তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডলকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মঞ্চে না ডাকায় তাঁর নেতৃত্বে অনুষ্ঠানের প্যান্ডেলের চেয়ার ও মঞ্চ ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে।
আজ রোববার বেলা একটার দিকে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আর এ ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থীরা ভয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। আবার কেউ বা দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। আর এভাবে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট তাণ্ডব চলার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।
বিষয়টি ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দিন ছিল। আর সকালে বিদ্যালয়ে মাঠে স্থাপিত মঞ্চে যথারীতি আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং শিক্ষকদের নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কিন্তু বেলা একটার দিকে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডলকে ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মঞ্চে না ডাকায় তিনি তাঁর ১০ থেকে ১২ জন সমর্থক নিয়ে আচমকা অনুষ্ঠান স্থলে ঢুকে পড়েন।
এ সময় তাঁকে মঞ্চে না ডাকায় তিনি আয়োজকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিতে থাকেন। আর এমন আচরণ দেখে আয়োজকেরা তাঁকে নিবৃত করার চেষ্টা করলে তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে প্যান্ডেলে থাকা চেয়ার ও মঞ্চ ভাঙচুর করতে থাকেন। এভাবে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট তাণ্ডব চালিয়ে প্রায় ৫৫টি চেয়ার ও মঞ্চের অংশবিশেষ ভেঙে ফেলেন।
আর এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থীরা ভয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। আবার কেউ বা দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। তখন হামলাকারীরা বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তারপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। খবর পেয়ে তাড়াশ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ প্রসঙ্গে ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যা ঘটেছে, তা ন্যক্কারজনক। আর বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি আবু হাসেম খোকন বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। যা মেনে নেওয়া যায় না।’
তবে রানা মণ্ডল বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। এলাকার কতিপয় জুনিয়র ছেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জেনেছি।’
তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইকবাল হাসান রুবেল বলেন, ‘বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। আর সত্যিই যদি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন, তাহলে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। যদি অভিযোগ আসে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডলকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মঞ্চে না ডাকায় তাঁর নেতৃত্বে অনুষ্ঠানের প্যান্ডেলের চেয়ার ও মঞ্চ ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছে।
আজ রোববার বেলা একটার দিকে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আর এ ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থীরা ভয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। আবার কেউ বা দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। আর এভাবে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট তাণ্ডব চলার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।
বিষয়টি ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দিন ছিল। আর সকালে বিদ্যালয়ে মাঠে স্থাপিত মঞ্চে যথারীতি আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং শিক্ষকদের নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কিন্তু বেলা একটার দিকে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডলকে ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মঞ্চে না ডাকায় তিনি তাঁর ১০ থেকে ১২ জন সমর্থক নিয়ে আচমকা অনুষ্ঠান স্থলে ঢুকে পড়েন।
এ সময় তাঁকে মঞ্চে না ডাকায় তিনি আয়োজকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিতে থাকেন। আর এমন আচরণ দেখে আয়োজকেরা তাঁকে নিবৃত করার চেষ্টা করলে তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে প্যান্ডেলে থাকা চেয়ার ও মঞ্চ ভাঙচুর করতে থাকেন। এভাবে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট তাণ্ডব চালিয়ে প্রায় ৫৫টি চেয়ার ও মঞ্চের অংশবিশেষ ভেঙে ফেলেন।
আর এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থীরা ভয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। আবার কেউ বা দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। তখন হামলাকারীরা বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তারপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। খবর পেয়ে তাড়াশ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ প্রসঙ্গে ধামাইচহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যা ঘটেছে, তা ন্যক্কারজনক। আর বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি আবু হাসেম খোকন বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। যা মেনে নেওয়া যায় না।’
তবে রানা মণ্ডল বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। এলাকার কতিপয় জুনিয়র ছেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জেনেছি।’
তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইকবাল হাসান রুবেল বলেন, ‘বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। আর সত্যিই যদি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা মণ্ডল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন, তাহলে তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। যদি অভিযোগ আসে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৮ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে