুল ইসলাম খানসহ বিএনপি-জামায়াতের ৭৭ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে বিএনপি-জামায়াতের ১০৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে ২০১৫ সালের ২০ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজ এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে