তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

পাওনা টাকা না দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক কিশোরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা।
গতকাল রোববার সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা হাসিনুর রহমান। এতে আসামি করা হয় সগুনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুজন সরদারসহ তিনজনকে।
নির্যাতনের শিকার কিশোরের নাম মো. জুয়েল হোসেন (১৭)। সে পার্শ্ববর্তী নওখাদা গ্রামের হাসিনুর রহমানের ছেলে। আর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুজন সরদার ঈশ্বরপুর গ্রামের মন্টু সরদারের ছেলে।
আজ সোমবার এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি জনসম্মুখে আসে। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ঈশ্বরপুর গ্রামের রায়হানের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল হোসেনের কাছ থেকে কিছু টাকা পাওনা ছিলেন সুজন সরদার। কিন্তু নানা কারণে জুয়েল সে টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার রাতে ইউপি সদস্য সুজন লোক পাঠিয়ে জুয়েলকে বাড়ি থেকে ডেকে আনেন। পরে ঈশ্বরপুর গ্রামের রায়হানের চায়ের দোকান এনে তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে বেঁধে উল্টো করে পা ঝুলিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকেন ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন। যা থেমে থেমে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে। একপর্যায়ে লোকজন ইউপি সদস্য এবং তাঁর লোকজনকে অনুরোধ করে থামান।
ছেলেকে নির্যাতন প্রসঙ্গে জুয়েলের বাবা হাসিনুর রহমান জানান, তাঁর ছেলেকে অন্যায়ভাবে ইউপি সদস্য সুজন ও তাঁর লোকজন নির্যাতন করেছেন। এতে তাঁর ছেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি এর বিচার দাবি করেন।
এদিকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য সুজন সরদার।
জানতে চাইলে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, ‘ওই কিশোরকে মারধরের একটি ভিডিও দেখেছি। পাশাপাশি নির্যাতিত জুয়েলের স্বজনেরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।’
তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত ঘটনায় আদালতে একটি মামলা হয়েছে বলে শুনেছি।’

পাওনা টাকা না দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক কিশোরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা।
গতকাল রোববার সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা হাসিনুর রহমান। এতে আসামি করা হয় সগুনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুজন সরদারসহ তিনজনকে।
নির্যাতনের শিকার কিশোরের নাম মো. জুয়েল হোসেন (১৭)। সে পার্শ্ববর্তী নওখাদা গ্রামের হাসিনুর রহমানের ছেলে। আর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুজন সরদার ঈশ্বরপুর গ্রামের মন্টু সরদারের ছেলে।
আজ সোমবার এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি জনসম্মুখে আসে। এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ঈশ্বরপুর গ্রামের রায়হানের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল হোসেনের কাছ থেকে কিছু টাকা পাওনা ছিলেন সুজন সরদার। কিন্তু নানা কারণে জুয়েল সে টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার রাতে ইউপি সদস্য সুজন লোক পাঠিয়ে জুয়েলকে বাড়ি থেকে ডেকে আনেন। পরে ঈশ্বরপুর গ্রামের রায়হানের চায়ের দোকান এনে তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে বেঁধে উল্টো করে পা ঝুলিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকেন ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন। যা থেমে থেমে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে। একপর্যায়ে লোকজন ইউপি সদস্য এবং তাঁর লোকজনকে অনুরোধ করে থামান।
ছেলেকে নির্যাতন প্রসঙ্গে জুয়েলের বাবা হাসিনুর রহমান জানান, তাঁর ছেলেকে অন্যায়ভাবে ইউপি সদস্য সুজন ও তাঁর লোকজন নির্যাতন করেছেন। এতে তাঁর ছেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি এর বিচার দাবি করেন।
এদিকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য সুজন সরদার।
জানতে চাইলে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, ‘ওই কিশোরকে মারধরের একটি ভিডিও দেখেছি। পাশাপাশি নির্যাতিত জুয়েলের স্বজনেরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।’
তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত ঘটনায় আদালতে একটি মামলা হয়েছে বলে শুনেছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে